ট্রাম্প রাজা নন : জাজ মারেরো

ঠিকানা ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের ব্যক্তিগত এবং করপোরেট ট্যাক্স রিটার্ন প্রকাশে বাধাদানের আবেদন জানিয়ে ট্রাম্প যে আবেদন করেছিলেন নিউইয়র্ক সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট জাজ ভিক্টর মারেরো তা নাকচ করে দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাজা নন বলেও ৭ অক্টোবর সোমবার প্রদত্ত রায়ে জাজ মারেরো উল্লেখ করেছেন।
অনেকের দৃষ্টিতে ভ্যান্সের তদন্ত কার্যক্রমের পুরোটাই মূলত রহস্যাবৃত। তবে পর্ণ তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলের মুখ বন্ধের নিমিত্ত ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল কোহেন যে অর্থ পরিশোধ করেছিলেন, ট্রাম্প কোহেনকে সেই পুনঃপরিশোধকালে স্টেটের আইন কানুন লঙ্ঘিত হয়েছিল কি না তাই ভ্যান্সের দপ্তর খতিয়ে দেখতে চায়। অর্থ পরিশোধের বিষয়টি ট্রাম্প অর্গানাইজেশনের আর্থিক রেকর্ডে কীভাবে ডক্যুমেন্ট করা হয়েছিল, সাইরাস ভ্যান্সের অফিস তা অনুসন্ধান করতে চায়। ভ্যান্স ট্রাম্পের কোম্পানি এবং মাজারস ইউএসএ নামক ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টিং ফার্মের নিকট রেকর্ডগুলো দাবি করেছিল। মারেরোর রুলিংয়ের অপেক্ষা সাপেক্ষে মাজারস ভ্যান্সের সমনের সাথে মতৈক্য প্রকাশ করেনি। আর আদালতে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী যুক্তি দেখান যে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় স্টেট প্রসেকিউটরগণ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন পরিচালনা করার অধিকার রাখেন না। ট্রাম্পের আর্গুমেন্টের ভার্সনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে-পরে তার সাথে সম্পৃক্ত এবং দৃঢ়সমর্থনকারীদের আইনের প্রয়োগ এবং জুডিসিয়াল স্ক্রুটিনি থেকে অব্যাহতির কথা বলা হয়েছিল। ট্রাম্পের লিগ্যাল টিম জাহির করেন যে প্রায় অল লিগ্যাল কমেন্টস এগ্রি (সকল আইনি মন্তব্য স্বীকার করে) যে কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ক্রিমিনাল প্রসেসের আওতায় আসবেন না।
উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে জাজের রুলিংয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্পের আইনজীবীরা ইমার্জেন্সি আপিল করার পরিপ্রেক্ষিতে দ্য সেকেন্ড সার্কিট ফেডারেল জাজ ডক্যুমেন্ট প্রকাশের ব্যাপারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। তাই এত দিন পর্যন্ত ট্রাম্পের ট্যাক্স রিটার্ন পাওয়ার জন্য কংগ্রেস ব্যর্থ চেষ্টা করে আসছিল।
নতুন রুলিংয়ের পর এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেন, একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে আদালতে জবাবদিহি করা নজিরবিহীন ঘটনা। ট্রাম্প আরও বলেন, র‌্যাসিয়াল বাম ডেমক্র্যাটরা সকল ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা স্থানীয় নিউ ইয়র্ক সিটি এবং স্টেট ডেমক্র্যাট প্রসেকিউটরদের ঠেলে দিচ্ছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। আগে কোনো প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। এমনকি এর ধারেকাছেও যাওয়া হয়নি। ভ্যান্স অবশ্য মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।