প্রত্যাশিত স্বাধীনতা

আব্দুল খালেক মন্টু
১২০১ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত্ম ধরলে মোট ৭৭০ বছর আমরা পরাধীন ছিলাম। এর মধ্যে স্বাধীন সুলতানী আমল বাদ দিয়ে ১৫০৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত্ম ধরলে মোট ৪৬৩ বছর পর আমরা এই দেশের বাঙালি জাতি স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে মহত্তম ও বৃহত্তম কর্ম এবং শ্রেষ্ঠতম অর্জন। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছে। বিশ্বের দরবারে আত্মপরিচিতি দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে বাঙালি জাতির রাজনৈতিক-সামাজিক-অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চেতনাবোধের বিস্ফোরণ। মুক্তিযুদ্ধ থেকে আমাদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু ভৌগোলিক স্বাধীনতা অর্জনের পর আমরা হতাশ হয়েছি। যে স্বপ্ন ও লক্ষ্য নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, সে স্বপ্ন ও লক্ষ্য আজও সুদূরপরাহত। আজও দেশের অধিকাংশ মানুষ অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদা ও মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত। এখনো এ দেশের জনগণ পাকিস্ত্মান আমলের মতো শোষণ-বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার। আজও দারিদ্র্য-অনাহার-বেকারত্ব-জানমাল-ইজ্জত-জীবিকার নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে মানুষের জীবন কাটছে। নির্বিবাদ অনৈতিক কর্মকা–সন্ত্রাস-দুর্নীতি-লুণ্ঠন-খুন-ক্ষমতার অপব্যবহার-অবিচার-চাঁদাবাজি-বোমাবাজি-জুলুম-নির্যাতন দেশের স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
বলা হয় মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্ত্মান। কিন্তু তারাই আজ সবচেয়ে বেশি অবহেলা ও অসম্মানের পাত্র। তাদের করম্নণা বা ভিক্ষার পাত্র বানানো হয়েছে। সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে তালিকা বদল, কমান্ডার বদল, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার জন্ম দান, ইতিহাসের পাতা বদল আজ রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের ভিত্তিই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধারা যার কারিগর। মুক্তিযুদ্ধকে নির্বাসনে পাঠিয়ে বাংলাদেশকে চালানো হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধাদের মরণের পর রাষ্ট্রীয় সম্মান আর বেঁচে থাকতে অসম্মানজনক অবস্থায় রাখা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান দিতে হলে মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয়-সামাজিক ও আর্থিক সম্মান নিশ্চিত করা উচিত।
একাত্তরে যে চেতনার উন্মেষ ঘটেছিল, তার যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তি অর্জন সম্ভব হয়নি। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ষাটের দশকের ৬ দফা আন্দোলন, ‘৬৯-এর গণ অভু্যত্থান, ‘৭০-এর সাধারণ নির্বাচন এবং ‘৭১-এর মহান সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামের ধারাবাহিকতায় পরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তিসংগ্রাম করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন ঘাতপ্রতিঘাতে জর্জরিত মুক্তিযোদ্ধারা আজ পরস্পর বিরোধীদলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য বা চেতনাবিরোধী দলের সঙ্গেও তারা জড়িত। কিন্তু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কোনো দলাদলির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা উচিত নয়। কারণ মুক্তিযোদ্ধারা জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল তা ভেঙে দেয়া হয়েছে ভৌগোলিক স্বাধীনতা অর্জনের সঙ্গে সঙ্গেই। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তি ছাড়াই মুক্তিযোদ্ধাদের নিকট থেকে অস্ত্র জমা নেয়া হয়েছে। কোনো কর্মসংস্থান বা জাতিগঠনমূলক দিকনির্দেশনা না দিয়ে তাদের বিভ্রান্ত্মির মধ্যে ফেলা হয়েছে। ফলে জাতীয় ঐক্য আর ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে কোনো দেশ স্বাধীন হলে সে দেশের নেতৃত্ব ও পুনর্গঠনে মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকাই থাকে বেশি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশের বেলায় তা ঘটেনি।
বাংলাদেশের বড় দুটি দলের সঙ্গে কমবেশি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্ক আছে। একটি দল মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানের দাবিদার। আরেকটি দল স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের দাবিদার। কিন্তু দল দুটির একটিও গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধ করার দাবি করেনি। মুক্তিযুদ্ধ করেছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্ত্মান মুক্তিযোদ্ধারা। ওই দল দুটি এ পর্যন্ত্ম একাধিকবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য স্থায়ী ও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা করেনি। করলে একাত্তরের বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধারা জীবনযুদ্ধে পরাজিত হতো না।
স্বাধীনতা অর্জনের ঊষালগ্নেই মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দলটি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়নে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। দেশ হানাদারমুক্ত হওয়ার পর খোদ মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছিল, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারি সব দল ও মতের দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব নিয়ে জাতীয় বিপস্নবী সরকার গঠন করা হোক। কোনো প্রকার রাজনীতি নয়; যুদ্ধবিধ্বস্ত্ম দেশের পুনর্গঠনের বিষয়টি বেশি গুরম্নত্ব দেয়া হোক। কিন্তু সে সময়কার ক্ষমতাসীন দলটি জাতীয় গুরম্নত্বপূর্ণ ওই বিষয়টিকে তেমন গুরম্নত্ব দেয়নি। দিলে বাংলাদেশের ইতিহাস অন্যরকম হতো।
১৯৭২-সালে যা করা উচিত ছিল, ক্ষমতাসীন দলটি তা করতে যায় ১৯৭৫-সালে। সময়ের কাজ সময়ে না করলে যা হয়, এ ক্ষেত্রেও তাই হয়। ক্ষমতার পালাবদল হয়। স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সপরিবারে নিহত হন কিছু বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে। ক্ষমতায় আসেন মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা পাঠক অথবা ঘোষণা দানের দাবিদার দলটির প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা জে. জিয়াউর রহমান। মুক্তিযোদ্ধার পরিচয়ে ক্ষমতায় বসে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তায় ক্ষমতায় সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে তিনি প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়েন। সৌদি-আমেরিকান খপ্পরে পড়েন। ফলে যা হওয়ার তাই হয়। কায়েমি স্বার্থবাদী, স্বাধীনতাবিরোধী, প্রতিক্রিয়াশীল, দুর্নীতিবাজ, কালো টাকার মালিক, লুণ্ঠনকারী-সন্ত্রাসী ও খুনিদের দৌরাত্ম্যে জাতির অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির পথ ধীরে ধীরে রম্নদ্ধ হয়ে পড়ে। স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদরদের জন্য রাজনীতির দরজা খুলে দেয়া হয়। ফলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল-ধর্মবাদী রাজনীতিকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। প্রগতিশীল-সৎ ও দেশপ্রেমিকদের জন্য রাজনীতির দরজা ধীরে ধীরে রম্নদ্ধ হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে মধ্যপ্রাচ্যের ধনবাদী রাজা-বাদশারা রাতারাতি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে অঢেল পেট্রোডলার সরবরাহ করে গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে বিপদগ্রস্ত্ম করে তোলে। ফলে ওই সময়কার সরকারপ্রধানের পক্ষে বলা সম্ভম হয় ‘মানি ইজ নো প্রোবলেম।’ ‘আই উইল ডিফিকাল্ট পলিটিক্স ফর পলেটিশিয়ান।’ এর পাশাপাশি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জন্ম দিয়ে ওই সময়কার সরকার বাঙালি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে রম্নখে দেয়ার ষড়যন্ত্র করে। পরে অনুষ্ঠিত এক জাতীয় মহাসম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, ‘যে রাজনীতি হওয়ার কথা ছিল মানুষকে ভালোবাসার পেশা, সেটা আমাদের হাতে রূপ নিয়েছে হিংসা চরিতার্থ করার পেশায়। বিদ্বেষকে ঘনীভূত করার পেশায়, হানাহানি এমনকি খুনখারাপি করার পেশায়। রাজনীতিকরা আইনের শাসনের কথা বলেন, কিন্তু সমাজে যারা আইন ভাঙে তাদের আশ্রয় দেন। তারা গণতন্ত্রের কথা বলেন, কিন্তু নিজেদের মধ্যে গণতন্ত্রকে পরিহার করে চলেন। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকা- দেখে মনে হয় একদল আরেক দলের পিছু লাগাটাই যেন তাদের প্রধানতম কর্মসূচি। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করা কিংবা দখলে রাখাটাই তাদের কর্মকা-ের মূল প্রেরণা। যে ক্ষমতা দিয়ে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার কথা আছে, এটা তাদের কাজকর্ম থেকে পরিষ্কার ধরা পড়ে না। মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্যই রাজনীতি। অথচ আমরা রাজনীতি করে যাচ্ছি মানুষকে বিভক্ত করার জন্য। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এ কথাগুলো মানুষকে বিভক্ত করার কাজে লাগানো হচ্ছে। আমাদের এক ভাষা, এক জাতীয়তা, এক ঐতিহ্যের ছোট ভূ-খ-। শব্দের লেবেল এঁটে মানুষকে বিভক্ত করা কেন? আমাকে যে লেবেলের নিচেই রাখুন না কেন আপনি কি আমার বাঙালিত্ব আমার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবেন। (১৩ ভাদ্র ১৪০০ সাল ভোরের কাগজ)
বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজপ্রবাহে এখন চলছে চরম সংকটকাল। এ সংকট উত্তরণের জন্য অপরাধী হিসেবে গণ্য হতে পারেন অনেকেই। স্বাধীনতা যুদ্ধে একা আওয়ামী লীগের অবদান ছিল না এটা যেমন সত্যি, তেমনি সত্যি আওয়ামী লীগের নিকটজনদের সত্যকে ধামাচাপা দেয়ার নিষ্ঠুর প্রবণতা। ইতিহাস কোনোদিন কাউকেই ক্ষমা করেনি। ভবিষ্যতেও করবে না। ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধারা কে কোথায় কি করছেন ইতিহাস সবই লক্ষ্য করে যাচ্ছে। ইতিহাসের কঠিন বিচার হতে তারাও রেহাই পাবেন না। ১৯৭১-এর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের দুটি অঙ্গীকার ছিল। ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।’ দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী কঠিন যুদ্ধে একটি অঙ্গীকার অর্থাৎ স্বাধীনতার সংগ্রাম ফলপ্রসূ হয়েছে। দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধারা বা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি একটি অঙ্গীকার পূরণ করেছেন। কিন্তু আর একটি অঙ্গীকার শোষণের বিরম্নদ্ধে, জুলুমের বিরম্নদ্ধে, দারিদ্র্যের বিরম্নদ্ধে, অন্যায়ের বিরম্নদ্ধে, দুর্নীতির বিরম্নদ্ধে, বৈষম্যের বিরম্নদ্ধে যে মুক্তি সংগ্রামের অঙ্গীকার ছিল, সেটা কি পূরণ হয়েছে? এর উত্তর-না। বরং এ পর্যন্ত্ম তা বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে চলে গেছে, অন্যায়ের বিরম্নদ্ধে, জুলুমের বিরম্নদ্ধে, শোষণ-লুটপাটের বিরম্নদ্ধে, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি-বোমাবাজির বিরম্নদ্ধে, মাস্ত্মানি-সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরম্নদ্ধে কিছু করা তো দূরের কথা কিছু বলাও ঝুঁকিপূর্ণ।
১৯৭১-এর মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন দলে বা মতে বিভক্ত হয়ে পড়েন। অনেকেই সুবিধাবাদের পথ ধরে দুর্নীতি-মাস্ত্মানি-সন্ত্রাস ও লুটপাটের আশ্রয় নিয়ে তরতর করে অভিজাত শ্রেণিভুক্ত হয়ে যান। অনেকে মুক্তি সংগ্রামের অঙ্গীকার পালনের জন্য আজও প্রাণপণ লড়াই করে যাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার দারিদ্র্যের কষাঘাতে তিলে তিলে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই আবার আত্মকলহে ইতোমধ্যেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দাবিদার দুটো দলের দ্বারা জনগণের মুক্তির অঙ্গীকার পূরণ হয়নি। বরং সেসব শক্তি বা দল মুক্তির পরিবর্তে জনগণের দুঃখকষ্ট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্বাধীনতার পক্ষশক্তি আজ দ্বিধাবিভক্ত। হতোদ্যম-দুর্বল অথবা বিভ্রান্ত্ম হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকার কে পূরণ করবেন? সাধারণ মানুষের শোচনীয় দুর্দশা মোচন ও দেশীয় শোষকদের হাত থেকে মুক্তির জন্য, জাতির কল্যাণ ও জনগণের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কারা সংগ্রাম করবেন? অবস্থার ভয়াবহতা এমন বেগতিক পর্যায়ে চলে গেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে আর ওই অঙ্গীকার পূরণ করা কোনোমতেই সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন নতুন প্রজন্মের-শুদ্ধ আত্মার-পবিত্র শক্তির। শাহবাগের নতুন প্রজন্ম আমাদের সে স্বপ্নই দেখিয়েছে।