জালালাবাদের নির্বাচন ২৭ অক্টোবর প্যানেলবিহীন নির্বাচনের গুঞ্জন

ঠিকানা রিপোর্ট : প্রবাসের বৃহত্তম সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচন ২৭ অক্টোবর। নির্বাচন পরিচালনার জন্য গত ২৪ জুন ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের প্রধান হলেন মঞ্জুর চৌধুরী। অন্য সদস্যরা হলেন- আহমদ এ হাকিম (সিলেট), আনওয়ার চৌধুরী (মৌলভীবাজার), ইকবাল আহমদ মাহবুব (সুনামগঞ্জ), সৈয়দ কামাল উদ্দিন (হবিগঞ্জ)। নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য গত ২৮ জুলাই সদস্য অন্তর্ভুক্তি গ্রহণ করা হয়। এবারের সদস্য সংখ্যা আজীবন সদস্যসহ ৩ হাজার ২৮৭ জন। আগামী ২৭ অক্টোবর নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হবেন (যদি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়) অথবা যারা মনোনীত হবেন তাদের মেয়াদকাল ২ বছর হবে। গত জানুয়ারি মাসের শেষ সাধারণ সভায় কমিটির মেয়াদ ৩ বছরের স্থলে ২ বছর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
আসন্ন নির্বাচনে, এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত, সম্ভাব্য সভাপতি পদপ্রার্থী হিসাবে এসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারি ময়নুল হক চৌধুরী হেলালই চূড়ান্ত। গত ২৬ জুলাই সদস্য অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে ময়নুল হক চৌধুরী সবচেয়ে বেশি ভোট জমা দেন। তবে সেক্রেটারি পদে কে আসছেন, এখনও ঠিক হয়নি। ব্রঙ্কসের আহবাব হোসেন চৌধুরীর নাম সম্ভাব্য সেক্রেটারি প্রার্থী হিসাবে শোনা যাচ্ছে। অবশ্য খোকন এ ব্যাপারে তার অনাগ্রহের কথা বলেন। জালালাবাদবাসীর মতামতের উপর সিদ্ধান্ত অনেকটা নির্ভর করবে জানান।
নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি বদরুল হোসেন খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার দলের সিদ্ধান্তের উপর জোর দেন। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বদরুল খান তার দল ও কমিটি নিয়ে ইতোমধ্যে দু’দুবার বৈঠক করেছেন। তার দল নির্বাচনে অংশগ্রহণে রাজি নয়। বিগত ছয় বছরের কার্যক্রমে জালালাবাদবাসী সন্তুষ্ট নন। তারা নতুন নেতৃত্বের খোঁজে। জালালাবাদ নির্বাচন নিয়ে সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সাথে আলাপে বুঝা যায় এবারের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন হওয়ায় সম্ভাবনা বেশি। সংগঠনের ভোটার তালিকা এ সপ্তাহে নির্বাচন কমিশরের হাতে হস্তান্তর করা হবে। নির্বাচন কমিশন সদস্য তালিকা হস্তগত হওয়ার পর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে।
তখন থেকে হয়তো নির্বাচনী পরিবেশ বদলে যেতে পারে। এ রকম একেবারে নীরব নাও থাকতে পারে। সময়ের দাবি সময়ই বলে দেবে- কি হবে?