ওআইসি সদস্যদের সমন্বয়ে ইসলামি আর্মি গঠনের পরিকল্পনা তুরস্কের

বিশ্বচরাচর ডেস্ক : সিরিয়ার আফরিন শহরে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে তুরস্কের সেনাবাহিনী। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণকারী মার্কিন মদদপুষ্ট গেরিলাদের বিরুদ্ধে দুই মাসের বেশি লড়াইয়ের পর এটি দখলের দাবি করা হলো।

তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের বরাত দিয়ে তুরস্কের এনটিভি জানিয়েছে, সব গ্রাম থেকে গেরিলাদের হটিয়ে দেয়ার পর এখন পুরোপুরি ভাবে আফরিন নিয়ন্ত্রণ করছে তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী।

তুর্কি দৈনিক ইয়েনি সাফাক জানিয়েছে, আফরিনের বিরুদ্ধে তুরস্ক অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ নামের অভিযান শুরুর পর মোট ৩৭৩৩ জন কথিত সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। গেরিলাদের আত্মসমর্পণ করা, কিংবা বন্দী বা নিহত হওয়া বোঝাতে নিষ্ক্রিয় শব্দটি ব্যবহার করে তুর্কি কর্তৃপক্ষ। অবশ্য, দামেস্ক বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে সিরিয়ার আফরিন অঞ্চলে সামরিক অভিযান চালিয়েছে তুরস্কের সেনাবাহিনী। কুর্দি গেরিলা সংগঠন ওয়াইপিজি-কে নির্মূল করতে এ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে দাবি করছে তুর্কি সরকার। অপর এক খবরে সিয়াসাত ডটকম জানায়, ইসরাইলকে রুখতে ৫৭টি মুসলিম দেশকে একত্রিত করে একটি বিশাল ইসলামি সেনাবাহিনী গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুরস্ক।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ওআইসি সদস্য দেশগুলোর জনসংখ্যা ১৬৭,৪৫,২৬,৯৩১ জন এবং এসব দেশের মধ্যে সক্রিয় সামরিক বাহিনী ৫২ লাখেরও বেশি এবং তাদের প্রতিরক্ষা বাজেট ১৭৪ বিলিয়ন ৭০ কোটি ডলার। অন্য দিকে, ইসরাইলের মোট জনসংখ্যা ৮০ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৪ জন এবং এর সক্রিয় সামরিক বাহিনী মাত্র ১৬০,০০০ জন এবং প্রতিরক্ষা বাজেট ১৫ বিলিয়ন ৬০ কোটি ডলার।

পরিসংখ্যান বলছে, যদি ওআইসি সদস্য দেশ ‘ইসলামি আর্মি’ গঠন করতে সম্মত হয়, তবে এটা দখলদার ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। সিয়াসাত ডটকম, আনাদোলু।