আটলান্টিক সিটির মেয়র হিসাবে শপথ নিলেন ফ্রাঙ্ক এম গিলিয়াম জুনিয়র

আটলান্টিক সিটি থেকে সুব্রত চৌধুরী : গত পহেলা জানুয়ারি সোমবার ফ্রাঙ্ক এম গিলিয়াম জুনিয়র আটলান্টিক সিটির মেয়র হিসাবে শপথ নিলেন। গত নভেম্বরের নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান দলীয় মেয়র ডোনাল্ড ডি গার্ডিয়ান কে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন। ঐদিন দুপুরে সিটি হল মিলনায়তনে হল ভর্তি সুধীজনের উপস্থিতিতে নিউজার্সি সুপ্রীম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী বিচারপতি জন ই ওয়ালেস জুনিয়র তাঁকে শপথ পড়ান। এছাড়া কাউনসিলম্যান এট লার্জ এমও ডেলগাডো এবং জেফরি ফন্টলেরয় ও শপথ নেন।
শপথ গ্রহণ শেষে ৪৭ বছর বয়স্ক ফ্রাঙ্ক এম গিলিয়াম জুনিয়র বলেন, তিনি দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সাথে নিয়ে আটলান্টিক সিটির উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। তাঁর অদম্য বাসনা তিনি আটলান্টিক সিটিকে “শাইনিং স্টার অব নিউজার্সি ” বানাবেন।
ফ্রাঙ্ক এম গিলিয়াম জুনিয়র আটলান্টিক সিটির মেয়র হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এ প্রতিনিধির কথা হয় বাংলাদেশ কমিউনিটির কয়েকজন বিশিষ্টজনের সাথে। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউনটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব সাব্বির হোসেন ভূঁইয়া আশা প্রকাশ করেন, নতুন মেয়র প্রপার্টি ট্যাক্স কমানোর ব্যাপারে উদ্যোগ নেবেন এবং ক্যাবি চালকদের বিভিন্ন সমস্যাদি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাউথ জার্সির সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাবুল বলেন, যে প্রত্যাশা নিয়ে বাংলাদেশ কমিউনিটির লোকজন তাঁকে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করেছেন সেই প্রত্যাশা যেন তিনি পূরণ করেন সেটাই কামনা করি।
আটলান্টিক সিটি ডেমক্র্যাটিক পার্টির কমিটি পারসন সৈয়দ মোঃ কাউসার নতুন মেয়রের কার্যকালের সফলতা কামনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে আটলান্টিক সিটি তার হৃত গৌরব ফিরে পাবে।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত আসাল নিউজার্সি চ্যাপ্টারের সভাপতি ফারুক হোসেন জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি আটলান্টিক সিটিবাসীর জন্য যেসব কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেসব প্রতিশ্রুতি তিনি পূরণ করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।
সাউথজার্সি বিজনেস এসোসিয়েশন সভাপতি সালেহ আহমেদ লিটন বলেন, আমি আশা করি নতুন মেয়রের কার্যকালে তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে আটলান্টিক সিটির ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসবে,আমরা ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবো।
কমিউনিটি নেতা গৌতম নাগ বলেন, তিনি আশা করেন নতুন মেয়রের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আটলান্টিক সিটিতে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান এর সুযোগ সৃষ্টি হবে।