ট্রাম্পকে একহাত নিলেন কামালা হ্যারিস

৮১ নোবেল বিজয়ীর বাইডেনকে সমর্থন যে কারণে…

ঠিকানা ডেস্ক : ডেমোক্রেট দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কামালা হ্যারিস বলেছেন, ট্রাম্প ‘ভিন্ন বাস্তবতায়’ বসবাস করছেন। ট্রাম্প আমেরিকায় পদ্ধতিগত বর্ণবাদ থাকার বিষয়টি অস্বীকার করার পর হ্যারিস ৬ সেপ্টেম্বর রোববার এ মন্তব্য করেন। সিএনএনকে তিনি বলেন, বর্তমানে আমেরিকায় আমরা যা দেখছি তা প্রজন্ম ধরেই চলছে। খোলামেলা ভাবে বললে সূচনা থেকেই আমাদের দুটি ন্যায়বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বিল বার পুরো সময়টায় ভিন্ন বাস্তবতায় পার করছেন।
এমপ্লয়িদের জন্যে বর্ণবাদ বিরোধী প্রশিক্ষণে তহবিল দেয়া বন্ধ করতে ট্রাম্প ফেডারেল এজেন্সিগুলো নির্দেশ দেন। হোয়াইট হাউস থেকে এমন তথ্য প্রকাশের দুদিন পর প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেনের রানিং মেট কমলা হ্যারিস এমন মন্তব্য করেন। গত মে মাসে মিনেপলিসে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড পুলিশের হাতে নিহত হওয়ার পর আমেকিার বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু হয়। গতমাসে আবারো উইসকনসিনে কৃষ্ণাঙ্গ জ্যাকব ব্ল্যাকের পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ায় বিক্ষোভ তীব্রতর হয়ে ওঠে। ট্রাম্প এসব প্রতিবাদ বিক্ষোভকে নৈরাজ্য ও সহিংসতা বলে উল্লেখ করেন। হ্যারিস জোর দিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আমেরিকানদের অধিকার এবং এই বর্ণবাদ মূলত আমেরিকাকে গ্রাস করে ফেলেছে।

৮১ নোবেল বিজয়ীর বাইডেনকে সমর্থন
যে কারণে…
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগ মুহূর্তে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জো বাইডেনকে সমর্থন জানালেন ৮১ জন নোবেল বিজয়ী। সাবেক এ ভাইস প্রেসিডেন্টকে ‘বিশেষজ্ঞদের কথা শোনার বিষয়ে আগ্রহী’ ও ‘সমস্যার সমাধানে বিজ্ঞানের ব্যবহারে অনুরক্ত’ একজন ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে এক খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন নোবেল বিজয়ীরা। গত ২ সেপ্টেম্বর এ চিঠি গণমাধ্যমে পাঠান রসায়ন, চিকিৎসা ও পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীরা। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে। সিএনএনর প্রতিবেদনে জানা যায়, করোনা মহামারীর মধ্যেও এমন বিজ্ঞান অনুরাগী একজন নেতাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন নোবেল বিজয়ীরা। চিঠি প্রকাশের পর এক অনুষ্ঠানে তাদের সংগঠিত করেন ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি ও কংগ্রেসের একমাত্র পদার্থবিদ বিল ফস্টার।
সেখানে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীরা বলেন, বর্তমানে বিজ্ঞানের প্রতি যতটা বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার, আমাদের ইতিহাসে এতটা বেশি প্রয়োজন আর কখনো ছিল না। দীর্ঘদিন জনসেবার কাজে দায়িত্ব পালনের সময় জো বাইডেন প্রমাণ করেছেন, তিনি বিশেষজ্ঞদের কথা শোনেন এবং গবেষণায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে তার উপলব্ধি দারুণ। দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনযাত্রায় অবদান রাখার জন্য অভিবাসী লোকজনের প্রতিও তার আলাদা সম্মান রয়েছে। তাই নাগরিক এবং বিজ্ঞানী হিসেবে আমরা জো বাইডেনের প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতার প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন দিচ্ছি।