কোর ভিশনের সামার সকার ক্যাম্প

নিউইয়র্ক : কোর ভিশনের সামার ক্যাম্পে কর্মকর্তাবৃন্দ।

ঠিকানা রিপোর্ট: সামার সকার ক্যাম্প আয়োজন করে কোর ভিশন ফাউন্ডেশন কমিউনিটির শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখবে। একই সাথে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করে শিশুদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী সৃষ্টির কাজটিও করছে তারা- কোর ভিশন আয়োজিত সামার সকার ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন এক সময়ের প্রতিথযশা ক্রীড়া সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক বর্ণমালা‘র সম্পাদক মাহফুজুর রহমান।
১৩ জুলাই শনিবার কুইন্সের উডসাইডের সেন্ট মাইকেল প্লে গ্রাউন্ডে মাসব্যাপী কোর ভিশনের সামার সকার ক্যাম্প শুরু হয়েছে। বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন কমিউনিটির ১৬ জন কিশোর-কিশোরী এই ক্রাম্পে অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় ও কোচ প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু ক্যাম্পে কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম মোস্তফা ক্যাম্প ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন। আরেক জাতীয় ফুটবলার আব্দুল্লাহ সাইফও এতে কোচিং করাবেন আগামী দিনগুনগুলোতে।
গত ১৩ জুলাই সকাল ৮টায় শুরু হয় সামার সকার ক্যাম্প। বিপুল উৎসাহ নিয়ে কিশোর-কিশোরীরা এতে অংশ নেন। ক্যাম্প ম্যানেজার ও পেশায় ফিটনেস বিশেষজ্ঞ গোলাম মোস্তফা বলেন, সামার ভেকশনে শিশুরা ঘরে বসে গেইম খেলে, তারা শারীরিক চর্চ্চাও করে না। আর এসব কারণে এখনকার শিশুদের মধ্যে ডায়াবেটিকস প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা ও স্বাভবিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই কোর ভিশনের এই সামার ক্যাম্প সত্যিকার অর্থে গ্রীষ্মের ছুটিতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখবে।

কোচ প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু বলেন, আমার জীবনে অভিজ্ঞতা থেকে এসব কিশোর-কিশোরীদের কিছু শিখাতে চেষ্টা করব।
সামার সকার ক্যাম্পের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে কোর ভিশনের প্রেসিেিডন্ট মুস্তাফেজুর রহমান বলেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসাবে কোর ভিশন নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটি সহ বিভিন্ন কমিউনিটিকে বিভিন্ন সেবা ও পরামর্শ দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই। ফ্রি ট্রাক্স ফাইলিং, ক্রেডিট রিপেয়ার এবং সর্বোপরী উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষমতায়ন কর্মস‚চী চালু করে প্রশংশিত হয়েছে কোর ভিশন। কিন্তু ভবিষৎ প্রজন্মকে বাদ দিয়ে কোন সমাজই এগিয়ে যেতে পারে না। আর তাই শিশুদের শারীরিক সুস্থতা ও তাদের মধ্যে নেকতৃত্ব গুণাবলী সৃষ্টির লক্ষ্যে এই সামার ক্রাম্পের আয়োজন করেছে।
প্রথমদিন সামার সকার ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারীরা হচ্ছে আয়ান রহমান, মেহরাব চৌধুরী, সাফাত আহমেদ, ডেরেক ওরেললানা, ডেভ ওরেললানা, আন্তিদ্রয়া মেডরানো, আরমিন জে, খান, কেনেথ এম, রাইগোজা, আদিয়ান এ, তাহা, আব্দুল্লাহ মাহদী, ফারহান খান ও আরিয়ান আক্তার।
১৩ জুলাই থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে আগামী ১৮ আগস্ট এই ক্যাম্প। প্রতি শনি ও রোববার প্রশিক্ষণ কর্মস‚চী অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহীদের ২০ ডলার রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়ে তালিকাভুক্ত হতে হবে প্রশিক্ষণ নিতে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের নিজস্ব হেলথ ইন্স্যুরেন্স থাকা বাঞ্চণীয়। থার্ড গ্রেডার থেকে শুরু করে টুয়েলভ গ্রেডার ছাত্র ছাত্রীরা অংশ নিতে পারবে এই ক্যাম্পে।