ই-বাইকের বৈধতা নিউইয়র্কে

ঠিকানা রিপোর্ট : নিউইয়র্কের সিটি কাউন্সিল ই-বাইকের বৈধতা দিয়েছে। গত ২৫ জুন এশীয় আমেরিকান ফেডারেশন (এএএফ) সিটি কাউন্সিলের ই-বাইককে বৈধ করার এবং হাজার হাজার অভিবাসী ডেলিভারি কর্মীর প্রয়োজনীয় ত্রাণ এবং আইনি স্পষ্টতা আনার সিদ্ধান্তটি উদ্্যাপন করেছে। ২০১৭ সাল থেকে এএএফ নিউইয়র্ক সিটির রাস্তায় ই-বাইকের বৈধতার জন্য লড়াই করে আসছিল। নিউইয়র্কে যারা ডেলিভারি কর্মী, তাদের বেশির ভাগ অভিবাসী। করোনা মহামারিতেও তারা জীবনের বুঁকি নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে নিউইয়র্কবাসীকে সেবা দিয়ে আসছে।
এই আইন পাসের ফলে নিউইয়র্কের ই-বাইকগুলো ২৫ মাইল বেগে ভ্রমণ করতে পারে। এর চেয়ে বেশি গতিতে ই-বাইক চালালে রাস্তায় পুলিশ থামিয়ে বাইক জব্দ করতে পারে এবং টিকিট দিতে পারে। এই আইন পাসের ফলে এএএফ উল্লসিত হলেও তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। তারা নতুন দাবি জানিয়েছে, ডেলিভারি কর্মীদের যেন মালিকরা ই-বাইক প্রদান করে এবং জরিমানার অর্থ প্রদান করে। সেই সাথে বাইক পুলিশ আটক করলে তা যেন উদ্ধার করে। তারা এক বিবৃতিতে জানায়, করোনাভাইরাসের সময় নিউইয়র্কের রেস্টুরেন্টগুলো খোলা রয়েছে এবং সব রেস্টুরেন্টেই ডেলিভারির মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করতে হচ্ছে ডেলিভারিম্যানদের। ই- বাইক আইন পাস হওয়ার ফলে ডেলিভারিম্যানদের অনেক সুবিধা হলো। এ জন্য সংগঠনের নেতারা সিটি কাউন্সিল মেম্বারদের ধন্যবাদ জানান। এশিয়ান আমেরিকান ফেডারেশনের নির্বাহী পরিচালক জো-অ্যান ইয্যু বলেন, আমরা বাইকিং পাবলিক প্রজেক্ট, মেক দ্য রোড, ট্রান্স অল্ট এবং আইনি সহায়তায় অংশীদারদের সাথে উদযাপন করি। আমরা আমাদের প্রাক্তন স্টাফ পার্সেফোন টান এবং টিফনি চ্যাংকে ধন্যবাদ জানাই। তারা এই আইন পাসের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যারা বাইকে ডেলিভারি দিতে গিয়ে নিহত হয়েছেন, তাদের গভীরভাবে স্মরণ করছি। যারা রোদ, বৃষ্টি, ঝড় ও স্লোরকে উপেক্ষা করে আন্দোলন করেছেন, তাদের প্রতি জানাচ্ছি কৃতজ্ঞতা।
জো-অ্যান ইয্যু আরো ধন্যবাদ জানান কাউন্সিল সদস্য মার্গারেট চিনকে, যিনি ডেলিভারি কর্মীদের বহু বছর ধরে সমর্থন করে আসছিলেন। এছাড়া তিনি ধন্যবাদ জানান, সহযোগী কাউন্সিলের স্পিকার কোরি জনসন, কাউন্সিল সদস্য ফার্নান্দো ক্যাবেরা, কাস্টাস কনস্ট্যান্টিনাইডস, কার্লোস মেনচাকা, ইদানিস, রদ্রিগেজ ও ডোনভান রিচার্ডসকে।