খালেদা জিয়ার নাইকো মামলায় চার্জশুনানি পেছালো

ফাইল ছবি

ঠিকানা অনলাইন : বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলায় চার্জশুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামি ১৯ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত। ৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালত আসামিপক্ষের সময় আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ঠিক করেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জানান, আজকে মামলাটি চার্জশুনানি জন্য ধার্য ছিল। আমরা কিছুদিন আগে খালেদা জিয়ার পক্ষে মামলার প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র চেয়ে আবেদন করি। সম্প্রতি আমরা সেই কাগজের ফটোকপি হাতে পেয়েছি। এখানেই আমাদের আপত্তি।

আমরা চেয়েছিলাম সার্টিফাইড কপি, কিন্তু আদালত থেকে দেয়া হয়েছে ফটোকপি। কিন্তু এই ফটোকপি দেয়া অবৈধ। আদালত থেকে না বুঝে ভুল করে আমাদের ফটোকপি দেয়া হয়। সম্প্রতি উচ্চ আদালত ফটোকপি দেয়া যাবে ননা মর্মে নির্দেশনা দিয়েছে। আর এ অবৈধ ১৫ হাজার ফটোকপি দেয়ায় সরকারের ৩০ হাজার টাকা ক্ষতি হলো।

তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি কনসিডার করে সার্টিফাইড কপি দেয়ার আবেদন করি। আদালত আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, সার্টিফাইড কপি দেয়া হবে। আর ৩০ হাজার পৃষ্ঠা পড়তে সময়ও তো লাগে। এজন্য আমরা সময় আবেদন করি। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আগামি ১৯ মার্চ পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করেছেন। এদিকে এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে মাসুদ আহমেদ তালুকদার হাজিরা দেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া এ তথ্য জানান।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলা তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন মুখ্য সচিব কামাল উদ্দীন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এমএএইচ সেলিম, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ। এ মামলার আসামি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদও মারা গেছেন।

ঠিকানা/এম