পূর্বাচলে হচ্ছে ঢাবির সেকেন্ড ক্যাম্পাস

রাজধানী ডেস্ক : পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ। এ প্রকল্পের ১২ নম্বর সেক্টরে হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস। এখান থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ফ্যাকাল্টিসহ বেশ কয়েকটি ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আধুনিক এ প্রকল্পে থাকছে ১৪২ তলা আইকনিক টাওয়ার, দৃষ্টিনন্দন লেক, ভাসমান ইকোপার্ক, সবুজ উদ্যান, বিস্তীর্ণ খোলা জায়গা, স্টেডিয়ামসহ নাগরিক সুবিধার আরও নানা আয়োজন। মূল্যায়ন কমিটি আইকনিক টাওয়ারের জন্য টেন্ডারে অংশ নেয়া কোম্পানির দরপত্র যাচাই-বাছাই করছে। অল্প সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটি বসবাসের উপযোগী হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ প্রসঙ্গে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘পূর্বাচল প্রকল্প শুরু হয়েছে বেশ আগে। নানা কারণে এ প্রকল্পের কাজের গতি শ্লথ ছিল। আমি এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করে কাজের গতি বাড়িয়েছি। আশা করি দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প পুরোপুরিভাবে বসবাসের উপযোগী হয়ে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প হবে সত্যিকারের একটি স্মার্ট সিটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অংশ এখানে স্থানান্তরিত হবে। দেশকে বিশ্ব দরবারে ইতিবাচকভাবে পরিচিত করে তুলবে পূর্বাচলের ১৪২ তলা আইকনিক টাওয়ার, লেকের মাঝে ভাসমান ইকোপার্ক, ৪৩ কিলোমিটার লেকসহ দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ। সেখানে পানি ও পয়োনিষ্কাশনসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা থাকছে। আমাদের প্রতিশ্রতি অনুযায়ী ওই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে রাজউকের প্রতি কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। আশা করি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।’
জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শত বছর পূর্তি উপলক্ষে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ফ্যাকাল্টি করতে পূর্বাচলে ১০০ একর জমি বরাদ্দ চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ৫০ একর বরাদ্দের সম্মতি দেয়া হয়েছে। বাকি ৫০ একরের জন্য প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০০ একর জমি ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিতে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় জমির পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ২৫০ একর। এত অল্প জমিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকুলান হচ্ছে না। এ কারণে সরকারের কাছে ১০০ একর জমি চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পূর্বাচলে ৫০ একর জমি বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাকি ৫০ একর জমির জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করব। পূর্বাচলে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ফ্যাকাল্টিসহ কয়েকটি ইন্সটিটিউটের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’
এ প্রসঙ্গে রাজউক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, ‘গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করে পূর্বাচল প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে শেষ করার আপ্রাণ চেষ্টা করছি আমরা। আশা করি দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রাহকদের জন্য পূর্বাচল প্রকল্পকে দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে পারব।’
তিনি আরও বলেন, ‘পূর্বাচল প্রকল্পের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হচ্ছেÑ এ প্রকল্পে ১৪২ তলা আইকনিক টাওয়ার তৈরি করা হবে। এ ছাড়া এখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকেন্ড ক্যাম্পাস করার জন্য জায়গা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্তক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কিছু জায়গাও সেখানে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ইকোপার্ক, সবুজ পরিবেশ, পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান, লেক সব মিলিয়ে বসবাসের এক অনন্য পরিবেশ হবে পূর্বাচল।’
এক প্রশ্নের উত্তরে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ‘পূর্বাচলে ১৪২ তলা আইকনিক টাওয়ার করার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠান এ দরপত্রে অংশ নিয়েছে। মূল্যায়ন কমিটি দরপত্র দুটি যাচাই-বাছাই করছে। কমিটির সিদ্ধান্তের পর এ ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
জানা গেছে, প্রকল্পের ১, ২, ৪, ৬, ১১, ১২, ১৩, ১৭, ১৮, ১৯ ও ২০ নম্বর সেক্টরে ভূমি উন্নয়ন কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে। এসব সেক্টরের সড়ক, ব্রিজসহ সেবা সংস্থার সংযোগ দেয়ার কাজ চলছে। বহুল আলোচিত ১৪২ তলা ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে ১৯ নম্বর সেক্টরে। এ ছাড়াও পূর্বাচলে ১২ নম্বর সেক্টরে ১৩ একর জায়গাজুড়ে একটি ইকোপার্ক তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে রাজউকের। এ ইকোপার্কের জন্য জায়গা রাখা হয়েছে লেকের ভেতর। চারদিকে লেক আর মাঝখানে ইকোপার্ক হওয়ায় এটা অনেকটা দ্বীপ আকৃতির হবে। লেকের পানির ওপর ইকোপার্কটি ভাসতে থাকবে। দূর থেকে মনে হবে ভাসমান পার্ক।
পূর্বাচল প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে অনেকের প্রশ্ন থাকলেও এখন আস্তে আস্তে সেসব কমে আসছে। এ প্রকল্পের প্রায় ৭০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, ২৫ হাজার ১৬টি আবাসিক প্লটের বেশির ভাগই বরাদ্দপ্রাপ্তদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০০টি ভবনের নকশা অনুমোদনও করা হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় ৬২টি সেতুর মধ্যে ৩৪টি নির্মিত হয়েছে। শিগগিরই ওই প্রকল্পে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সেবা নিশ্চিত করতে চায় রাজউক। সে লক্ষে দ্রুতগতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে নৌবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগকে যুক্ত করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘পূর্বাচল নতুন শহর’ প্রকল্প ১৯৯৫ সালে বাস্তবায়ন কাজ শুরু করে রাজউক। ঢাকা শহরের পাশের এলাকায় সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ স্বয়ংসম্পূর্ণ নতুন টাউনশিপ গড়ে তুলে ঢাকার ওপর আবাসন চাপ কমানোর লক্ষ্যে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় ৬ হাজার ২৭৭ দশমিক ৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ অংশে রয়েছে ৪ হাজার ৫৭৭ দশমিক ৩৬ একর জমি। গাজীপুর অংশে ১৫শ’ একর জমি; যা ৩০টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। বাকি ১৫০ একর জমি ঢাকা জেলার খিলক্ষেত থানায় কুড়িল ফ্লাইওভার এবং লিংক রোড নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে। এ প্রকল্পে বিভিন্ন আকারের ২৭ হাজার ৮টি প্লট তৈরি করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক ৪২৩টি, ডিপ্লোম্যাটিক ৬৩টি, বাণিজ্যিক ১ হাজার ৩০টি, প্রশাসনিক ৪৭৩টি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৬৬টি। এ প্রকল্পের প্লটগুলোর মধ্যে ৩ কাঠার প্লট রয়েছে ১০ হাজার ১২টি, ৫ কাঠার প্লট রয়েছে ১ হাজার ৩৬১টি, সাড়ে ৭ কাঠার প্লট রয়েছে ২ হাজার ৬১৮টি, ১০ কাঠার প্লট রয়েছে ২ হাজার ২৫টি। শুরুতে প্রকল্প ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৩১১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। সংশোধিত প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৭৮২ কোটি ১৪ লাখ টাকা, যার সম্পূর্ণ রাজউকের নিজস্ব অর্থ। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ছিল। যা পরে সংশোধন করে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন ছাড়াও লিংক রোড নির্মাণ, কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণ, লেক ও জলাধার উন্নয়ন, রাস্তা-ড্রেন নির্মাণ, ব্রিজ, স্কুল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের লক্ষ্য রয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি প্রায় ৪০ শতাংশ এবং ভৌত অগ্রগতি প্রায় ৫৮ শতাংশ। অথচ এ সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। আর এ প্রকল্পের ভূমি উন্নয়নের কাজ হয়েছে ৮২ শতাংশ। ভূ-উপরস্থ নালাসহ প্রায় ৩১৯ দশমিক ২৮ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে মাত্র ১৬০ কিলোমিটার নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। আর ৮০ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ চলছে। ৫০ কিলোমিটারের কাজের দরপত্র অনুমোদনের পর কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে এবং বাকি ১০ কিলোমিটারের প্রাক্কলন অনুমোদন শেষে দরপত্র প্রক্রিয়াধীন।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, রাজউক সরকারি বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় শতভাগ অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে রাজউকের সঙ্গে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের দ্বন্দ্ব রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা ছিল না। স্থানীয় অধিবাসীদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই প্রকল্পের প্লট বিতরণ ও ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় এ সংঘাত হচ্ছে। যার ফলে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০ নম্বর সেক্টরের কাজ স্থানীয়দের বাধায় শুরু করতে না পারায় নৌ বাহিনীর প্রকৌশল বিভাগের নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি ১৫টি ব্রিজ নির্মাণসহ ৫০ কিলোমিটার সড়ক তৈরির কাজ করবে প্রকল্পের ওই এলাকায়।
১৪২ তলা আইকনিক টাওয়ার : গত অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত পূর্বাচলে ১৪২ তলা আইকনিক টাওয়ার তৈরির ঘোষণা দেন। অর্থমন্ত্রীর সেই ঘোষণা বাস্তবায়নে কাজ করছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজউক। ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করে তা যাচাই-বাছাইও করা হয়েছে। যেকোনো সময় পছন্দের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া হতে পারে।
আনুমানিক ৭০-১০০ একর বা কিছু বেশি জমির ওপর নির্মিতব্য ১৪২ তলা এ ভবনের মূল আকর্ষণ হবে কনভেনশন সেন্টার ও স্পোর্টস কমপ্লেক্স স্টেডিয়াম। কনভেনশন সেন্টারের ধারণক্ষমতা হবে ৫ হাজার লোকের। স্পোর্টস কমপ্লেক্সের মূল স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা হবে ৫০ হাজার লোকের। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পূর্বাচল নতুন শহর এবং ওই অঞ্চলের আশপাশের জেলাগুলোয় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
রাজউক সূত্রে জানা যায়, আইকনিক টাওয়ার ঘিরে তৈরি হবে আরও কয়েকটি ছোট-বড় ভবন এবং নান্দনিক স্থাপনা। উচ্চতার দিক দিয়ে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনটি হচ্ছে দুবাইয়ের ১৬৫ তলার বুর্জ আল খলিফা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চীনের সাংহাইয়ে ১২৮ তলা। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নামে চতুর্থতম উঁচু ভবনটি নিউইয়র্কে শোভা পাচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে সৌদি আরবের জেদ্দায় নির্মাণাধীন ২০৫ তলা কিংডম টাওয়ার। পূর্বাচলের ১৪২ তলা এ আইকনিক টাওয়ার নির্মিত হলে তা হবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে উঁচু ভবন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক উজ্জ্বল মল্লিক বলেন, ‘পূর্বাচল প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন, রাস্তা, সেতু তৈরির কাজ অনেকখানি হয়ে গেছে। বেঁধে দেয়া সময়ে কাজ শেষ না হলেও আর খুব বেশি সময় লাগবে না। আর কাজের গতি বেগবান করতে নারায়ণগঞ্জ নৌবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগকে এ কাজে যুক্ত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার পর নানা কারণে শেষ করতে কিছুটা সময় বেশি লাগায় অনেক মানুষ রাজউকের ওপর অখুশি। তবে এ কথা বলতে পারি, এ প্রকল্প গ্রাহকদের বুঝিয়ে দেয়ার পর সবাই সন্তোষ প্রকাশ করবেন। কেননা, এখানে তৈরি হচ্ছে ১৪২ তলা আইকনিক টাওয়ার, ইকোপার্ক, ৪৩ কিলোমিটার লেক, ঢাবির সেকেন্ড ক্যাম্পাস। সবমিলিয়ে বসবাসের এক অনন্য পরিবেশ তৈরি হবে পূর্বাচলে। যেমন শহর এখন আমরা প্রত্যশা করি, পূর্বাচল হবে ঠিক তেমনি, মানুষের স্বপ্নের এক শহর।’