উ. কোরিয়াকে মাত্র ৩৫ মিনিটে ধ্বংস করতে পারেন ট্রাম্প!

পরমাণু অস্ত্র হামলা করে ৩৫ মিনিটের মধ্যেই উত্তর কোরিয়াকে ধ্বংস করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরমাণু শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্র নীতিমালা এমনভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের রয়েছে পরমাণু অস্ত্র উৎক্ষেপণের সর্বময় কর্তৃত্ব। প্রেসিডেন্ট পরমাণু হামলার সিদ্ধান্ত নিলে তাকে থামানোর কোনো উপায়ও নেই। বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার টেলিগ্রাফ এ তথ্য জানিয়েছে।
সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ম্যালকম ন্যান্স বলেন, ‘তিনি হচ্ছেন একজন পরমাণু সম্রাট। তিনি এটা করতে সক্ষম। এটাকে আমরা বলতে পারি ৩৫ মিনিটের সমাধান।’ তিনি জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্র বহনকারী একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পিয়ংইয়ংয়ে পৌঁছতে এটুকু সময়ই লাগবে।’ উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বাকযুদ্ধের পাশাপাশি পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। এমন পরিস্থিতিতে এমন জল্পনা ক্রমেই দানা বাঁধছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরমাণু হামলা চালাতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্র এযাবৎ একবারই পরমাণু হামলা চালিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ লগ্নে ১৯৪৫ সালে জাপানে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু হামলার নির্দেশ দেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রম্যান।
এদিকে পরমাণু শক্তিধর উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনও যুক্তরাষ্ট্রে পরমাণু হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। পিয়ংইয়ং সর্বশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে পরমাণু পরীক্ষা চালায়। তাদের পরীক্ষা চালানো হাইড্রোজেন বোমাটি আণবিক বোমার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি শক্তিশালী বলে দাবি করে দেশটি। বিশ্লেষকরা বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার দাবি নিয়ে সন্দেহ থাকলেও দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতা যে বাড়ছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এরপর ২৯ নভেম্বর দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় দেশটি। কিম জং উন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পুরো ভূখণ্ড এখন উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়।