করোনায় মৃতের সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা

গাইডলাইন অনেকে মানছেন না : ডা. ফাউচি

এম. এস. হক : শতাব্দীর ভয়াবহ যমদূত হিসেবে আবির্ভাব হওয়া করোনাভাইরাস প্রতিদিন লাশের সারিতে যুক্ত করেছে হাজার হাজার মানুষের নাম। করোনাভাইরাস প্রতিনিয়ত রূপ বদলিয়ে বিরামহীনভাবে মানুষের প্রাণ কাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে করোনা প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় হা-পিত্যেশ করতে থাকে গোটা দুনিয়া। বিশ্বের বিভিন্ন তাবৎ তাবৎ বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন তৈরিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বিজ্ঞানীরা চলতি বছরের শেষের দিকে করোনার ভ্যাকসিন পাওয়া যেতে পারে বলে আশার বাণী শোনালেও এখনো মেলেনি কাক্সিক্ষত সুখবর। তবে ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অনেকটা ধাপ এগিয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বিশ্ববাসীকে কিছুটা আশার আলো দেখালেও সেটা কতটুকু কার্যকর হবে কিংবা কবে নাগাদ করোনা আক্রান্ত রোগীদের ওপর প্রয়োগ করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।
আশা-নিরাশার এমন দোলাচলে প্রাণ কাড়ার মিশনে থেমে নেই করোনাভাইরাস। ২১ জুলাই মঙ্গলবার পর্যন্ত মহামারি করোনায় সারা বিশ্বে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার ১৮২। এর মধ্যে ৬ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা গ্রহণের পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন প্রায় ৯০ লাখ লোক।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। উৎপত্তিস্থল চীনে ৮৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হলেও সেখানে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমে গেছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে। চীনের বাইরে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ১৩ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ দুনিয়াজুড়ে একে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে দিয়ে এও বলেছে, হয়তো এই ভাইরাস কখনোই নির্মূল হবে না। প্রাণঘাতী এইডসের মতো এই ভাইরাসকে সঙ্গী করেই হয়তো চলতে হবে মানবসভ্যতাকে।
এদিকে করোনাভাইরাসের বর্তমানের ধারা অব্যাহত থাকলে ১৯১৮-১৯ সালের ফ্লু প্যান্ডামিকের ভয়ানক পরিণতির পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক এবং ইউএস সায়েন্টিফিকের প্রধান মুখপাত্র ড. অ্যান্থনি ফাউচি। তিনি বলেন, ১৯১৮ সালের জনসংখ্যার তুলনায় বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যা কমপক্ষে চার গুণ বেশি। আবার করোনাভাইরাস জিনেরও দ্রুত ক্রম রূপান্তর ঘটছে। তাই এবার করোনায় মৃতের সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।
মানব সভ্যতার ইতিহাসে ১৯১৮-১৯ সাল ছিল সর্বাপেক্ষা বেদনাদায়ক এবং ভীতিবিহ্বল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নারকীয় তাণ্ডবের সাথে ফ্লু প্যান্ডামিক যুক্ত হয়ে পৃথিবী থেকে মানুষের অস্তিত্ব মুছে ফেলার ঘৃণ্য খেলায় মেতে উঠেছিল। ঐতিহাসিক তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ১৯১৮-১৯ সালে উড়োজাহাজ থেকে সৃষ্ট জিন-সংবলিত এইচওয়ানএনওয়ান ভাইরাসজাত ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারিতে তৎকালীন বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ বা ৫০ থেকে ৬০ কোটি লোক আক্রান্ত হয়েছিল। সঠিক পরিসংখ্যান সহজলভ্য না হওয়ায় অনেকের ধারণা, ওই মহামারিতে ৫ থেকে ১০ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল। আর যুক্তরাষ্ট্রে মারা গিয়েছিল পৌনে সাত লাখ থেকে ১ কোটি মানুষ।
আমেরিকায় মহামারির অস্তিত্ব সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ধরা পড়েছিল ১৯১৮ সালের বসন্তকালে এবং রাতারাতি তা ছড়িয়ে পড়েছিল বাঁধভাঙা নদীর স্রোতের বেগে। ওই মহামারির প্রধান শিকার ছিল ৫ থেকে কমবয়সী, ২০ থেকে ৪০ বয়সী এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীরা। সার্থক ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে নির্জনতা, কোয়ারেন্টাইন, উত্তম ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল এবং ভিড়বাট্টা ও জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
১৯১৮-১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা এবং গুণকীর্তনে বিশ্ববাসী পঞ্চমুখ। অথচ করোনাভাইরাস আমাদের সকল দম্ভ ও অহংকারকে চূর্ণ করে দিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিদিন সারা বিশ্বে আড়াই থেকে তিন লাখ মানুষ করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে। আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিও ভয়াবহ বলে জানা গেছে। ২১ জুলাই ফ্লোরিডায় ১০ সহস্রাধিক এবং টেক্সাসে ৯ সহস্রাধিক মানুষ করোনায় নতুনভাবে আক্রান্ত হয়েছে। বর্তমানের ধারা অব্যাহত থাকলে ১৯১৮-১৯ সালের ফ্লু প্যান্ডামিকের ভয়ানক পরিণতির পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক এবং ইউএস সায়েন্টিফিকের প্রধান মুখপাত্র ড. অ্যান্থনি ফাউচি।
আমেরিকানদের মানসিকতা : ড. ফাউচি বলেন, নির্মম সত্য হচ্ছে আমেরিকার জনগণসহ পুরো বিশ্ববাসী সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রণীত গাইডলাইনের প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করছেন। আমেরিকানরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করছেন, সর্বসাধারণের স্বাস্থ্য রক্ষাকল্পে গৃহীত পদক্ষেপগুলো অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জঘন্য শত্রু এবং বড় ধরনের প্রতিবন্ধক। তাই সর্বসাধারণ পারতপক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না এবং আগপিছ বিবেচনা না করেই রিওপেনিং শুরু করে গোটা বিশ্বকে নতুনভাবে বিপন্ন করে তুলছেন।
ফেসবুক ফাউন্ডার ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মার্ক জুকারবার্গের সাথে লাইভ চ্যাটকালে ড. ফাউচি আরও বলেন, সর্বসাধারণের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য প্রণীত বিধিমালাকে দেশের সবকিছু পুনঃখোলা এবং অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের বাহন ও মূল ফটক হিসেবেই জ্ঞান করা উচিত। স্বাস্থ্য বিধিমালা কোনো কিছুর প্রতিবন্ধক নয়, বরং সবকিছুরই মূল চালিকাশক্তি ও প্রধান বাহন। এ বাস্তবতা অস্বীকার করলে ১৯১৮ সালের মহামারির চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির জন্য বিশ্ববাসীকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
ড. ফাউচি আরো বলেন, ১৯১৮ সালের জনসংখ্যার তুলনায় বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যা কমপক্ষে চার গুণ বেশি। আবার করোনাভাইরাস জিনেরও দ্রæত ক্রম রূপান্তর ঘটছে। তাই এবার করোনায় মৃতের সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। এ অবস্থায় দেশ-জাতি এবং বিশ্ববাসীর বৃহত্তর স্বার্থে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরিধান করা, যথাসম্ভব ভিড়বাট্টা এড়িয়ে চলা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তার প্রতিও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি বলেন, আমেরিকার জনগণ শরৎকাল বা ফল নাগাদ দ্বিতীয় দফা হামলার আশঙ্কা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু করেছে। অথচ দ্বিতীয় দফা সংক্রমণের চিন্তা-ভাবনা বাদ দিয়ে এ মুহূর্তে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রথম দফা সংক্রমণের ব্যাপারে অধিকতর সচেতনতা অবলম্বন করা ও এর ধকল কাটিয়ে ওঠা।
ড. ফাউচি বলেন, এখনো কোনো কোনো স্টেটে সংক্রমণের প্রবণতা বাড়ছে এবং প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ হাজার লোক নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে।
নতুন লক্ষণ : সিডিসি করোনা সংক্রমণের আরও তিনটি নতুন লক্ষণ সংযোজন করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে নাক দিয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত পানি ঝরা, বমি বমি ভাব ও ডায়রিয়া। আর করোনা সংক্রমণের উল্লেখযোগ্য লক্ষণগুলো হলো : শ্বাসকষ্ট, কাশি, জ্বরের কারণে ঠান্ডা অনুভ‚তি, অবসাদ, পেশি বা শরীরে ব্যথা-বেদনা, স্বাদ বা গন্ধ হারিয়ে ফেলা, গলায় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা, কনজেশন বা নাক দিয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত পানি ঝরা, বমি বমি ভাব ও আমাশয়।
রেড জোন স্টেট : প্রতি লাখে ১০০ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ায় আলাবামা, আরকানসাস, আরিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, আইওয়া, আইডাহো, ক্যানসাস, লুইজিয়ানা, মিসিসিপি, নর্থ ক্যারোলিনা, নেভাডা, ওকলাহোমা, সাউথ ক্যারোলিনা, টেনেসি, টেক্সাস ও উইটাহকে রেড জোন স্টেট ঘোষণা করা হয়েছে।
টালাসি : ফ্লোরিডার টালাসির ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের প্রথম তলার ১২ জন কর্মীর করোনা পজিটিভ ধরা পড়ায় ১৭ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত তা পরিচ্ছন্নতার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জর্জিয়ার পাবলিক হেলথ কমিশনার ড. ক্যাথলিন টুমি ১৯ জুলাই জানান, স্টেটে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর পরীক্ষায় ১৩.৬ শতাংশের পজিটিভ ধরা পড়ছে।
বাড়ছে লাশের মিছিল : টেক্সাস ও আরিজোনায় মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাওয়ায় মর্গে স্থান সংকুলানের তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তাই নিউইয়র্কের আদলে রেফ্রিজারেটেড ট্রাকে মরদেহ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে ২১ জুলাই জানা গেছে। আবার ফ্লোরিডায় সংক্রমণের হার মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর ব্যাপারে আলোচনার জন্য ফ্লোরিডায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ২০ জুলাই জানা গেছে।
ন্যাশনাল মাস্ক ম্যান্ডেট : ১৯ জুলাই সম্প্রচারিত ফক্সের সাথে এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ন্যাশনাল মাস্ক ম্যান্ডেট অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন না। তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকে মাস্ক পরলেই করোনাভাইরাসের ইতি ঘটবে, এমনটিও তিনি বিশ্বাস করেন না।
সার্জন জেনারেল : সার্জন জেনারেল জেরোম অ্যাডামসও প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করেছেন। ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে অ্যাডামস বলেন, আমিও মনে করি না যে ন্যাশনাল মাস্ক ম্যান্ডেট অপরিহার্য। তবে মাস্ক পরা অব্যাহত রাখার জন্য সার্জন জেনারেল অ্যাডামস সর্বস্তরের আমেরিকানের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে মাস্ক ম্যান্ডেট জারি করা হলে তা বাস্তবায়নের জন্য নতুন আইনকানুন প্রণয়নের দরকার পড়বে। ফলে আবার নতুন বিতর্ক ও রাজনীতি শুরু হয়ে যাবে। অ্যাডামস আরো বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, ফেডারেল মাস্ক ম্যান্ডেটের চেয়ে স্টেট ও লোকাল গভর্নমেন্ট মাস্ক ম্যান্ডেট অধিকতর কার্যকর ও সুফলদায়ক।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্রিফিং বয়কট : ২১ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের কোনো সদস্য যোগ দেননি বলে জানা গেছে। করোনাভাইরাস সম্পর্কে প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন অনীহার পরিপ্রেক্ষিতে তারা ওই সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক এবং ইউএস সায়েন্টিফিকের প্রধান মুখপাত্র ড. অ্যান্থনি ফাউচি মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বলেন, তাকে এবং হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস রেসপন্স কো-অর্ডিনেটর ড. ডেবোরাহ বারক্সকে ব্রিফিংয়ে থাকার জন্য জানানো হয়নি। অন্যদিকে ইউএস সার্জন জেনারেল জেরোম অ্যাডামস সকাল ১০টায় বলেন, ব্রিফিংয়ে কাদের ডাকা হবে তার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
নতুন আশার আলোকবর্তিকা : চেম্বার অব কমার্স ভার্চুয়াল ইভেন্টে
খানিকটা আশার বাণী উচ্চারণ করেছেন ড. ফাউচি। তিনি বলেন, একদিন সকল প্রতিবন্ধকতার প্রাচীর মাড়িয়ে আমেরিকা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস দীর্ঘ সাড়ে ৫ থেকে ৬ মাস ধরে আমেরিকার সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিলেও আমেরিকার আবার স্বাভাবিক অবস্থায় প্রত্যাবর্তন করার পর্যাপ্ত সম্ভাবনা রয়েছে।