বিতর্কের মধ্যেই পদত্যাগ

ঠিকানা ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঘিরে ক্রমেই জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। কংগ্রেসের সামনে বয়ান দেয়ার আগে পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনে নিযুক্ত বিশেষ মার্কিন দূত কার্ট ভলকার। হুইসলবোয়ারের অভিযোগপত্রে তারও নাম রয়েছে। কার্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ট্রাম্পের অনুরোধকে বাস্তবায়িত করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে সাহায্য করেছিলেন তিনি। খবরটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘দ্য স্টেট প্রেস’ নামে স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে।
শুক্রবার রাতের দিকে জানা যায়, মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব মাইক পম্পেও-কে ডেকে পাঠিয়েছে কংগ্রেস। তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ইউক্রেন সরকারের সঙ্গে ট্রাম্প এবং তার আইনজীবীদের মধ্যে যোগাযোগের বিস্তারিত দলিল তুলে দিতে। পম্পেও সেই নির্দেশ পালনের আগেই পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন কার্ট। কার্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ট্রাম্পের আইনজীবী রুডি গিউলিয়ানির সঙ্গে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির প্রতিনিধির বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। এই বৈঠকে রুডি ইউক্রেনের এই প্রতিনিধিকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন জো বাইডেনের ছেলের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে এবং কী ধরনের তদন্ত করা যায়। জেলেনস্কির ‘দূত’ তাতে সন্তুষ্ট হয়েছিলেন কি না, সেটা অবশ্য জানা যায়নি। প্রসঙ্গত, ২০২০-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের তরফে বাইডেনের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তিনি ওবামার আমলে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়ে ছিলেন।
এ দিকে ইমপিচমেন্ট তদন্তের প্রক্রিয়া যত এগোচ্ছে ততই সামনে আসছে নিত্যনতুন তথ্য। এ দিন জানা গিয়েছে, শুধু ইউক্রেন নয়, আরও কিছু দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে ট্রাম্পের কথোপকথন আড়াল করার চেষ্টা করেছে হোয়াইট হাউজ। সেই তালিকায় রয়েছে সউদীর যুবরাজ এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের নামও। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ বিদেশ মন্ত্রী সার্গেই লাভরভের সঙ্গে ট্রাম্পের একটি বৈঠক হয়েছিল। যেখানে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মস্কোর ‘প্রভাব’ নিয়ে কথা হয়েছিল। সেই বৈঠকের খুঁটিনাটিও প্রকাশ করা হয়নি।