বর্ণবাদী আচরণের সাজা বাড়ালো এফএ ও ফিফা

স্পোর্টস ডেস্ক : গেল মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বেশ কয়েকবার বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ ওঠে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে। সে কারণে নতুন মৌসুম শুরুর আগে বর্ণবাদী আচরণের দায়ে সাজার মেয়াদ বাড়িয়েছে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। প্রথমবার এমন আচরণে দোষীদের সাজার মেয়াদ ৫ ম্যাচের পরিবর্তে ৬ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

এফএ’র সাজার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। তবে সেটি নির্ভর করছে ঘটনার মাত্রার উপর। মাঠে ও মাঠের বাইরে এমন ঘটনার সঙ্গে আরো কোন পন্থায় লড়াই করা যায় সেটি নিয়েও আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এফএ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, ‘এর অংশ হিসেবে এফএ বর্ণবাদী ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বনিম্ন সাজার মেয়াদ কতটুকু করা যায় সেটি নিয়ে পর্যালোচনা করবে।’ প্রসঙ্গত, ব্রিটিশ বর্ণবাদ বিরোধী সংস্থা কিক ইট আউটের বার্ষিক রিপোর্ট বিশ্লেষণ শেষে দেখা যায়, গত মৌসুমে ইংলিশ ফুটবলে বর্ণবাদী আচরণের মাত্রা বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। প্রিমিয়ার লিগের হোম ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলা রাহিম স্টার্লিং নিগৃহীত হয়েছিলেন বেশ কয়েকবার।

ওই ঘটনায় জড়িত সমর্থককে গত সপ্তাহে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করেছে চেলসি।

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাও বর্ণবাদী আচরণের কারণে সাজার মেয়াদ দ্বিগুণ করে ১০ ম্যাচে উন্নীত করেছে। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে এ ধরনের ঘটনা কমিয়ে আনতেই তাদের এ পদক্ষেপ। এ দিকে দলীয় কোচ বা অন্য ব্যাকরুম স্টাফদের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপরাধে হলুদ ও লাল কার্ড প্রদর্শনের ক্ষমতা ম্যাচ কর্মকর্তাদের হাতে ন্যস্ত করেছে এফএ। কোনো দলের সদস্য যদি মৌসুম চলাকালে চারবার হলুদ কার্ড দেখেন তাহলে এক ম্যাচে টাচলাইন নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে হবে তাকে। আটবার হলুদ কার্ডের জন্য রয়েছে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা। কোনো কর্মকর্তা যদি এক মৌসুমে ১৬ বার হলুদ কার্ড দেখেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হবে এবং তাকে স্বাধীন নিয়ন্ত্রক (রেগুলেটরি) কমিশনের মুখোমুখি হতে হবে।