প্রাকৃতিক ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিরাময়

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

মনের অজান্তেই অনেকের শরীরে বাসা বাঁধে মরণব্যাধি ক্যান্সার। প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। সচেতন রোগীর প্রাথমিক অবস্থায় রোগ ধরা পড়লে যথাযথ চিকিৎসায় ক্যান্সার পুরোপুরি সেরে যেতে পারে অথবা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়। কাজেই ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়।

সচেতনতা, অর্থ ও সময়াভাবে শারীরিক অবস্থা খুব বেশি খারাপ না হলে রোগী ডাক্তারের শরণাপন্ন হন না। কখনো দুর্ভাগ্যক্রমে অনভিজ্ঞ চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসা চলে দীর্ঘ দিন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শেষ পর্যায়ে গিয়ে রোগ নির্ণয় হয় বিধায় ভালো চিকিৎসা সম্ভব হয়না। তখন ব্যয়বহুল চিকিৎসা -অস্ত্রোপচার, ঔষধ, পথ্য, হাসপাতালের বিল, কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন বা হরমোনথেরাপি দিয়েও রোগীকে বাঁচানো যায় না। মৃত্যুতে রোগীর অসহ্য যন্ত্রণার পরিসমাপ্তি ঘটালেও, সর্বস্বান্ত করে পথে বসিয়ে দেয় একটি দরিদ্র বা মধ্যবিত্ত পরিবারকে।

ক্যান্সার কি: প্রাণী দেহ অসংখ্য কোষের সমন্বয়ে গঠিত। নির্দিষ্ট সময় পরপর পুরোনো কোষ মারা যায় ও নতুন কোষ সে স্থান দখল করে। সাধারণতঃ নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রিতভাবে কোষ বিভাজনের প্রক্রিয়া চলে। কোনও কারণে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের ফলে শরীরে টিউমারের জন্ম নেয়। বেশির ভাগ ক্যান্সার টিউমার তৈরি করে। টিউমার দু ধরনের – বেনাইন ও মেলিগন্যান্ট। বায়োপসি পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার নির্ণয় করা হয়। মেলিগন্যান্ট টিউমারই ক্যান্সার। দু শতাধিক প্রকারের ক্যান্সার আছে। প্রকার ভেদে লক্ষণ ও উপসর্গ ভিন্ন।

ক্যান্সারের সাধারণ কিছু লক্ষণ : ১) দীর্ঘকালীন কাশি অথবা গলা ভাঙ্গা ২) শরীরের যে কোন স্থানে চাকা উপলব্ধি ৩) অতিশয় ক্লান্তিবোধ ৪) অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস ৫) জ্বর থাকা, রাতে ঠান্ডা অনুভব বা ঘেমে যাওয়া ৬) ক্ষুধামন্দা ৭) ত্বকের পরিবর্তন ৮) কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, অথবা মলের সাথে রক্ত ৯) অস্বাভাবিক রক্তপাত।

ক্যান্সারের কারণ : ক্যান্সার কেন হয় তার সঠিক কারণ জানা না গেলেও কিছু কিছু কারণ এর জন্য দায়ী বলে প্রমাণিত হয়েছে , যেমন: ১) বংশগত বা জেনেটিক ২) ধূমপান ৩) পান, জর্দা, সাদা পাতা, গুল ইত্যাদি ৪) অস্বাস্থ্যকর খাদ্য ৫) পুষ্টির অভাব ৬) বেনাইন টিউমার -মেলিগন্যান্ট টিউমারে রূপান্তর ৭) রেডিয়েশন ৮) কিডনি ও পিত্তথলির পাথর ক্যান্সার সৃষ্টি করে। ৯) ক্রনিক ইনফেকশন ১০) রাসায়নিক উপাদান (যেমন: এনিলিন ডাই, ফরমালিন) ১১) অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং পরিশোধিত অস্বাস্থ্যকর ভোজ্য তেল ১২) রান্না কৌশল – ভাজা, পোড়া এবং মাত্রাতিরিক্ত রান্না করা খাবারে সৃষ্ট টক্সিন (উপবিষ) এক্রিলামাইড ১৩) কীটনাশক ১৪) আগাছানাশক ১৫) হরমোন ও এন্টিবায়োটিক দিয়ে পালিত প্রাণীর মাংস এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস ১৬) খাদ্যে অতিমাত্রায় চিনি এবং কৃত্রিম মিষ্টি যোগ ১৭) খাদ্যে সংযোজিত রং, নাইট্রেটস এবং সালফাইটস ১৮) আর্সেনিক যুক্ত পানি ও খাবার – ফুসফুস, ত্বক ও বাল্ডারে ক্যান্সারে ঝুঁকি বাড়ায়।

ক্যান্সার কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়? ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো – নিয়মিত ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান সমৃদ্ধ (বায়োএক্টিভ) খাদ্য গ্রহণ ও ক্যান্সার সৃষ্টিতে সহায়ক বা ঝুঁকিপূর্ণ উপরোক্ত সকল বস্তু তথা কারণসমূহ বর্জন করা। বংশগত বা জেনেটিক কারণে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও এ পদ্ধতিতে ক্যান্সার প্রতিরোধ গড়ে তোলার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। ক্যান্সারকে পরাস্ত করতে অনেক ভাগ্যবান ক্যান্সার সারভাইভার প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি – গবেষণালব্ধ ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিহীন বিকল্প প্রাকৃতিক ক্যান্সার চিকিৎসার সুফল ভোগ করে আসছেন।

ক্যান্সার প্রতিরোধক খাদ্য সমূহ:

১) কালোজিরা : আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন -“কালোজিরায় রয়েছে মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের মহৌষধ।” কালোজিরার অলৌকিক ভেষজ কার্যকরী ক্ষমতা ক্যান্সারসহ হাজারো রোগ নিরাময়ে যে সক্ষম তা আজ প্রমাণিত সত্য। অসংখ্য বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে যে, কালোজিরার মধ্যে রয়েছে – এন্টিপ্রোলিফেরাটিভ, প্রো-অ্যাপোপটোটিক, এন্টিঅক্সিডেন্ট, সাইটোটক্সিক, এন্টিমিউটেজেনিক এবং এন্টিমেটাস্ট্যাটিক বৈশিষ্ট্য। যা ক্যান্সার প্রতিরোধ, দমন, বিস্তার রোধ ও নিরাময়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সুস্থ ও অসুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক সকলেই প্রতিদিন এক বা দু চা চামচ করে দিনে দু বা তিন বার কালো জিরার তেল খেতে পারেন। ডায়াবেটিক রোগী ছাড়া অন্যরা মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে বেশি উপকার পাবেন।

২) সাওয়ারসপ: প্রাকৃতিক ক্যান্সার প্রতিরোধক সাওয়ারসপ ফল। আমরা কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানি। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, সাওয়ারসপ ফল কেমোথেরাপির চেয়ে দশ হাজার গুণ শক্তিশালী। অতিরিক্ত না খেলে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। গাছের নাম গ্র্যাভিওলা। এর ফল ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন: সাওয়ারসপ, করোসল গুয়ানাবা, গুয়ানাভানা) ইত্যাদি। এই গাছের ফল, পাতা, ডাল, ছাল-বাকল এবং শিকড় ক্যান্সার সহ বহু রোগের নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।

৩) পত্র বহুল সবুজ শাক-সব্জী : পালং শাক, কেইল, কলার্ড গ্রীন, রোমেইন ও আরুগুলা লেটুস, ওয়াটার ক্রেস (হেলেঞ্চা শাক) সহ দেশীয় সবুজ শাক-পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও মিনারেলগুলো, এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং এনজাইম। এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়াও আছে গ্লুকোসাইনোলেটস, এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টিভাইরাল উপাদান এবং নিষ্ক্রিয় কার্সিনোজেনস। যা টিউমার সৃষ্টি রোধ, ক্যান্সার কোষ ধ্বংস ও ক্যান্সার স্থানান্তরণে বাধা প্রদান করে। কাজেই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবুজ শাক-পাতা থাকা আবশ্যকীয়।

৪) ক্যাবেজ পরিবার ভুক্ত সব্জী: বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকোলি, ওলকপি, শালগম, ব্রাসেলস স্প্রাউটে আইসোথায়োসায়ানেটস নামক ফাইটোকেমিক্যাল আছে। যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম। এছাড়াও ক্যান্সার দমনে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে অন্যান্য সব্জীও ভূমিকা রাখে, যেমন: পিয়াজ, জুকিনি, এস্পারাগাস, আর্টিচোকস, মরিচ, গাজর এবং বীট।

৫) বেরি জাতীয় ফল: ব্ল্যাক বেরি, ব্লু বেরি, স্ট্রবেরি, গোজীবেরি, রাস্পবেরি, চেরি, মালবেরি ও কামু কামু সহ বেরি জাতীয় সকল ফলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যান্সার নিরাময়ের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৬) উজ্জ্বল কমলা রঙের ফল ও সব্জী: কমলা, লেবু, জাম্বুরা, মিষ্টিকুমড়া, মিষ্টি আলু, পেঁপে, গাজর ও স্কোয়াশ সহ উজ্জ্বল বর্ণের যাবতীয় ফল ও তরিতরকারি ক্যারোটিনয়েড এন্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। বিটা-ক্যারোটিন অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ডিটক্সিফিকেশন ও ক্যান্সার রোধ করে।

৭) হলুদ: হলুদে কারকিউমিন নামক সক্রিয় উপাদান আছে যা শক্তিশালী এন্টিক্যান্সার হিসেবে কাজ করে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, এই উপকরণটি টিউমারের আকার ছোট করে এবং কোলন ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়ে। হলুদের গুঁড়ার সাথে গুলি মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে খেলে দ্রুত প্রদাহ দমন করে। তাছাড়া কাঁচা আদা, রসুন, কায়ান পেপার, ওরেগানো, তুলসী পাতা,পার্সলে ও সেলারী দিয়ে জুস বা সালাদ বানিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮) অর্গানিক মাংস : কোনো প্রকার স্টেরয়েড, হরমোন ও এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ ছাড়া পালিত মুরগির কলিজা এবং তৃণভোজী গরুর মাংস ক্যান্সার রোগীর খাদ্য তালিকায় থাকা বাঞ্চনীয়। কারণ এই পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবারে ভিটামিন বি ১২ আছে উচ্চ মাত্রায়। সেলেনিয়াম, জিংক ও বি ভিটামিন রক্ত পরিশোধন, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়াও হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে।

৯) দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য : প্রক্রিয়াকরণ দুগ্ধজাত খাবার যেমন টক দই হলো প্রোবায়োটিক বা ভালো ব্যাক্টেরিয়ার উত্তম উৎস। প্রোবায়োটিক টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে। গরু ও ছাগলের দুধ এবং পনিরে রয়েছে সালফার প্রোটিন ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট। যা ক্যান্সার রোগীর খাদ্য তালিকায় রাখা জরুরি। দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি আছে। এই ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে ক্যালসিয়াম রেকটাল সহ নানা রকমের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এছাড়াও ব্রেস্ট এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

১০) মাছ : গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, মাছের ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড -এন্টিইনফ্ল্যামেটরি, এন্টিটিউমার ও এন্টিক্যান্সার বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও বিষাক্ততা কমাতে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ফলদায়ক ভূমিকা রাখে। তৈলাক্ত মাছ খাদ্য তালিকায় রাখুন।

১১) গ্রীন টি : ক্যান্সার রোগীর মৃত্যুর প্রধান কারণ মেটাস্ট্যাসিস বা ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়া। গ্রীন টিতে আছে পলিফেনোলিক কম্পাউন্ড, ক্যাটেচিন, গ্যালোক্যাটেচিন এবং ইজিসিজি (এন্টিঅক্সিডেন্ট)। যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়, টিউমার বৃদ্ধি রোধ ও ক্যান্সার স্থানান্তরণ অর্থাৎ মেটাস্ট্যাসিস রুখে মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন গ্রীন টি পান করুন।

১২) মাশরুম: উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন মাশরুম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাশরুম রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

১৩) স্বাস্থ্যকর অপরিশোধিত ভোজ্য তেল: নারকেল তেল, তিসির তেল এবং এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল অন্ত্রে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। জলপাই তেলে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস যা প্রদাহ কমায়। এমনকি ব্রেস্ট ও কলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

১৪) বাদাম ও বীজসমূহ : বাদাম, কাজু বাদাম, পিক্যান, ওয়ালনাট, ব্রাজিল নাট ও আলমন্ডের মতো মিষ্টিকুমড়া ও সূর্যমুখী ফুলের বীজ, তিসি, তিল এবং তোমকাতে বিদ্যমান রয়েছে প্রচুর আঁশ, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও গুরুত্বপূর্ণ মিনারেলস। ক্যান্সার বিস্তার রোধে এর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।

ক্যান্সার সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, ক্যান্সার স্ক্রীনিং, যোগব্যায়াম, সুস্থ জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসই আমাদের নিষ্কৃতি দিতে পারে ক্যান্সারসহ হাজারো রোগ বালাই থেকে। প্রতিদিন আপনার খাবারের প্লেটকে রংধনুর কিছু রঙে রাঙিয়ে তুলুন। অর্থাৎ প্রত্যহ খাদ্য তালিকায় কিছু রঙিন শাক-সব্জী ও ফল-মূল রাখুন। সাধ্যমতো উপরে বর্ণিত ক্যান্সার প্রতিরোধী এক বা একাধিক খাদ্য গ্রহণ করুন। রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

বিঃ দ্রঃ- রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার জন্য নয় বরং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উপরোক্ত তথ্য সমূহ পরিবেশন করা হলো। আরো বিস্তারিত জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার হাতের মুঠোয় রয়েছে ইন্টারনেট।