ঠিকানার কবিতাগুচ্ছ

জানতে চাই

দলিলুর রহমান

আমি জানতে চাই না-
তুমি কি সাদা না কালো
তুমি কি মন্দ না ভালো
শুধু জানতে চাই, একটি তথ্য –
কোনটি মিথ্যা আর কোনটি সত্য?
আমি জানতে চাই না-
তুমি রাজনীতিবিদ না শিক্ষাবিদ
তুমি সেনাপতি না কি বিচারপতি
তুমি কি সাধু না কি চোর
তুমি কি সৎ না ঘুষখোর
শুধু জানতে চাই একটি তথ্য
কোনটি মিথ্যা আর কোনটি সত্য?

আমি জানতে চাই না-
তুমি ব্যবসায়ী বড় অতি নাকি বিশাল কোটিপতি
তুমি কি আমলা নাকি ধনপতি
তুমি কি চোরাকারবারী গড়েছ প্রাসাদ বাড়ি
তুমি কি মিথ্যার সাংবাদিক যে হারিয়েছে দিক
শুধু জানতে চাই একটি তথ্য
কোনটি মিথ্যা আর কোনটি সত্য ?

আমি জানতে চাই না-
তুমি কি শিক্ষক না কি নদীভক্ষক
পড়াও প্রাইভেট ছাত্র নাকি ফাস কর প্রশ্নপত্র
তুমি কোথায় দাঁড়িয়ে ধোঁকা দাও গলা বাড়িয়ে
তুমি কি করছ খুন নাকি করছ গুম
শুধু জানতে চাই একটি তথ্য
কোনটি মিথ্যা আর কোনটি সত্য?

আমি জানতে চাই না-
তুমি মন্ত্রী মহোদয় সূর্যের মত হয়েছ উদয়
তুমি কি দলকবি খেলো নিয়ে শব্দের অলঙ্কার
কে তুমি ব্যাঙ্কের টাকার হয়েছ নতুন ব্যাঙ্কার
তুমি কি ঋণ খেলাপী পাহাড় গড়েছ দেশব্যাপী
শুধু জানতে চাই একটি তথ্য
কোনটি মিথ্যা আর কোনটি সত্য?

আমি জানতে চাই না-
তুমি কি পথের পুলিশ নাকি অট্টালিকার আইজি
তুমি কত বার হাজী হয়েছ নাকি মস্ত পাজি
তুমি কি আদম ব্যবসায়ী মানুষকে করছ ধরাশায়ী
তুমি কোন পীরের ভক্ত শোষণ করছ জনতার রক্ত
তুমি কি সন্ত্রাসী নাকি মৌলবাদী
সান শওকত গড়েছ নিয়ে নকল পিএইচ ডি
শুধু জানতে চাই একটি তথ্য
কোনটি মিথ্যা আর কোনটি সত্য?
নিউ জার্সী।

এই নারী গুণী নারী

সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী

আলো জ্বেলে দেন তিনি
দেন নিভে কালো
কাজ করা ছিলো নেশা
চলা ছিলো ভালো।

গুণ ছিলো কাজে বেশি
ভুল নেই কাজে
আজ ভাসে হাসি – ছবি
বাণী কানে বাজে।

এই নারী গুণী নারী
যায় না তো ভোলা
কাজ কীর্তি দেয় কী যে
দেয় রোজ দোলা।

এইভাবে তিনি কাজে
সকলের ঘরে
কাজ কীর্তি সবে তাই
যায় রোজ করে।
-নিউ ইয়র্ক।

নৌযাত্রী

যীশু বড়ুয়া

হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান
আমরা সবাই মায়ের সন্তান,
সে মায়ের নাম বঙ্গমাতা
মাথায় রাখুন মুজিব ছাতা।
সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা
বাংলার নারী নয় অবলা,
যুদ্ধ করতে ভয় করিনা,
আমরা সবাই নৌ সেনা।
সূর্য করে পৃথিবী আলো
চাঁদের আলো রাতে ভালো ,
বঙ্গ জননী রতœগর্ভা,
শেখ হাসিনা সর্বেসর্বা।
তরী আছে যাত্রী নাই
মুক্ত মনা মানুষ চাই,
খুঁজি আমরা দিন রাত্রি
নিয়ে আমাদের নৌযাত্রী।
নিউ ইয়র্ক।

শূন্য ডাস্টবিন

আহম্মদ হোসেন বাবু

আজকাল ডাস্টবিনগুলোতে তেমন উচ্ছিষ্ট জমে না।
ডাস্টবিনের চেহারা আজ বড় বেশি রোগাটে,
যেন বিকলাঙ্গ শিশু দাঁড়িয়ে আছে পথের ধারে।
জীর্ণ-শীর্ণ ডাস্টবিন দেখে, অসহায় জীবন ভাবে
মৃত্যু বুঝি আজ সন্নিকটে ক্ষুধার এই দুনিয়ায়।

ক্ষুধা শুধু গল্প নয়, নয় শুধু কবিতা।
ক্ষুধা হলো যমদূত জ্বালা, যতিচিহ্নহীন যম-যন্ত্রণা,
ক্ষুধা হলো দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের হাহাকার!
ক্ষুধা হলো লেলিহান আগুনের জানালা!
ক্ষুধাকাতর মানুষের চিৎকার আর্তনাদে
কাঁদে আকাশ, কাঁদে বৃক্ষ-তরু-লতা,
কাঁদে মা সর্বক্ষণ বুকে জড়িয়ে ক্ষুধার্ত শিশু।

দেবধান্য নেই, নেই দেবদৃষ্টি, নেই দারিদ্র্যমোচন
আছে শুধু দেবদত্ত ক্ষুধা, আর শূন্য হাহাকার!

ডাস্টবিনটাকে লাথি মারতে গিয়েও হল না মারা।
মারামারির দুনিয়ায় সবাই সাধ্যমত মারে তেল
আমরা না হয় একটা লাথিই মারলাম।
কিন্তু তবুও পারি না মারতে লাথি, পারি না দিতে গলাধাক্কা
আমরা শুধুই ক্ষমা করে আজ শূন্য হয়ে গেলাম।
ধনী-দরিদ্রের আকাশচুম্বী বৈষম্যের এ দুনিয়ায়
ভয়াবহ দারিদ্র্য-ক্ষুধা নিপীড়ন নিয়ে
সাম্রাজ্যবাদ আর পুঁজিবাদকে করে ক্ষমা
ক্ষুধার্ত মানুষ আজ হয়ে গেছে নিরুপায়,
তাইতো তারা দারু-পিপীলিকার মত করে ছোটাছুটি
খোঁজে ডাস্টবিন!

ক্ষুধা নিয়ে মরে যাওয়ার চেয়ে, ডাস্টবিনকে নিয়ে বেঁচে থাকা ভালো।
ক্ষুধায় মরে যাওয়ার চেয়ে, মেরুদ-হীন হয়ে বাঁচাও ঢের ভালো।
কেননা বেঁচে থাকলেই মনে জাগে অস্তিত্বেও প্রশ্ন,
বঞ্চিত হয়ে বেঁচে থাকা মানুষেরাই একদিন জড় হয়ে মিছিলে যায়।
ওরাই একদিন হয়ে ওঠে অপ্রতিরোধ্য প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।
এভাবে মেরুদ-হীন হয়ে আর কত?
সময় এসেছে এবার, মেরুদ- সোজা করে দাঁড়াবার।
অধিকার এমনি এমনি কোনদিন আসে না কখনও,
কেড়ে নিতে হয় অধিকার, জানো না কি তা এখনও!

নিশ্বাস ছেড়ে যত সহজেই যায় চিরতরে চলে যাওয়া
ততই কঠিন আজন্ম ক্ষুধা নিয়ে বেঁচে থাকা।
তাইতো আজও আমৃত্যু ক্ষুধা নিয়ে
শূন্য ডাস্টবিনের কাছে প্রদক্ষিণ করছে মানুষ।
আজও বদলায়নি বধ্যভূমি, বদলায়নি বইপুস্তক
শুধু শূন্য ডাস্টবিন ক্রমেই আরও জীর্ণ-শীর্ণ হয়ে যায়।
-নিউ ইয়র্ক।

আমি বড় হয় গেছি

লাবলু কাজী

পোকিমোন ওকিমোন
নাই তার কোন মন
টম এন্ড জেরি
তারা যেন অনেক বৈরী ।
কার্টুন ফারটুন এখন বোরিং
আমার চাই করা এডিটিং
নতুন প্লেস্টেশন
মিল্ক ফর্মূলা বড় পুরানা
খাব আমি ভাতা মিশানা।
স্মার্ট ফোন বড়ই মজার
খেলি আমি গেম জমানার।
ল্যাপটপ, ডেস্কটপ
নতুন কম্পিউটার
সাথে চাই দুইটা জায়ান্ট মনিটর।
গাড়ির বেবি সিট
আমি আর বসব না, তা আনফিট।
সামনের সিটে বসব অকপট
যেমন ভাইয়া বসে বাবার নিকট!
মা কেন বকবে আমায়
বুঝতে হবে জীবন হলো মৃত্যুর এক নিমিষ
বুঝাও মাকে বন্ধ হোক মারধোর
বাচ্চারা তোমরা হারিয়ে যাবে দিলে থাপ্পড়।
এমনি রঙ্গরসের রঙিন জীবন আমার
বড়রা তোমরা সবাই নিয়েছো অভিজ্ঞতার ফসল
আমার বলার ইচ্ছা সে জীবন শুভেচ্ছা তোমার!
-নিউ ইয়র্ক।

হারানো মুক্তো

মাহমুদা আহমেদ

আমি সাগর সেঁচে মুক্তো পেয়ে গেছি অবশেষে
মুক্তোটি যতন না পেয়ে হারিয়ে যায় দেড় যুগ আগে
যখনি খোঁজ হলো কত যে খুঁজিনু তারে
পাইনি বলে আপন মনে একা এখানে-ওখানে
অজস্ত্রজনের মাঝেও দুটো আঁখি খুঁজেছে তার সন্ধান
তারপর সময়ের সাথে সাগরের অথৈ জল লুকালো তাকে।
তবু প্রার্থনা করেছি অনেক করে
এসো সেই মুক্তো এসো কিশোরী কালের
প্রিয় বধূ হারিয়ে ফেলেছি যারে
আরও যায় সময় তবু কতবার হাহাকার তোলে হৃদয়
হায়রে মুক্তো কোথা তুমি কোন সে অতল সাগর?
প্রার্থনা মোর কখন যেন বিধাতার কাছে পেল সমর্থন
বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে
আটলান্টিক পেরিয়ে
আজ সেই মুক্তো এল যে ফিরে
কোন ভাষায় জানাই কৃতজ্ঞতা আমি জানিনে।
মুক্তো সে মোর বন্ধুত্ব
অমূল্য সুখানন্দ।
নিউ ইয়র্ক।

রক্ষা করো বাংলাদেশ!

মতিউর রহমান লিটু

বেশ্যারা সব জেগেছে আজ-
গুণীজনদের মানহানিতে-
দলবদ্ধ, সারিবদ্ধ হয়ে,
ভাড়া খাটছে,
নষ্ট গতর, শরীর দিয়ে-
মুখের বিষ্টা যায় ছড়িয়ে –
নষ্ট লীগের হাতছানিতে,
লিঙ্গ কেটে নারী সেজে-
চারদিকে ওরা ঐক্যবদ্ধ!

সময় এখন প্রতিরোধ,
অন্যায়ের প্রতিশোধ,
গুণীজনের মান বাঁচাতে-
তরুণরা সব আয় ছুটে আয়
সার্বভৌম দেশ বাঁচাতে!!

বজ্রমুষ্টি হাতের ধাক্কায়
ফেলে দেই সব নর্দমাতে!
সমাজটাকে মুক্ত করি-
কীট পতঙ্গের কামড় থেকে!!
দামাল ছেলেরা সব আয় ছুটে আয়
সার্বভৌম দেশ বাঁচাতে!!

ব্রিটিশ ছিল দাদার শত্রু
বাবার ছিল পাকিস্তান-
তোমার আমার শত্রু যখন
মুখোশপরা গুপ্তচর,
দেখতে দেখায় মানুষের মতোন
আসলে সব বেশ্যা শয়তান!

মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ দিয়েছে-
তোমার আমার প্রিয়জন,
বাংলা স্বাধীন তবু যেনো
আমরা হলাম পরাধীন!

প্রজা ভেবে রাজ্য মোদের
লুটিয়াছে শত্রুদল!!
নাহি কোথাও সম্মান,
নাহি কোন বিশ্বাস.
নিশ্বাস নিতেও কষ্ট মোদের
উঠিয়াছে নাভিশ্বাস!!

কতদিন আর সইবে বলো?
ওরে জেগে ওঠো দামাল দল,
বাংলার সূর্য তরুণ-
দেখো নিজের দেশটাকে,
সোনার বাংলায় দালাল ভরা
খুলে দাও ওদের মুখোশটাকে!

ওরা শুধু ব্যবসা করে
চেতনার দোকান ঘিরে-
তোমার আমার বাংলা ভূমি
লুটছে কেবল ছিঁড়ে ছিঁড়ে!

রুখে দাও ওদের!
আর কি দেখার আছে?
আর কি জানার আছে?
সময় যখন শেষ-
কবর দাও সব কীটপতঙ্গ-
রক্ষা করো বাংলাদেশ!!
-নিউ ইয়র্ক।

ধন্য সেই শাসক

ডক্টর ওয়াল্টার দিলু বিশ্বাস

ধন্য সেই শাসক- যে বিজয়ী জনগণের প্রকৃত ভোটে।
ধন্য সেই শাসক- যার সিংহাসনের ভিত্তিমূল ন্যায় ও ধার্মিকতা,
কারণ ন্যায় ও ‘ধার্মিকতা জাতিকে উন্নত করে।’
ধন্য সেই শাসক- যে উৎকোচ লয় না, কারণ ‘উৎকোচ
জাতির চোখ অন্ধ করে।’
ধন্য সেই শাসক- যে সত্য ও প্রেম গর্ভে ধারণ করে
এবং অহিংসা ও অসাম্প্রদায়িকতা প্রসব করে।
ধন্য সেই শাসক- যে ক্রোধে ধীর, কারণ ক্রোধের হৃদয়ে খুন বাস করে।
ধন্য সেই শাসক- যে ধৈর্যশীল, কারণ ‘যে রাজা ধৈর্য হারায়, সে প্রাসাদ হারায়।’
ধন্য সেই শাসক- যে যতই ধার্মিক, ততই মুক্ত-উদার-মানবিক-নৈতিক।
ধন্য সেই শাসক- যে সংখ্যালঘু ও উপজাতির ঢাল স্বরূপ।
ধন্য সেই শাসক- যে সতত সিদ্ধতায় চলে জাতিকে সিদ্ধ হতে।
ধন্য সেই শাসক- যে জনগণকে নিরাপত্তা দিতে পারে।
ধন্য সেই শাসক- যার আমলে জাতি বাস করে নির্ভয়ে সুখে-শান্তিতে।
ধন্য সেই শাসক- যার হৃদয় হতে নিয়ত ন্যায় প্রবাহিত হয় স্রোতবেগে।
নিউ ইয়র্ক।

দেবী

দিলীপ কুমার নাথ

টাক্ ডুমা ডুম বাদ্যি বাজে এলে শারদীয়া,
প্রেত পক্ষের শেষে আসে অমাবশ্যা মহালয়া।

শুরু হবে দেবীপক্ষ প্রথমা তিথিতে,
অঞ্চল ভেদে মহাদেবীর পূজা হবে নবরাত্রিতে।

দুই বাংলায় নাম তার দেবী আরাধনা,
বোধন থেকে বিজয়া, তাঁকে পূজে সর্বজনা।

পঞ্চমীতে বোধন করে ষষ্ঠীতে আবাহন,
সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীতে পূজার মহা আয়োজন।

বিজয়ী হয়ে বিজয়াতে করেন উল্লাস,
বিসর্জন শেষে দেবী গমন করেন কৈলাস।

বেহুদা হিসেব-নিকেশ

পারভীন বানু

এ হৃদয় অনাবিল,
রঙিন আলোয় করে ঝিলমিল
আনন্দ ফল্গুধারার, কে যেন টেনে ধরে রেশ,
বেহুদা হিসেব-নিকেশ।

মহাস্বপ্নের সুখানুভূতি,
হৃদয় চিড়ে জাগে যার, সে হয়তো কবি,
না হলে দেখি কেমনে,
ছবি বিনে এত ছবি!

সাদা পায়রাগুলো,
ছেড়েই দাওনা যদি সবটা পারো,
যদি ফিরে আসে কখনও,
ধরে নিও তোমারই পোয়াবারো।

পৃথিবী মরুস্থান,
কমে গেছে প্রানের প্রতি প্রাণের টান,
এক ফোঁটা জল পেলে,
নিয়ে নাও তাও ধন্যবাদ’’ বলে।
-নিউ ইয়র্ক।

ভার্চুয়াল লাইফ

মামুন জামিল

আমার হাজার বন্ধু আছে, বান্ধবীতেও কমতি নেই
তাদের সামাল দিতে গিয়ে মাঝে মধ্যে হারাই খেই।
বাবা আমার শয্যাশায়ী মায়ের অসুখ নিত্য
জীবন মানে তাঁদের কাছে অশ্রুজলে সিক্ত!
আমি হলাম যোগ্য ছেলে ব্যস্ত সময় দিন কি রাত
‘সাইবারে’ কি আবেগ চলে? তাই দেখিনা অশ্রুপাত।
সমাজ এবং দেশের তরে চিন্তা নিয়ে দিন কাটাই
সেসব কথা প্রকাশ করে অন্যরকম তৃপ্তি পাই।
সবার সাথে ‘শেয়ার’ করি, লিখি নানান রঙে
ভাবখানা মোর প্রকাশ করি লেখক সুলভ ঢঙ্গে!
নিদ্রাবিহীন রাত্রি কাটাই ‘আন্তঃজালে’ বন্দী
ঘুমকাতুরে দিনের বেলা বিছানাতেই সন্ধি!
বিশাল জগত বেশ তো আছি যদিও সেটা মৌণ
বাস্তবতা ডুকরে করে কাঁদে বদলে গিয়ে গৌণ!!

মনুষ্যত্ব

জেবুন্নেছা জ্যোৎস্না

মৃত বিবেকের খোলস ছেড়ে, মনুষ্যত্ব
বেরিয়ে আসো আজ-!
দেখো চাঁদ গলে ঝড়েছে কবিতা
অশুভ অমানিশা ঘোচাতে
জন্মাল কবি-রাজ।

তবে নয় কেন,
অস্ত্র ভুলে গোলাপ হাতে
গাই সাম্যের ধারাপাত?
হাতে হাত মিলে করি
আদি পশুর অহম নিপাত!

ছড়িয়ে দাও আগুন,
যাক গলে উত্তাপে দূষিত নগর-
শুদ্ধতায় পান করি জীবন
সুখি বেদুঈন যাযাবর॥
নিউ ইয়র্ক।