চার মামলায় সাহেদের ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ঠিকানা অনলাইন: রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে করোনাভাইরাসের টেস্ট নিয়ে জালিয়াতি ও প্রতারণার চার মামলায় প্রতিটিতে সাত দিন করে ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালতে সাহেদকে হাজির করা হলে পৃথক চার মামলায় আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে এসব মামলায় ১০ দিন করে ৪০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

এর আগে আজ ররিবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাহেদকে হাজির করা হয়। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে পৃথক চার মামলায় ১০ দিন করে ৪০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

এর আগে গত ১৬ জুলাই করোনা টেস্ট জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় মো. সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজের ১০ দিন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীর সাতদিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।

গত ১৫ জুলাই সকালে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় দেবহাটার কোমরপুরে র‌্যাবের হাতে একটি পিস্তল, তিনটি গুলি ও একটি ম্যাগাজিনসহ সাহেদ র‍্যাবের হাতে ধরা পরেন। পরে তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে যান র‍্যাব সদস্যরা। সেদিন বিকেলে তাঁকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর বিকেল সোয়া ৫টার দিকে সাহেদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেখানে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষা শেষে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে আবার ডিবিতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ডিবি পুলিশ তাঁকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়। এরই মধ্যে সাহেদের মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় র‍্যাব। ডিবি পুলিশ গত ২৩ জুলাই সাহেদকে র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করে।

রিজেন্ট গ্রুপের এমডি মাসুদ পারভেজ ২১ দিনের রিমান্ডে
রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজকে প্রতারণার তিন মামলায় সাত দিন করে ২১ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত রিমান্ড শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে তিনটি মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

মাসুদ পারভেজ

ওই দিন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যাম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছিলেন, মাসুদ পারভেজ মো. সাহেদের অন্যতম সহযোগী।