ফরাসি মডেলকে নিয়ে বেসামাল আর্সেনাল তারকা উইলক

স্পোর্টস ডেস্ক : জো উইলক (১৯)। ফুটবল ক্লাব আর্সেনালের উদীয়মান তারকা বলা হয় তাকে। তিনি ক্লাবের হয়ে এক সপ্তাহ আগে এফএ কাপে বøাকপুলের বিরুদ্ধে দু’গোল করার পরেই নিজের ইমেজকে কলঙ্কিত করেছেন। ফরাসি মডেল এগল্যান্টিনে ফ্লোরে আগুইলারের (২৬) সঙ্গে উদ্দাম যৌনতায় মেতে উঠেছেন। সারারাত তাদের সেই লাগামহীন যৌনতার কাহিনী এখন ব্রিটিশ মিডিয়া ছাপিয়ে দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি তাদের একান্ত মুহূর্তগুলোর ছবিও। এখানে উল্লেখ্য, ফরাসি ওই সুন্দরী যে শুধু উইলককে শয্যাসঙ্গী করেছেন এমন না। তার এমন আরো রেকর্ড আছে।

ইংল্যান্ডের সাবেক ডিফেন্ডার অ্যাশলে কোল’কেও তিনি শয্যাসঙ্গী করেছেন এর আগে। তার সঙ্গে সম্পর্ক আছে বক্সার আমির খান, স্টোক সিটির স্ট্রাইকার সাইদো বেরাহিনো, ইতালিয়ান মারিও বালোতেলি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মারুনি ফেলাইনির সঙ্গে। তবে অ্যাশলের পথ অনুসরণ করে এগল্যান্টিনে ফ্লোরে আগুইলারের শয্যায় ধরা দিলেন উইলক। এই ইংলিশ খোলোয়ারকে নিয়ে ফুটবলবিষয়ক পÐিতরা মনে করেন, তিনি একজন উদীয়মান খেলোয়াড়। সামনে তার অনেক বড় ভবিষ্যৎ। কিন্তু মাঠের বাইরে তিনি নিজের ‘ব্যাডবয়’ ইমেজ গড়ে তুললেন। আর্সেনাল ফুটবল ক্লাবের মিডফিল্ডার উইলক। তিনি এগল্যান্টিনে ফ্লোরে আগুইলারের সঙ্গে কাটিয়েছেন সারারাত। সকাল ৬টা পর্যন্ত। অথচ ওইদিন সকালে তার ছিল ট্রেনিং সেশন। তিনিই ফরাসি ওই সুন্দরীকে ম্যাসেজ করেছিলেন ইন্সটাগ্রামে। তাকে লন্ডনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিনে দিয়েছিলেন ইউরোস্টারের টিকিট। ওই যুবতীর সঙ্গে ছিলেন আরো একজন। লন্ডনে আসার পর উইলক তাদেরকে নিয়ে গিয়েছিলেন লিবারটিনে নামে একটি এক্সক্লুসিভ নাইটক্লাবে। সেখানে দামিদামি পানীয় কিনে নেন। কয়েক হাজার পাউন্ডের পানীয় কেনে তিনি। এরপর পশ্চিম লন্ডনের কেনসিংটনে একটি ভাড়া এপার্টমেন্টে ফিরে যান। সেখানে ‘লাফিং গ্যাস’ হিসেবে পরিডিচত বেশ কিছু নাইট্রাস অক্সাইড ক্যাপসুল নিশ্বাসের সঙ্গে টেনে নেন উইলক। তারপরই এগল্যান্টিনে ফ্লোরে আগুইলারের সঙ্গে মেতে ওঠেন বাধাহীন উদ্দামতায়। ওই রাতের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে এগল্যান্টিনে ফ্লোরে আগুইলার বলেন, তাকে অত্যন্ত অপরিপক্ব বলে মনে হয়েছে আমার কাছে। সে আমাকে খুশি করতে ভীষণ তৎপর ছিল, যেন সে একজন বিগ বয়। আমাদের সম্পর্কটা দ্রæততার সঙ্গে এগিয়ে গেছে। প্রথম মিনিটে সে আমকে ইন্সটাগ্রামে ম্যাসেজ পাঠালো। পরক্ষণেই বলল, লন্ডনে আমার জন্য টিকিট কিনেছে। তার সঙ্গে আলাপচারিতা ছিল ‘বোরিং’। কারণ, তার বয়স অনেক কম। আর আমাদের শারীরিক সম্পর্ক? বাস্তবেই সেটা ছিল উদ্ভট। সে স্বল্পসময়ের মধ্যে আমার সঙ্গে সব রকম কলাকৌশল ব্যবহার করতে চেষ্টা করেছে। তবে আমি তাতে মজা পাইনি।

উইলকের নাইট্রাস অক্সাইড ব্যবহার সম্পর্কে এগল্যান্টিনে ফ্লোরে আগুইলার বলেন, যখন সে এসব ব্যবহার করছিল সে যেন পুরো নিজে হারিয়ে গেল। সে আমাকে এটা সেবনের চেষ্টা করছিল। কিন্তু আমি তা করিনি। এ ছাড়া উইলক খুব বেশি মদও পান করছিল। একপর্যায়ে সে বললো, পরের দিন বেলা ১১টায় তার প্রশিক্ষণ আছে। তবে তা নিয়ে সে বেশি তোয়াক্কা করে না। আমরা যে ক্লাবে গিয়েছিলাম সেখানে ভিআইপি এলাকায় তার জন্য একটি টেবিল রাখা ছিল। এর আগের রাতে সে সেখানে গিয়েছিল। সেখানে যাওয়ার পর সে নাচতে চাইল না। শুধু আমাদের সঙ্গে বসে থাকতে পছন্দ করলো। আর পান করছিল পানীয়। পাইপ দিয়ে শিশা নিচ্ছিল।

এগল্যান্টিনে ফ্লোরে আগুইলারের সঙ্গে অল্পসময়ের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল অ্যাশলে কোলের। সেটা ২০১৩ সালের ঘটনা। অ্যাশলে কোল সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন ডারবি কাউন্টিতে।