নতুন ট্রাঞ্জিট প্রধান বাইফোর্ডের দায়িত্বগ্রহণ

নতুন এমটিএ প্রধান এন্ডী বাইফোর্ড

ঠিকানা রিপোর্ট: মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটির নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেছেন যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণকারী অ্যান্ডী বাইফোর্ড। ব্যক্তিগত কারযোগে নয়, বরং ট্রেনে চেপেই তিনি বৌলিং গ্রীন সাবওয়ের স্টেশন্থ এমটিএর প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়েছেন বলে ১৯ জানুয়ারি জানা গেছে।
টরন্টো ট্রাঞ্জিট কমিশনের সাবেক চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ৫৩ বছর বয়সী বাইফোর্ডকে সম্প্রতি এমটিএ প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। দায়িত্বগ্রহণের অব্যবহিত পরপরই ক্ষয়িষ্ণু ট্রাঞ্জিট ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রাইডারদের ভোগান্তি কমানো ও আস্থা পুনঃ অর্জনের জন্য সাবওয়ে, বাস, প্যারাট্রাঞ্জিট ও কর্মচারিদের দায়িত্বশীলতার ও নৈতিক উৎকর্ষের উপর আলোকপাত করেন। এমটিএর সদর দপ্তরের বাইরে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ভাষণদানকালে তিনি সাবওয়ের সনাতনী অবকাঠামো, তহবিল বরাদ্দ এবং ব্যয় সংস্কার, ২৪ ঘন্টা ট্রেন সার্ভিস, বিলম্ব ও ভোগান্তি কমানোর জন্য বিশেষ নীতিমালা এবং বাসের যাত্রীসংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। বাইফোর্ড বলেন, এমটিএর বর্তমান বেহাল অবস্থা দ্রুত দূরীকরণের মাধ্যমে নিউইয়র্কের যাত্রী সাধারণের সন্তুষ্টি অর্জনই আমার প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য।
জানা যায় সকাল ৭টায় গ্র্যান্ড সেন্টাল থেকে ডাউনটাউন ৪ নং ট্রেনে চেপে বাইফোর্ড নির্ধারিত সময়ে বৌলিং গ্রীন সাবওয়ে স্টেশনস্থ মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটির সদর দপ্তরে হাজির হন। লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডে স্টেশন ফোরম্যান হিসেবে কর্মজীবনের পদার্পণকারী বাইফোর্ড একই নিয়মে প্রত্যহ নিজ কর্মস্থলে অংশ নিতে চান বলে সহকর্মী এবং পদস্থ কর্মকর্তাদের জানান। তিনি আরও জানান, প্রায় ১০০ বছর পূর্বের সনাতনী সিগন্যাল পদ্ধতির দ্রুত আধুনিকায়ন ও মেরামতের মাধ্যমে নিউইয়র্ক সিটি সাবওয়ের ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর উপরই তিনি সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করবেন। তিনি বলেন, পুরাতন কারগুলোর পরিবর্তন এবং সিগনাল যন্ত্রপাতির সংরক্ষণের অপরিহার্যতা অনস্বীকার্য। বাইফোর্ড বলেন, এমটিএর সিগনাল ব্যবস্থার হালনাগাদ করে লাইনগুলোতে দিনভর ট্রেনের সংখ্যা বাড়াতে হবে এবং নিয়মতান্ত্রিক করতে হবে। এমটিএ কর্তৃপক্ষ অনুমান করছে যে উক্ত কাজে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে এবং যাবতীয় কর্মকান্ড শেষ করতে প্রায় ৫০ বছর লাগবে। বাইফোর্ড বলেন, যে কোন ধরনের ত্যাগের বিনিময়ে সময়মত পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। অবশ্য বাইফোর্ড স্বীকার করেন যে এমটিএর মেরামত ও নির্মান কাজে অবিশ্বাস্য ধরনের অর্থ ব্যয় হয়েছে । বাইফোর্ড বলেন, সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত সেকেন্ড এভিনিউ সাবওয়ের ফার্স্ট লেগ বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ব্যয়বহুল প্রকল্প।