বাংলাদেশিদের জন্য কনসালটেশন ফ্রি

গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রিন্সিপাল অ্যাটর্নি নরেশ এম গেহি। ইমিগ্র্যান্ট, সিটিজেন ও আনডকুমেন্টেড লোকদের যেকোনো জটিল সমস্যার আইনি সমাধান দিচ্ছেন তিনি। অ্যাটর্নি নরেশ গেহি বলেন, দিন দিন আমেরিকায় ইমিগ্র্যান্ট ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন আসছে। ফলে ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করাও কঠিন হচ্ছে। তাই যাদের ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত বা অন্য যেকোনো ধরনের সমস্যা আছে, তা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। বাংলাদেশি আমেরিকান কিংবা এখানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত, তাদের গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসে এসে পরামর্শ বা সমাধান নেওয়ার জন্য তিনি তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের সঙ্গে পরামর্শ করার জন্য কোনো ফি দিতে হবে না। এমনকি বাংলাদেশিদের জন্য প্রথমবার কনসালটেশন সম্পূর্ণ ফ্রি। তারা যেকোনো জটিল কেস সমাধানে বেশ অভিজ্ঞ বলেও জানান। ঠিকানার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি নরেশ এম গেহি।

আইনি সমাধান দিচ্ছেন অ্যাটর্নি গেহি

নাশরাত চৌধুরী : গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রিন্সিপাল অ্যাটর্নি নরেশ এম গেহি। ইমিগ্র্যান্ট, সিটিজেন ও আনডকুমেন্টেড লোকদের যেকোনো জটিল সমস্যার আইনি সমাধান দিচ্ছেন তিনি। অ্যাটর্নি নরেশ গেহি বলেন, দিন দিন আমেরিকায় ইমিগ্র্যান্ট ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন আসছে। ফলে ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করাও কঠিন হচ্ছে। তাই যাদের ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত বা অন্য যেকোনো ধরনের সমস্যা আছে, তা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। বাংলাদেশি আমেরিকান কিংবা এখানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত, তাদের গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসে এসে পরামর্শ বা সমাধান নেওয়ার জন্য তিনি তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের সঙ্গে পরামর্শ করার জন্য কোনো ফি দিতে হবে না। এমনকি বাংলাদেশিদের জন্য প্রথমবার কনসালটেশন সম্পূর্ণ ফ্রি। তারা যেকোনো জটিল কেস সমাধানে বেশ অভিজ্ঞ বলেও জানান। ঠিকানার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি নরেশ এম গেহি।
গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস যুক্তরাষ্ট্রে খ্যাতনামা ল’ ফার্মের একটি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে তারা ইমিগ্র্যান্ট, সিটিজেন ও আনডকুমেন্টেড লোকদের নানা রকম আইনি সহায়তা দিয়ে আসছে। তারা ওই ফার্মের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন, ব্যাংকক্রাপসি, ক্রেডিট কার্ড ম্যাটারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আইনি সেবা দিয়ে থাকেন। গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন, ডিপোর্ট হওয়া, ক্রেডিট কার্ড-সংক্রান্ত সমস্যা কিংবা জটিলতায় ল’ ফার্মটি আইনি সহায়তা দিচ্ছে। ডেট কালেক্টর কর্তৃক ফোন, ডেট পরিশোধ করতে না পারা, ব্যাংক হিসাব সিল্ড, ক্রেডিটরস দ্বারা ভোগান্তির শিকার হলেও এখানে এসবের সঠিক সমাধান পাওয়া যাবে। পারিবারিক সমস্যার সমাধান, ডমেস্টিক ভায়োলেন্স-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পেতেও গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের শরণাপন্ন হওয়া যাবে।
ল’ ফার্মটির প্রিন্সিপাল নরেশ এম গেহি বলেন, যারা উল্লিখিত সমস্যাগুলোর সঠিক সমাধান পেতে গলদঘর্ম হচ্ছেন, তাদের জন্য রয়েছে তুলনামূলক কম ফিতে সন্ধ্যা এবং সপ্তাহে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার সুযোগ। তিনি আরো জানান, তারা যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি অফিসের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছেন। ফরেস্ট হিলের কুইন্স বুলেভার্ডে, জ্যামাইকায় জ্যামাইকা অ্যাভিনিউর ১৭৩ স্ট্রিটে, লিবার্টি অ্যাভিনিউর ওজন পার্কে অফিস তিনটি অবস্থিত। অফিস সময় রোববার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। ভারতেও তাদের অফিস রয়েছে। তিনি বলেন, প্রথম কনসালট্যান্সির জন্য কোনো ফি লাগবে না। লেবার-সংক্রান্ত বিষয়েও অগ্রিম কোনো ফি দিতে হবে না। সমস্যাগ্রস্তরা নথিপত্রসহ সরাসরি অথবা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়েও আসতে পারেন।
তিনি বলেন, কেবল অর্থ উপার্জনই নয়, সামাজিক দায়িত্ব আমরা পালন করাও তাদের উদ্দেশ্য। তাই সমস্যাগ্রস্ত কোনো মানুষের কাছে অর্থ না থাকলেও তারা তাকে সেবা দেন।
প্রতিষ্ঠানের সাফল্য সম্পর্কে গেহি বলেন, তাদের ফার্মটি অনেক পুরোনো। তার দাদাও অ্যাটর্নি ছিলেন। তিনি আমেরিকায় আসার পর জুরিস ডক্টরেট ডিগ্রি করেন। এরপর এই পেশায় যোগ দিয়ে এখনো নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের প্রতিষ্ঠানের সুনামের পেছনে মূল কারণ হলো কেসে তাদের সাফল্য বেশি। এ কারণে তাদের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে। দিন যত যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানের পরিধিও তত বাড়ছে। এখানে ইমিগ্রেশন, ব্যাংকক্রাপসি, ক্রেডিট ম্যাটার ছাড়াও ডিভোর্স, চাইল্ড সাপোর্ট, চাইল্ড কাস্টডি, সিটিজেনশিপ, ভিসা প্রসেসিং, ডিটেনশন, প্রিয়ন্সি ভিসা-সংক্রান্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবী ও অ্যাটর্নি রয়েছেন। এখানে রয়েছে বাঙালি স্টাফ। তাই বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজন নিজ ভাষায় কথা বলে স্বাচ্ছন্দ্যে সেবা নিতে পারছেন।
বর্তমানে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় নানা ধরনের পরিবর্তন আসছে, তাতে মানুষের কী কী সমস্যা হতে পারে-এ বিষয়ে জানতে চাইলে গেহি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন এই সেক্টরে বিভিন্ন পরিবর্তন আনছে। ফলে আগে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা যতটা সহজ ছিল, আগামী দিনে ততটা সহজ হবে না। প্যান্ডামিক শুরু হওয়ার পর সব ধরনের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ইমিগ্র্রেশন-সংক্রান্ত ভিসা ইস্যু বন্ধ আছে। এটি ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে নাকি আরও বাড়বে, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। ট্রাম্প পুনরায় নির্বাচিত হলে ইমিগ্রেশন-ব্যবস্থা আরো কঠিন হবে। তাই আমি বলব, যারা গ্রিন কার্ড হোল্ডার, তারা যদি সিটিজেন হওয়ার আবেদন করার যোগ্য হয়ে থাকেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব অভিজ্ঞ অ্যাটর্নির সঙ্গে পরামর্শ করে সিটিজেনশিপ আবেদন করুন। যারা এখনো আনডকুমেন্টেড আছেন, তারা যত দ্রুত সম্ভব ডকুমেন্ট পাওয়ার জন্য আবেদন করুন। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে একটি লিগ্যাল স্ট্যাটাস নিয়ে থাকা উচিত। কোনোভাবেই বেআইনিভাবে থাকবেন না। যারা অ্যাসাইলাম কেস আবেদন করতে চান, তারাও যত দ্রুত সম্ভব আবেদন করুন। কারণ এখনো যে অবস্থা আছে, তাতে করে মানুষ ইমিগ্র্যান্ট হতে পারবে কিংবা লিগ্যাল ডকুমেন্ট পাচ্ছে। আগামী দিনে ডকুমেন্ট পাওয়া যেমন কঠিন হবে, তেমনি অ্যাসাইলাম কেসের ব্যাপারে আরো কড়াকড়ি করা হবে। অ্যাসাইলাম কেসের আবেদন যারা করবেন, তারা আগে ওয়ার্ক অথরাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারতেন এবং গ্র্যান্টও হতো। কিন্তু এখন নতুন নিয়ম করা হচ্ছে আবেদন গ্র্যান্ট না হলে ওয়ার্ক অথরাইজেশনের জন্য এক বছরের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এ ব্যবস্থার কারণে অনেকেরই কার্ড পেতে দেরি হবে।
পাবলিক চার্জ রুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা আগামী দিনে অনেকের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে। পাবলিক চার্জ সুবিধা নিলে গ্রিন কার্ড পাওয়া যাবে না জেনেও এখনো অনেকে এই সুবিধা নিচ্ছেন। আবার গ্রিন কার্ডধারীদের অনেকেই নানা সুবিধা নিচ্ছেন। আমার পরামর্শ হলো সিটিজেন হওয়ার আগে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ পাবলিক চার্জ রুলের সুবিধা নেবেন না। কারণ প্রশাসন চিন্তা করবে, যিনি পাবলিক চার্জের সুবিধা নেন, তিনি তো এ দেশের সরকার ও জনগণের বোঝা। ফলে তার আবেদন ডিনাই হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, যারা এই দেশে ইমিগ্র্যান্ট বা সিটিজেন হতে চান, তারা সরকারি সুবিধা না নিলে সরকার এটাকে ইতিবাচকভাবে নেবে। তাছাড়া বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো যদি বেশি সুবিধা নেয়, তাহলে প্রমাণিত হবে আমরা এ দেশের জন্য বার্ডেন হয়ে উঠছি।
বাংলাদেশিরা কোন ধরনের কেস বেশি করেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকেই ব্যাংকক্রাপসি, ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, পারিবারিক বিরোধ-নির্যাতন, ডমেস্টিক ভায়োলেন্স করেন। আবার কেউ কেউ ক্রেডিট কার্ডের দেনা পরিশোধ করতে পারেন না। তখন তাদের ক্রেডিট স্কোর কমতে থাকে। বিপদে পড়ে ক্রেডিট স্কোর বাড়ানোর জন্য পরামর্শদাতাদের সাহায্য নেন। অনেক পরামর্শদাতা ক্রেডিট স্কোর বাড়িয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও ভুক্তভোগীদের বেশিরভাগই বিপদে পড়েন। তাই এসব বিষয়ে পরামর্শের জন্য অ্যাটর্নি ছাড়া অন্য কারো কাছে যাওয়া উচিত নয়।
আন-এমপ্লয়মেন্টের সুবিধা নেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, প্যান্ডামিক শুরু হওয়ার পর মানুষ কাজ করতে পারেনি। লেবার ডিপার্টমেন্ট থেকে অনেকেই আন-এমপ্লয়মেন্ট সুবিধা নিয়েছেন। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যাদের কাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ আছে, তাদের কাজে যাওয়া উচিত। একান্ত নিরুপায় না হলে লেবার ডিপার্টমেন্টের সুবিধা না নেওয়াই ভালো। কারণ সেটা যেকোনো সময় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
কারেন্ট সিচুয়েশনের বিষয়ে তিনি বলেন, আনডকুমেন্টেড লোকদের চেষ্টা করা উচিত ডকুমেন্টের জন্য। অনেক বাংলাদেশির কোনো ডকুমেন্ট নেই। বিয়ে, চাকরি অথবা স্পনসরের মাধ্যমে যে কেউ এ দেশে ইমিগ্র্যান্ট হওয়ার সুবিধা পেতে পারেন। এ দেশে যে যা-ই করুন, আইন মেনে সরকারকে সঠিক তথ্য দিন। সত্য তথ্য দিয়ে কোনো সুবিধার জন্য বিবেচিত হলে তখনই কেবল সুযোগটা নিন। জেনেবুঝে কোনো ধরনের অপরাধ করবেন না। বেআইনিভাবে কিংবা মিথ্যা তথ্য দিয়ে কোনো সুবিধাও নিতে যাবেন না। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আইনজীবী বা অ্যাটর্নির পরামর্শ নিন।
গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের স্বত্বাধিকারী বলেন, বাংলাদেশিরা এ দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের মধ্যে অনেকেই স্টাফদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করেন না। কম বেতন দেন, কম আওয়ার দেখান, আয়কর ফাঁকি দেন। আবার অনেকে চেকে বেতন না দিয়ে ক্যাশ দেন। ভুক্তভোগী স্টাফরা আমাদের কাছে এলে আমরা বিনামূল্যে তাদের পরামর্শ দেব এবং লেবার আইনে সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
কারো আইডি বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হলে তার কী করণীয়-এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকেই মোবাইল ফোন, কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে ব্যক্তিগত তথ্য রাখেন। কখনো কখনো যেখানে-সেখানে তথ্য দেন। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস হ্যাকের মাধ্যমে তথ্য চুরি হতে পারে। তাই এগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে বক্সডট কম-এ রাখা যেতে পারে। সেটা নিরাপদ।
ইমিগ্রেশন বিষয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছে গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। জটিল অ্যাসাইলাম কেস, ডিপোর্টেশন কেস, ফ্যামিলি বেজ ইমিগ্রেশন, এমপ্লয়মেন্ট ইমিগ্রেশন, ম্যারিজ ভিসা, ম্যারিজ বেজড ইমিগ্রেশনসহ যাবতীয় ইমিগ্রেশন কেস তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে করে থাকে। বর্তমানেও তাদের হাতে অনেক কেস রয়েছে।
নিজেদের সফলতার উদাহরণ দিতে গিয়ে অ্যাটর্নি গেহি বলেন, এক লোক সরকারি সংস্থা দ্বারা গ্রেফতার হওয়ার পর ডিটেইন হয়েছে। এরপর তার কেস ইমিগ্রেশন জজ কর্তৃকও ডিনাই হয়েছে। আমরা সেটি ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডে দক্ষতার সঙ্গে আপিল করি। পরে সেটি মঞ্জুর হয়। এছাড়া এক যুবক বাংলাদেশ থেকে এখানে আসার সময় বর্ডারে গ্রেফতার হয়। তার ইমিগ্রেশন জেল হয়। তাকে ইমিগ্রেশন জজ ডিনাই করেন। ফলে তাকে দেশে পাঠানোর উপক্রম হয়। আমরা সে ক্ষেত্রেও সফল হই। তাকে দেশে ফেরত যেতে হয়নি। ফ্রড কেসের জন্য একজন আবেদনকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পর আমরা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পর তাকে আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা হয়। এ ধরনের অনেক সাফল্য রয়েছে আমাদের প্রতিষ্ঠানের।
গেহি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস আমেরিকান ইমিগ্রেশন আইনজীবী সমিতির সদস্য, আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং অ্যাসোসিয়েশন অব নির্বাসন প্রতিরক্ষা অ্যাটর্নির সদস্য। এটি স্ব^নামধন্য একটি বুটিক আইন সংস্থা, যা অত্যন্ত জটিল অভিবাসন ক্ষেত্রে আইনি সহায়তা করে। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি স্টেটে ইমিগ্রেশন আইন অনুশীলনের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত। তাদের উচ্চপ্রশিক্ষিত কর্মীরা পরিবারভিত্তিক অভিবাসন, কর্মভিত্তিক অভিবাসন, জটিল ফেডারেল ইমিগ্রেশন মামলা এবং গুরুতর নির্বাসন মামলায় অভিজ্ঞ। এইচ-১ বি ভিসা, ওয়ার্ক অথরাইজেশন, এল-১ ভিসা এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক কেসও তারা পরিচালনা করে।