বাসাভাড়া দেয়ার সামর্থ্য নেই আলেক্সজান্দ্রিয়ার

ঠিকানা রিপোর্ট: এবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রায় শতাধিক নারী নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন বেশ কয়েকজন। তার মধ্যে দুই জন মুসলিম নারী এবং আরেকজন হচ্ছেন আলেক্সজান্দ্রিয়া ওকাসিও কার্টেজ। তিনি ডেমক্র্যাটিক পার্টি থেকে নিউইয়র্কের ১৪ আসন থেকে নির্বাচিত হন। তিনি পরাজিত করেছেন ডেমক্র্যাটিক পার্টির শক্তিশালী প্রার্থী এবং ককাসের চেয়ারম্যান জোসেফ ক্রাউলিকে। মাত্র ২৯ বছর বয়সে কংগ্রেস সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এ যাবতকালের সর্বকনিষ্ঠ নারী কংগ্রেস সদস্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবে তার একটি সমস্যা আছে। তা হলো, বাসা ভাড়া দেয়ার সামর্থ্য নেই তার। জানুয়ারিতে তিনি নতুন দায়িত্ব পাচ্ছেন কংগ্রেস সদস্য হিসেবে। তিনি এ নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন। বলেছেন, ওয়াশিংটন ডিসিতে তাকে একটি এপার্টমেন্ট ভাড়া নিতে হলে প্রথম বেতন ( পে চেক) প্রয়োজন।
তার এমন অবস্থার জন্য তাকে বলা হচ্ছে মিলেনিয়াল কংগ্রেসওম্যান। তবে তার সমালোচনা করেছেন ফক্স নিউজের প্রেজেন্টার এড হেনরি। তিনি বলেছেন, পুরো সত্য বলছেন না ওকাসিও-কর্টেজ। কারণ, তিনি একটি ম্যাগাজিনের জন্য পোজ দিয়েছেন কয়েক হাজার ডলার দামের পোশাক পরে। টুইটারে এর জবাবও দিয়েছেন ওকাসিও-কর্টেজ। তিনি বলেছেন, ওই ফটোশুটের জন্য তিনি ওই পোশাকগুলো ধার করেছিলেন অন্যের কাছ থেকে। তিনি বলেছেন, আমার কাছে আসলে অর্থ নেই। জানুয়ারিতে অর্থ পাবো সে আশায় রয়েছি। তার এমন টুইটের প্রশংসা করেছেন অনেকে।
তার এমন টুইটের জবাবে একজন লিখেছেন, ওকাসিও-কর্টেজ ওয়াশিংটন ডিসিতে বাসা ভাড়া দেয়ার সক্ষমতা রাখেন না। হাজার বছরের মধ্যে এটা বিরল। আমি সততার সঙ্গে এর প্রশংসা জানাই।
নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকেই তিনি দারিদ্র্য, সম্পদের সমতা ও অভিবাসন ইস্যুতে প্রচারণা চালান। তিনি পুয়ের্তো রিকোর পিতামাতার ঔরসে ব্রঙ্কসে জন্মগ্রহণ করেন। নিজেকে তিনি একজন খেটে খাওয়া মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেন। সমাজকর্মী হিসেবে তিনি ২০১৮ সালের শুরু পর্যন্ত কাজ করেছেন রেস্তোরায়। তার আর্থিক বিবরণে দেখা যায় তিনি গত বছর উপার্জন করেছেন প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ ডলার।