প্রশ্ন

আহমদ সারওয়ার
করুনা রে, তোর করুণায় বেঁচে আছি
বলেছিল বরুনা,
তুই খাবার না দিলে খেতে পারি না।
কষ্ট করিস দিবা-রাত্রি
যদিও আয় রোজগার সামান্য এক রত্তি।

পাখিদের মতো তুইও সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরিস
তখন ওরা যেমন কিচিরমিচির শব্দের সুর তোলে
তোর অবস্থাটাও ওদেরই মতন।
সময়ের গতিতে রাত গভীর হয়
তোর কান্নার মৃদু আওয়াজে রাতের কান্না
বেদনায় নীল হয়।

তোর হয়তো মনে নেই
সতেজ সকাল, ক্লান্ত দুপুর, পরিশ্রান্ত বিকেল
আর হাড়ভাঙা পরিশ্রম তোর
যুগিয়েছে সাহস পথচলার
তুই কিন্তু একটুও ভয় পাস নি।
সাহসের সাথে সামলেছিলি সবকিছু
হয়েছে সকলের নিজ নিজ আলয়।

হঠাৎ যেনো এক মরুঝড়ে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে গেলো পূর্ণিমা ভরা চাঁদ
এখন যেন যন্ত্রনাকাতর প্রতি ক্ষণ-অনুক্ষণ
উপহার দেয় শুধু যন্ত্রণা কাতর নির্ঘুম রাত।

তাহলে বল্, বরুণা কী করে ভালো থাকে?