ফেডারেল সরকারকে ট্যাক্স বাবত নিউ ইয়র্ক দেয় বেশি, পায় কম

ঠিকানা রিপোর্ট: ফেডারেল সরকারকে ট্যাক্স বাবত নিউ ইয়র্ক স্টেট ২০১৭ সালে যে অর্থ প্রদান করেছে তার প্রতি ডলারের বিনিময়ে ৮৪ সেন্ট হারে ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে প্রণোদনা ও ব্যয় নির্বাহ বাবত ফেরত পেয়েছে। স্টেট কম্পট্রোলার থমাস ডিনাপোলির ২১ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে ডিনাপোলি দাবি করেন, যে ১১ টি স্টেট ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে পাওয়ার চেয়ে সরকারকে বেশি অর্থ ট্যাক্স বাবত পরিশোধ করে নিউ ইয়র্ক তাদের মধ্যে চতুর্থ স্থানীয়। ডিনাপোলি বলেন, নিউ ইয়র্ক স্টেট ২০১৭ সালে ফেডারেল সরকারকে ২৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি পরিশোধ করেছিল যা ফেডারেল সরকারের বিভিন্ন খাতে প্রদত্ত অনুদানের চেয়ে ঢের বেশি।
ডিনাপোলি বলেন, ২০১৭ সালে নিউ ইয়র্ক ফেডারেল সরকারকে ট্যাক্স বাবত যে অর্থ প্রদান করেছিল তার ৯০% বা সর্বমোট ২২৫.৭ বিলিয়ন ডলার বিভিন্ন পরিষেবা খাতে অনুদান হিসেবে ফেডারেল সরকার থেকে পেয়েছে। ডিনাপোলি বলেন, সাদামাটা কথা হচ্ছে ২০১৭ সালে নিউ ইয়র্ক স্টেট ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে পাওয়ার চেয়ে ২৪ বিলিয়ন ডলার বেশি কর হিসেবে পরিশোধ করেছে এবং সর্বোচ্চ ট্যাক্সদাতা নিউ জার্সী, ম্যাসাচুসেটস ও কানেকটিকাটের পরের স্থান দখল করেছে। ডিনাপোলি আরও বলেন, ২০১৬ সালে নিউ ইয়র্ক স্টেট ফেডারেল সরকারকে ট্যাক্স হিসেবে যে অর্থ দিয়েছিল তার প্রতি ডলারের স্থলে মাত্র ৮৪ সেন্ট অনুদান হিসেবে ফেরত পেয়েছিল। মেডিকেইড এবং অ্যাফোর্ড্যবল কেয়ার অ্যাক্টের দ্বারা প্রদত্ত অন্যান্য হেলথ কেয়ার প্রোগ্রামের তহবিল বাড়ানোর কারণে এ ধরনের ফলাফল হয়েছে বলে ডিনপোলি জানান।
ওয়াশিংটনে ট্যাক্স বাবত প্রেরিত প্রতি ডলারের বিপরীতে স্টেটগুলো ২০১৭ সালে গড়ে ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে ব্যয় করার জন্য ১.১৯ ডলার হারে পেয়েছে। ডিনাপোলি বলেন, নিউ ইয়র্ক ওয়াশিনটনে যা পাঠায় তার চেয়ে কম পায়। তাই ভারসাম্য বজায় রাখার খাতিরে ফেডারেল ট্যাক্স কমানোরও হুমকি দিয়েছেন ডিনাপোলি। ডিনাপোলি বলেন, স্টেট নিজস্ব বাজেটের এক-তৃতীয়াংশের জন্য ফেডারেল সরকারের উপর নির্ভর করে। তাই প্রদত্ত ট্যাক্স ডলারের সাথে প্রাপ্ত অনুদানের মধ্যকার ভারসাম্যহীনতা বিদ্যমান থাকে। ডিনাপোলি বলেন, তাই ফেডারেল অনুদান বাবত নিউ ইয়র্ক স্টেটের ন্যায়সঙ্গতভাবে আরও বেশি পাওয়া উচিত। ডিনাপোলি জানান, বিগত কয়েক শক ধরে এ ভারসাম্যহীনতা চলে আসছে।