জেসিন্ডা আরডার্ন ‘ঘৃণ্য আচরণের’ শিকার হয়েছিলেন : হিপকিন্স

ক্রিস হিপকিন্স ও জেসিন্ডা আরডার্ন। ছবি : টুইটার

ঠিকানা অনলাইন : নিউজিল্যান্ডের হবু প্রধানমন্ত্রী ক্রিস হিপকিন্স তাঁর পরিবারকে ‘ঘৃণ্য আচরণ’ থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জেসিন্ডা আরডার্ন প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ঘৃণ্য আচরণের শিকার হয়েছিলেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ১৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন জেসিন্ডা আরডার্ন। তিনি বলেছেন, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি হবে তাঁর শেষ কর্মদিবস। গত কয়েক বছরে জেসিন্ডা বেশ কয়েকবার হুমকি সম্মুখীন হয়েছেন। ইউটিউবে এক ব্যক্তি জেসিন্ডাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, বিশ্বাসঘাতকতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে গুলি করার তাঁর অধিকার রয়েছে।

জেসিন্ডা পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পরে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির এমপিরা গতকাল রোববার ক্রিস হিপকিন্সকে প্রধানমন্ত্রী করার ব্যাপারে সর্বসম্মতভাবে ভোট দিয়েছেন। এরপর হিপকিন্স বলেন, নিউজিল্যান্ডের একটি ছোট গোষ্ঠী আরডার্নকে অমর্যাদা করেছে। তারা অবশ্যই নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করে না। আরডার্নকে দুর্ব্যবহার করার জন্য পুরুষেরা দায়বদ্ধ ছিল।

ক্রিস হিপকিন্স আরও বলেছেন, যিনি নেতা হন, তিনি আসলে জনগণের সম্পত্তিতে পরিণত হন। তবে তাঁর পরিবার তা হয় না। আমি চাই, আমার সন্তানেরা যেন অন্যান্য সাধারণ মানুষের মতো সাদামাটা জীবনযাপন করতে পারে।

জুন মাসে প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত তিন বছরে আরডার্নকে হুমকি দেওয়ার পরিমাণ প্রায় তিন গুন বেড়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আরডার্নকে হুমকিবিষয়ক অনন্ত ৮টি মামলা এখনো চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ইউটিউবে হুমকি দেওয়া ওই ব্যক্তিও রয়েছেন।

পল বুকানন নামের সাবেক এক গোয়েন্দা কর্মী রেডিও নিউজিল্যান্ডকে বলেছেন, আগের প্রধানমন্ত্রীদের তুলনায় জেসিন্ডার বেশি নিরাপত্তা প্রয়োজন। আগামী বুধবার জেসিন্ডা আরডার্ন আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করবেন। ওই দিন হিপকিন্স প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। ৪৪ বছর বয়সী হিপকিন্স দেশটির কোভিডবিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন।

ঠিকানা/এম