চরম অর্থ সংকটে জাতিসংঘ

ঠিকানা অনলাইন : বিগত এক দশকে এমন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়তে হয়নি জাতিসংঘকে। সদস্য রাষ্ট্রগুলো দেনা শোধ না করলে নভেম্বরে জাতিসংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়া সম্ভব নাও হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরাস। এছাড়া বিদ্যুৎ খরচ কমাতে এসক্যালেটর বা চলন্ত সিঁড়ি, এয়ারকুলার ও ওয়াটার কুলার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, খরচ কমাতে এসক্যালেটর ও কুলার বন্ধের পাশাপাশি কূটনীতিকদের জন্য যে পানশালাটি রয়েছে, সেটিও বিকেল ৫টার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে। ঘন ঘন বৈঠকে রাশ টানার জন্য একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের বিমানে ভ্রমণেও কাটছাঁট করা হবে।

এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনা বিভাগের মুখপাত্র ক্যাথরিন পোলার্ড সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিভিন্ন খাতে খরচ কমিয়ে ৩৭ হাজার কর্মীদের নিয়মিত বেতন দেওয়ার বিষয়টি সুনিশ্চিত করার কথা ভাবা হয়েছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, “চলতি মাসে আমরা চরম অর্থ সংকটে পড়বো। আমরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। তহবিলে যে পরিমাণ অর্থ রয়েছে তা দিয়ে নভেম্বরে বেতন দেওয়া যাবে না।”

তিনি আরও জানান, বিগত এক দশকে এমন অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়তে হয়নি জাতিসংঘকে। ৬০টি দেশের থেকে সংস্থাটির প্রাপ্য অর্থ এখনো মেলেনি। তাই চলতি অর্থ বছরে ১৪০ কোটি ডলারের ঘাটতির মুখে পড়তে হয়েছে।