জেফ সেশনের রেখে যাওয়া ইমিগ্রেশনের একটিভ মামলা ১০ লাখ ৯৮ হাজার

ঠিকানা রিপোর্ট : ডোনাল্ড ট্রাম্প জেফ সেশনের পর ভারপ্রাপ্ত এটর্নি জেনারেল নিযুক্ত করেছেন মেথিউ হুইটেকারকে। হুইটেকার দায়িত্ব নেয়ার পর এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের দক্ষিণ সীমান্ত সংকটে রয়েছে। লাখ লাখ ইমিগ্র্যান্ট অবৈধভাবে দক্ষিণ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আমেরিকার প্রবেশ করায় দেশের ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে সরকারি ক্ষমতা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। একথা খাঁটি যে, আমাদের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় বর্তমানে অনেক বেশি ফাঁক-ফোকর রয়েছে। এ ব্যবস্থায় অনেক এসাইলাম দাবি যথার্থ নয়। সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে, অথচ এসাইলাম প্রার্থী তা কোর্টে মোকাবেলা করতে পারে না। তারা কোর্টের শুনানীতে আসে না। আর প্রেসিডেন্ট কঠোর বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, যথেষ্ট মানে যথেষ্ট হয়েছে। অভিবাসীরা এখনও এসাইলাম চাইতে পারে, তবে তাদের পোর্ট অব এন্ট্রিতে যেতে হবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে এই নিকৃষ্ট আদেশ দিয়েছে তার জন্য ধন্যবাদ। আমরা তাদেরই প্রটেকশন দিচ্ছি যারা সত্যিকার অর্থে তার প্রয়োজন। আমরা আমাদের বদান্যতাকে তছরুপ করতে দেব না। ২০০৮ সালের ১৬১,৫১৬ অভিবাসী থেকে এখন ২০১৮ সালে ২৩৪,৫৩৪ অভিবাসী পাওয়া গেছে, যারা এই দেশ থেকে বিতাড়িত হওয়ার যোগ্য। বিশ্বাসযোগ্যভাবে ভয়ের মধ্যে রয়েছে এমন সংলাপ ছিল ২০০৮ সালে ৫০০০ আর তা ২০১৮ সালে এক দশকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭,০০০ এ। তাদের মধ্যে আবার অনেক এসাইলাম আবেদনের মেরিট নেই। ২০১৮ সালে প্রায় ৬০০০ অভিবাসী বিশ্বাসযোগ্যভাবে ভয় পায় বলে যে বাছাই হয়েছে তা পাকা করেছে। এবং তাদের এসাইলাম মন্থর হয়েছে। সমগ্র আবেদনের মধ্যে ৩৬ শতাংশ আবেদনের মেরিট রয়েছে। প্রায় ৭০,০০০ এরও বেশি অভিবাসী ২০১৮ সালে দুই পোর্ট অব এন্ট্রির মাঝখান দিয়ে প্রবেশ করেছে। তাছাড়া আরও ২৪,০০০ পোর্ট অব এন্ট্রিতে ফিরে গেছে। ২০১৮ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ২০৩,৫৬৯ মামলা ইমিগ্রেশন কোর্টে স্থগিত রয়েছে। তা সব ফ্রেডিবল ফিয়ার রয়েছে বলে রেফারেল পাওয়া মামলা। ৭৯১৮২১ মামলায় ২৬ শতাংশ এখন ব্যাকলগে, তাদের মধ্যে আরও ১৩৬,৫৫৪ জন নর্দার্ন ট্রায়াঙ্গল দেশের সাথে সংযুক্ত। উত্তর ট্রায়াঙ্গল সম্ভাব্য সবচেয়ে বেশি স্বদেশে নির্যাতন হতে পারে এমন লোকসংখ্যার ৮৯ শতাংশ সত্যিকার অর্থে বিশ্বাসযোগ্য ভয়ের কারণে রাজনৈতিক আশ্রয় চায় বলে প্রতীয়মান হয়েছে।