ফ্রান্স-জার্মানি সম্পর্ক জোরদারের প্রয়াস

ঠিকানা অনলাইন : ফ্রাঙ্কো-জার্মান সহযোগিতার ৬০ বছর উদযাপন করতে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ ২২ জানুয়ারি (রবিবার) প্যারিস সফর করেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন ও বৃহত্তর টেকটোনিক পরিবর্তনের কারণে ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বের টানাপোড়নের প্রেক্ষাপটে সম্পর্ক জোরদারে এ উদযাপন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট (গ্রিনিজ মান সময় ১২৩০টা) থেকে যৌথ মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে সকালে সোরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই নেতার (ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ) সাক্ষাৎ হয়।

প্রসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাথে শোলজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক উষ্ণ নয়। তবে বার্লিনে জার্মান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস (ডিজিএপি)-এর গবেষক জ্যাকব রস বলেন, ‘ব্যক্তিগত সম্পর্কের চেয়েও অনেক বেশি কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে।’

এমনকি জনসাধারণের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়ন অনুভূত হচ্ছে। এই সপ্তাহে রাজনৈতিক ও জনমত জরিপ সংস্থা পোলস্টার পাবলিক অ্যাফেয়ার্স (ইপসোস)কে ৩৬ শতাংশ ফরাসি ও ৩৯ শতাংশ জার্মান উত্তরদাতা বলেছেন যে সম্পর্কগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। খবর এএফপি’র।

১৯৬৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নেতা কনরাড অ্যাডেনাউয়ার ও চার্লস দ্য গলের মধ্যে এলিসি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটিতে সামরিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে যুব বিনিময় পর্যন্ত সবকিছুর উল্লেখ করা হয়। তারপর থেকে, ফ্রান্স ও জার্মানি প্রায়শই ইউরোপে যৌথ সংকট প্রতিক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি করে এবং অন্যান্য দেশগুলো এখন আবার তাদের দিকেই তাকিয়ে থাকে।

ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার মোকাবেলা করার জন্য ইউক্রেন সংঘাতসহ জলবায়ু, শক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রে ‘বাই-আমেরিকান’ ভর্তুকির একটি নতুন তরঙ্গের মুখোমুখি হওয়া শীর্ষ সমস্যার অন্তর্ভুক্ত।

জার্মানির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বুন্দেস্তাগ-এর প্রেসিডেন্ট বায়েরবেল বাস এএফপিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘উভয় দেশেই আমরা সচেতন যে আমরা ইউরোপের মোটর।’ তিনি বলেন, রবিবার উদযাপনের ফলে ফরাসি-জার্মান সম্পর্ক নতুন গতি পাবে বলে আমি অত্যন্ত আশাবাদি।

ঠিকানা/এম