অনলাইন গ্রোসারি ক্যারিকরোর যাত্রা

ঠিকানা রিপোর্ট: বর্তমান বিশ্বে সব কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ীই এ সব পরিবর্তন। তার উপরে করোনার আঘাত। মানুষ সহসায় ঘর থেকে বের হতে চায় না। সুযোগ পেলেই এখন অনলাইনে সব সেরে নেয়। পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী কয়েকজন বাংলাদেশি অনলাইনভিত্তিক গ্রোসারি ’ক্যারিকরো চালু করেছে। গত ২০ জুলাই সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এই ঘোষণা দেন।
প্রতিষ্ঠানটির ডিরেক্টর আজগর হোসেন খান বাবু লিখিত বক্তব্যে বলেন, নিউইয়র্কের বর্তমান করোনাকালে আমরা সবাই একটা কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের অনেকেই চলে গেছেন। আবার অনেকে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল ও বাসায় রয়েছেন। এই সময়ে আমাদের ঘর থেকে বের হওয়াটা একটা চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। অনেকে মৃত্যুঝুঁকির কারণে বিশেষ করে বয়স্করা ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। ইদানীং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে দেখা যাচ্ছে ২০-৩৫ বছর বয়েসের যুবকরাও কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হচ্ছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও বিভিন্ন দেশে আমরা কিছু ওষুধপত্রসহ নানা পণ্যসামগ্রী নিয়ে কাজ করেছি, মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার জন্য গড়ে তুলছি ক্যারিকরো গ্রোসারি। বর্তমানে নিউইয়র্কসহ উত্তর আমেরিকায় এবং পরে আমরা কয়েকটি দেশে সেবা প্রদান করব।
তিনি বলেন, আইটি সেক্টরে তারুণ্য উদ্দীপ্ত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি আমাদের এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত হয়েছেন। উত্তর আমেরিকায় আমরা মানুষের ঘরে পৌঁছে দিতে চাই নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী। প্রত্যেকেই আমরা ঘর থেকে বের হয়ে এসব পণ্যাদি ক্রয় করি, আপনারা চাইলে ক্যারিকরো গ্রোসারির অ্যাপসের মাধ্যমে এখন ঘরে বসে অর্ডার করলেই নামমাত্র লাভে আমরা আপনাদের কাছে পৌঁছে দেবো আপনার প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। তবে এখানে আমরা আর একটি কথা বলতে চাই, অর্ডার মূল্য ১০০ ডলারের উপরে হলে আমরা সার্ভিস চার্জ নেবো না। এই সুযোগগুলো আমাদের করে দিচ্ছে ক্যারিকরো গ্রোসারি। আশা করি নিউইয়র্ক ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন স্টেটে এই ব্যাপারে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারব। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের কাম্য।
তিনি বলেন, আমি নিউইয়র্কে সব মিডিয়াকর্মীর সহযোগিতা চাই। আপনাদের পরামর্শ আমাদের চলার পথে প্রেরণা জোগাবে। আশা করি আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। ক্যারিকরো গ্রোসারি হয়ে উঠবে এমন একটি প্রতিষ্ঠান- যা হবে দেশের, সমাজের আমাদের সব কমিউনিটির।
ক্যারিকরো লিমিটেডের সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ কামরুল আহসান মনে করেন, ক্যারিকরো একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা সায়েন্স সমৃদ্ধ টেকনোলজি। তিনি বিশ্বাস করেন এটি শুধু বাংলাদেশই নয়, বহির্বিশ্বেও অনডিমান্ড ওষুধ, গ্রোসারি এবং পার্সেল সার্ভিসকে নিয়ে যাবে এক নতুন দিগন্তে। আর এই একই বিশ্বাসে বিশ্বাসী মুজাহিদুল খান, মিনু উদ্দিন, আজগর হোসেন খান বাবু, ইফাত অরিন, দিবাকর সেন, মহিরুল চৌধুরী ও আজাহারুল চৌধুরী।