নেতৃত্ব সঙ্কটে বিএনপি, উত্তরণের উপায় কী?

হাবিবুল্লাহ ফাহাদ : খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিকল্প বিএনপিতে কে? তাদের অবর্তমানে দলের নেতৃত্ব কে দেবেন? নতুন কোনো মুখ কি আসবে, নাকি স্থায়ী কমিটি থেকে নেতৃত্ব উঠে আসবে?
এসব প্রশ্ন দিন দিনই বড় হচ্ছে। কারণ, দুর্নীতির মামলায় দলের শীর্ষ দুই নেতাই দ-িত। তারেক রহমান আবার দ-িত ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায়।
খালেদা-তারেকের বিরুদ্ধে আদালতে দ-ের আদেশের পর অন্য একটি আদেশ মাথাব্যথার কারণে হয়েছে বিএনপির জন্য। কারণ, ৭ ধারা বাতিল করে নির্বাচন কমিশনে যে দলীয় গঠনতন্ত্র জমা দেয়া হয়েছিল, সেটি গ্রহণ করতে উচ্চাদালত থেকে নিষেধ করা হয়েছে। আর গঠনতন্ত্রে এ ধারাটি থাকলে দুই শীর্ষ নেতার কারও বিএনপির সদস্য পদই থাকার কথা না।
অপর পক্ষে সংবিধানের বিধানও খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখার জন্য যথেষ্ট বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, শাসনতন্ত্রে বল আছে, ‘নৈতিক স্খলনের’ কারণে দুই বছরের বেশি সাজা হলে দণ্ড কার্যকরের পাঁচ বছর পার না হলে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দুইজনই উচ্চ আদালত থেকে দণ্ডিত। ‘পলাতক’ বলে তারেক রহমানের পক্ষে আপিল করাও সম্ভব নয়। আর খালেদা জিয়াও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বা প্রার্থিতা জমা দেয়ার আগে আপিল করতে পারবেন কি না, সেটা নিশ্চিত নয়।
অ্যাটর্নি জেনারেল সরাসরিই বলেছেন, খালেদা জিয়ার পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেয়া সম্ভব হবে না। একই কথা বলেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা দুদকের আইনজীবীও।
গঠনতন্ত্রের ওই ধারা নিয়ে সংকট বুঝতে পেরে বিএনপি আগেভাগেই গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রক্রিয়ায় হাত দিয়েছিল। সংশোধনের কথা আট পাতার চিঠি লিখে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশনকে। কিন্তু তাকে কাজ হচ্ছে না। কারণ সম্প্রতি উচ্চ আদালত এ বিষয়ে রুল দিয়েছেন। বলা হয়েছে, গঠনতন্ত্র সংশোধনে আপত্তি জানিয়ে বিএনপির কর্মী পরিচয়ে মোজাম্মেল হোসেন নির্বাচন কমিশনে যে আবেদন করেছেন, তার নিষ্পত্তি করতে হবে এক মাসের মধ্যে। আর তার আগে সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ করা যাবে না।
তবে বিএনপির আইনজ্ঞরা এখনো আশা ছাড়েননি। তারা বলছেন, হাইকোর্টের এই রুলের বিরুদ্ধে তারা আপিল বিভাগে যাবেন। আপিল বিভাগ এই আদেশ স্থগিত করলে বিএনপি আপাতত হাঁফ ছেড়ে বাঁচার সুযোগ পাবে। আর যদি আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুকূলে না আসে, তাহলে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দুইজনকেই দলের পদ ছাড়তে হতে পারে।
তখন তাদের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন- এই জল্পনা-কল্পনা ভেতরে ভেতরে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ভালোভাবেই আছে।
দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা অবশ্য এ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলছেন না। তারা খালেদা জিয়ার অবর্তমানে বিদেশে অবস্থানরত তারেক রহমানকেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মেনেছে। তবে নেতৃত্বেই দলটি আন্দোলন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলছেন। তারেক রহমান যদি অযোগ্য হন, তাহলে নেতৃত্বে কে আসবেন- তা নিয়ে কিছু বলছেন না।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এই রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র নিয়ে রিট পিটিশনের বিষয়ে আদালতের আদেশ একেবারেই নজিরবিহীন। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। রাজনৈতিক দল নিজের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চলে, সেই গঠনতন্ত্রে যেটা থাকে, সেটাই চূড়ান্ত। স্পষ্ট করে বলতে চাই, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান- এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’
তাদের অবর্তমানে কে দলের দায়িত্ব নেবেন- এ প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, ‘একটা দলের প্রধান কে হবেন, কে হবেন না, সদস্য কে হবেন, কে হবেন নাÑ সেটা দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ঠিক হবে। বিএনপি কি করবে, না করবে, এটা বিএনপির নিজস্ব এখতিয়ার। বিকল্প নেতৃত্ব নিয়ে আমাদের এখনো কোনো চিন্তা নেই। কারণ, আমরা গঠনতন্ত্র মেনেই সব করছি।’
তবে বিএনপির নীতি-নির্ধারণী ফোরামের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পরিবার থেকেই এই সংকট মোকাবিলার সিদ্ধান্ত ভাবনার পর্যায়ে রয়েছে। চিন্তা করা হচ্ছে, যদি আসলেই নেতৃত্বের সংকট তৈরি হয়, সে ক্ষেত্রে তারক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানকে সামনে আনা হতে পারে।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও জোবাইদা রহমানের নাম আলোচনায় এসেছিল। কিন্তু তখন তিনি চিকিৎসাপেশায় সরকারি চাকরিতে ছিলেন, যা তার প্রকাশ্য রাজনীতি বা দলীয় পদে থাকার অন্তরায় ছিল। এখন আর সেই জটিলতা নেই। কারণ প্রায় ছয় বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে তিনিও বিদেশে অবস্থান করছেন।
অবশ্য জোবাইদা তার স্বামী তারেক রহমানের মতোই রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। তিনি এখন বাংলাদেশে এলে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় আর পাবেন না।
‘তবে জোবাইদা রহমান চাইলে দেশে আসতে পারেন। তারেক রহমান দেশে আসতে না পারলেও বিদেশে বসে নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। জোবাইদা রহমানকে আসলেই দলের দায়িত্ব দেওয়া হলে, তিনি থাকবেন চেয়ারের শোভা। দলীয় সিদ্ধান্ত বা নীতিনির্ধারণে তারেক রহমানই ভূমিকা রাখবেন। তাছাড়া সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারেও এখনো জোবাইদা রহমান জটিলতামুক্ত। তার প্রার্থী হওয়ার পথে কোনো অন্তরায় নেই।’
অবশ্য জোবাইদাকে নিয়ে সংশয়ও আছে। বিএনপির রাজনীতিতে তার এখনো আনুষ্ঠানিক যাত্রা হয়নি। এই অবস্থায় তিনি দলের শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত হলে, তার জন্যও বড় ধরনের চাপ হবে। এই চাপ মোকাবেলা করে নির্বাচন পরিচালনা ও দল পরিচালনা কখনোই সহজ হবে না। তবে তিনি দলের প্রার্থী হলে, নির্বাচনে অংশ নিলে কারো কোনো আপত্তি থাকবে না।
দলটির প্রবীণ শীর্ষস্থানীয় নেতারা মনে করেন, যদি একান্তই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নেতৃত্বে থাকতে না পারেন, তাহলে দলের প্রবীণ নেতাদের মধ্যে থেকে ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব বাছাই করতে হবে। এতে দলের শৃঙ্খলা ঠিক থাকবে। সে ক্ষেত্রে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, জমির উদ্দিন সরকারকে বিশেষ দায়িত্ব দেয়ার বিষয়টি প্রাথমিক আলোচনায় আছে।
তবে সিদ্ধান্ত যা-ই হোক, দ্রুত নেয়া হতে পারে। কারণ, নির্বাচনকালীন রাজনীতির গতিপথ অন্য সময়ের তুলনায় আরও জটিল হবে। এ অবস্থায় দ্রুত কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কালক্ষেপণ চলবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, ‘নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি প্রায় অনিশ্চিতই ধরা যায়। কারণ এই ইস্যুতে সরকার এখনো নমনীয় নয়। আদৌ নমনীয় হবে, এমন আশাও নেই। অন্যদিকে সরকার চাইছে যেকোনো মূল্যে তারেক রহমানকে দেশে এনে কারাদ- দিতে। এই অবস্থায় তার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই।’
যে কারণে অযোগ্য খালেদা-তারেক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্র্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার যথাক্রমে ১০ ও ৭ কারাদ- হয়েছে। আর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কারাবাসের রায় হয়েছে। আর সাত বছরের কারাদ- হয়েছে অর্থপাচারের একটি মামলায়।
যা আছে সংবিধানে : সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিষয়ে বলা আছে। ৬৬(২)ঘ-এর অনুসারে কেউ নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদ-ে দ-িত হলে এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হলে অযোগ্য হবেন।
আইনজ্ঞদের ব্যাখ্যা : বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘বিএনপির সংশোধিত বা পরিবর্তিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ করার অর্থ হবে দুর্নীতির সঙ্গে আপস করা। ইসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান তো এ রকম কোনো কিছু গ্রহণ করতে পারে না।
‘দ-িতরা দলের কোনো পদে থাকতে পারবে না, এটা পৃথিবীর সব জায়গাতেই আছে। বিএনপিতেও ছিল। বিএনপির এখন এই অবস্থান থেকে সরে আসা অনভিপ্রেত।’
অন্যদিকে বিএনপির আইনজীবী নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ একই বিষয়ে তার ব্যাখ্যায় বলেছেন- ‘সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করার ব্যাপারে হাইকোর্টের এ আদেশ অকার্যকর। ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আদালত এই আদেশ দিয়েছেন বলে আমরা মনে করি। রুলের কপি হাতে পেলে আমরা আপিল বিভাগে যাব।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র তাদের নিজস্ব বিষয়। এ নিয়ে রিট আর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের রুল দুটোই নজিরবিহীন ঘটনা। এ ধরনের কোনো সুযোগ আসলে নেই।’
সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে আবেদন : বিএনপির সংশোধিত এই গঠনতন্ত্র যাতে গ্রহণ না করা হয়, সে জন্য গত ৩০ অক্টোবর ইসিতে আবেদন করেন রাধানীর কাফরুলের বাইশটেকী’র বাসিন্দা মো. মোজাম্মেল হোসেন। তিনি নিজেকে বিএনপির কর্মী দাবি করে এ আবেদন করেন। ইসি ওই দিন দুপুর পৌনে ২টায় এ আবেদন গ্রহণ করে। এরপর একইদিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আদেশ (রিট নম্বর ১৩৫৬৮/২০১৮) করেন তিনি। রিট আবেদন দাখিলকারীর আইনজীবী হলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক মমতাজউদ্দিন আহমদ মেহেদী।
গত ৩১ অক্টোবর বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে তিনি শুনানি করেন।
খালেদা-তারেককে ছাড়া কি বিএনপি নির্বাচনে যাবে? : নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য বিএনপি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে একাত্ম হলেও খালেদা জিয়াকে কারান্তরীণ রেখে দলটি নির্বাচনে যাবে কি না, এটা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ ঐক্যফ্রন্ট ঘোষিত সাত দফার অন্যতম হচ্ছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি। সিলেট ও চট্টগ্রামের সমাবেশেও ঐক্যফ্রন্টের নেতারা এ দাবির পক্ষে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন। এখন পর্যন্ত বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া না হলে তারা নির্বাচনে যাবে না। বরং সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। এই আন্দোলনে ঐক্যফ্রন্টের জন্য শরিকদের সমর্থন বা সক্রিয়তা কতটুকু থাকবে, তা নিয়ে যদিও সংশয় রয়েছে।
দলের স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট হয়েছে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাঠ তৈরি করতে। আমাদের যে সাত দফা তার শুরুতেই খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা বলা আছে। তিনি ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। তাই তার অবর্তমানে বা তারেক রহমানের অবর্তমানে দলের নেতৃত্ব কে দেবেন- এ চিন্তারও প্রয়োজন নেই।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমাদের দাবি আদায় না হলে আমরা নির্বাচনে যাব না। সরকার দেশের মানুষকে অন্ধকারে রেখে যে পাতানো নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাতে বিএনপি কখনোই অংশ নেবে না। বিএনপি চেয়ারপারসনসহ দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রহসনমূলক রায় দেয়া হয়েছে। এটি আমরা মানি না। দেশের শান্তিকামী, গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ এই রায় মানে না।’
বিএনপির গঠনতন্ত্রের বাতিল করা ৭ ধারা কী বলে : বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারায় ‘কমিটির সদস্যপদের অযোগ্যতা’ শিরোনামে বলা আছে- ‘নিম্নাক্ত ব্যক্তিগত জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বা যেকোনো পর্যায়ের যেকোনো নির্বাহী কমিটির সদস্যপদের কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রর্থীদের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।’
‘তারা হলেন : (ক) ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৮-এর বলে দ-িত ব্যক্তি। (খ) দেউলিয়া, (গ) উন্মাদ বলে প্রমাণিত ব্যক্তি, (ঘ) সমাজে দুর্নীতিপরায়ণ বা কুখ্যাত বলে পরিচিত ব্যক্তি।