এস্টোরিয়া ওয়েলফার সোসাইটির একশ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ

নিউইয়র্ক : কুইন্স বোরো অফিস ও এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কর্তৃক দুস্থ একশ পরিবারের মাঝে গ্রোসারি সামগ্রী বিতরন করা হয়। ২ জুলাই এস্টোরিয়ার রেবেন্সহুড এলাকায় এ ত্রান বিতরনে নেতৃত্ব দেন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি সোহেল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ উদ্দীন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুইন্স বুরো প্রেসিডেন্ট শেরন লী, গোলাম এইচ চৌধুরি, সানিয়ান চৌধুরী, মেরি জোবায়দা, সাংবাদিক আবু তাহের, সোহেল আহমেদ, এসেসিয়েশনের উপদেষ্টা এমাদ চৌধুরী, দেওয়ান শাহেদ চৌধুরী, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট সালেহ চৌধুরী, ফকু চৌধুরী, ওয়েলফেয়ার সংগঠনের সহসভাপতি কয়েস আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল আলম, প্রচার সম্পাদক রাজু খান, সদস্য সামছুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আলী।
অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি বদরুল খান, এস্টোরিয়া রেবেন্সহুড টেনেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যারল উইলকিন্সসসহ তার অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ।
বিতরন অনুষ্ঠানে সেচ্চায় শ্রম সেবা দান করেন জহরান মাদানি, জুলিয়া ফরমেন, ক্যাথলিন সুয়েষ্টার, কুইন্স বোরো অফিসের ব্রেন্ট উইজবার্গ, হিরসা ডেন্ট কাতারম্যান, বাছমা ঈদ, ক্লারা জনস, লরেন্স সিমন্স, লিসা ডিকসন, এলেন ফোর্ড, এমেস ক্লিস্ট্রল, এস্টোরিয়া মিউচুয়াল নেটওয়ার্ক এইড এর মরিয়ম শাহাত। ত্রাণ বিতরণে একশ পরিবারের মাধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় গ্রোসারি সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, এস্টোরিয়া ওয়েলফার সোসাইটির উদ্যোগে গত কয়েকদিন আগেও আড়াইশ পরিবারের মাঝে গ্রোসারি সামগ্রী বিতরন করা হয়েছিল।
ওয়েলফেয়ার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ উদ্দিন জানান, করোনায় অসহায় মানুষের জন্য আমরা কিছু করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। যারা আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে প্রাণঢালা অভিনন্দন । তিনি এ সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

বছর শেষে করোনা ভ্যাকসিন আসছে!
ঠিকানা রিপোর্ট : ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক এবং ইউএস সায়েন্টিফিকের প্রধান মুখপাত্র ড. অ্যান্থনি ফাউচি বলেছেন, করোনাভাইরাসের প্রথম দফা সংক্রমণ পুরোপুরি নির্মূল হওয়ার আগেই আমেরিকাসহ সমগ্র বিশ্বকে করোনার দ্বিতীয় দফা সংক্রমণের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি জানান, দ্বিতীয় দফা হামলার মুখে আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ব্রাজিল, পেরুসহ গোটা বিশ্ব চরম নাজুক পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে।
ফাউচি আরো বলেন, করোনার প্রথম দফা সংক্রমণ চালু থাকা অবস্থায় আমেরিকার কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী ও স্টেট আগপিছ ভালোভাবে যাচাই না করেই স্টেট রি-ওপেনিং শুরু করেছে। ফলে হু হু করে দ্বিতীয় দফা সংক্রমণ বেড়েছে এবং প্রতিদিন ৫০ হাজারের বেশি হারে গত ৫ দিনে আড়াই লক্ষাধিক আমেরিকান নতুনভাবে করোনার শিকার হয়েছেন। এ কারণে গোটা জাতিকে এখন চরম পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ড. ফাউচি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আমেরিকা সঠিক পথে এগোচ্ছে না। এর আগে ফাউচি বলেছিলেন, কয়েকটি স্টেট কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে আমেরিকায় প্রতিদিন নতুন করে ১ লাখ লোক করোনাভাইরাসের শিকার হবে। ড. ফাউচি অবশ্য বলেন, করোনাভাইরাসের পুনঃ সংক্রমণে চরমভাবে বিধ্বস্ত বিশ্ববাসী আগ্রহভরে জানতে চায় কখন করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আসছে। গভীর উদ্বেগের সাথে অপেক্ষমাণ আমেরিকানদের মনে সাহস জোগানোর জন্য তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ করোনার ভ্যাকসিন বাজারে আসার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। ৭ জুলাই ড. ফাউচি বলেন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ ভ্যাকসিনের উন্নয়নসাধনকারী বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করছে। করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন ডোজগুলো কাজ করে কি না তা নির্ধারণের জন্যই কোম্পানিগুলো কাজ করছে। ড. ফাউচি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমানের কর্মধারা অব্যাহত থাকলে জুলাইয়ের শেষ পর্যায়ে ট্রায়ালের তৃতীয় বা চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছা যাবে। চলতি বছরের শেষে কিংবা ২০২১ সালের শুরুতে ভ্যাকসিন নিরাপদ এবং কার্যকর কি না, সে সম্পর্কে একটি উত্তর খুঁজে পাওয়া যাবে।
ভ্যাকসিন কার্যকর প্রমাণিত না হলে প্রস্তুতকৃত সব ডোজই ফেলে দেওয়া হবে। এটি সন্দেহাতীতভাবে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। তবে ঝুঁকি সত্ত্বেও যদি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে প্রস্তুতকৃত লাখ লাখ ডোজ দ্রুত বাজারে ছাড়া সহজ হবে। ড. ফাউচি আরও জানান, বিতরণ-প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এটি নিরাপত্তাঝুঁকি কিংবা বৈজ্ঞানিক সাধুতার ঝুঁকি নয়, মূলত এটি বিরাট অঙ্কের আর্থিক ঝুঁকি।