ক্যান্সার রোধে মুলা

ঠিকানা ডেস্ক : মুলা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সবজি। মুলায় ভিটামিন ‘ই’, ‘এ’, ‘সি’, ‘বি-৬’, ফাইবার, জিংক, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, কপার, ক্যালশিয়াম, আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজ আছে। এসব উপাদান আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টেও ভরপুর। মুলা শুধু নানা রোগের চিকিৎসায় নয়, বরং রোগপ্রতিরোধেও ভূমিকা রাখে।

মুলার উপকারিতা
ওজন কমাতে সাহায্য করে : মুলা এমন একটি খাবার, যা প্রায় ক্যালোরি ছাড়াই পেট ভরাতে সাহায্য করে। এতে অতিরিক্ত ক্যালোরিও শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। মুলার মধ্যে জলীয় উপাদান এবং ফাইবারের পরিমাণ খুবই বেশি থাকে, যা শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে যারা ওজন কমাতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য মুলা খুবই কার্যকরী একটি উপাদান।

প্রসাবের সমস্যা দূর করে : মুলা প্রসাবের মাধ্যমে শরীরের বিষাক্ত উপাদান বর্জ্য হিসেবে বের করে দিতে পারে। ফলে কিডনি সুস্থ থাকে এবং মুত্রথলির যে কোনো সমস্যা দূর করতে পারে। মুলার রস প্রসাবের সময় জ্বালা-পোড়া ও মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ দূর করে।
হার্ট ভালো রাখে : মুলায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্থো-সায়ানিন ফ্লাভোনয়েড থাকে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া এ উপাদান ক্যান্সার এবং প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়া মুলার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। পটাশিয়ামের মূল কাজ হলো রক্তচাপ সঠিক রাখা।
ক্যান্সার রোধ করে : মুলায় ভিটামিন ‘সি’, ফলিক এসিড এবং অ্যান্থো-সায়ানিন থাকে, যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এ উপাদানগুলো নানারকম ক্যান্সার; যেমন কোলোন, কিডনি, অন্ত্র, পেট এবং মুখের ক্যান্সার রোধ করতে পারে। এছাড়া মুলা হজমশক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ডায়াবেটিস রোধ করে, ত্বকের যতে মুলা, সন্দি-কাশি থেকে সুরক্ষা দেয় এবং শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মুলা ক্ষুধা বৃদ্ধি করে এবং রক্ত পরিষ্কারক। এটি ক্যালশিয়ামের অভার দূর করে এবং মাথা ধরা, এসিডিটি, বমিবমি ভাব, গলাব্যথা, হুপিংকাশি, গ্যাসট্রিক, পিত্তথলির পাথর, অজীর্ণ ইত্যাদি থেকে বাঁচায়।