বিন্দুর খোঁজ নেই!

তৃণমূল থেকে উঠে এসে ২০০৬ সালের লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতার প্রথম রানার আপ নিবাির্চত হন আফসান আরা বিন্দু। তারপর টিভি নাটক- টেলিছবি, বিজ্ঞাপন ও চলচ্চিত্রে কাজ করে শীষর্ অভিনেত্রীদের কাতারে নিজেকে দাঁড় করান তিনি। প্রথম ‘দারুচিনি দ্বীপ’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি মিডিয়া অঙ্গনে পা রাখেন। পরে শাকিব খানের সঙ্গে ‘এই তো প্রেম’ ছবিতে অভিনয় করেও বেশ আলোচনায় আসেন তিনি। তাকে নিয়ে চলচ্চিত্র নিমার্তাদের প্রত্যাশাও বেড়ে যায়। অনেকে বিন্দুকে চলচ্চিত্রের সম্ভাবনাময়ী অভিনেত্রী হিসেবেও দেখেন। কিন্তু সম্ভাবনার মৃত্যু ঘটিয়ে হঠাৎ করেই উধাও হয়ে যান এই তারকা। প্রায় এক বছর ধরে বিন্দুর কোনো সন্ধান দিতে পারছেন না কেউ।
এমনকি তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির কেউই বলতে পারছেন না- কেথায় আছেন তিনি। মিডিয়ার দীঘির্দনের সহকমীর্রাও জানেন না, বিন্দুর চলমান অবস্থান। বিন্দুর মুঠোফোন এবং ফেসবুক আইডিও বন্ধ। বিন্দুর কোনো হদিস না পেয়ে ক্রমশ উৎকণ্ঠা বাড়ছে সহকর্মীদের। তারাও ব্যক্তিগতভাবে খোঁজখবর নিয়েও ব্যথর্ হচ্ছেন।
এদিকে শোবিজ অঙ্গনে গুজব রটেছে, স্বামী-সংসার ছেড়ে স্বেচ্ছায় নিবার্সনের পথ বেছে নিয়ে চুপিসারে নীরব জীবন-যাপন করছেন বিন্দু। গোপন একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর বিন্দু কাউকেই তার অবস্থান জানাচ্ছেন না। একা একা বাস করছেন।
অন্য আরেকটি সূত্র বলছে, বিন্দুর স্বামী আসিফের সঙ্গে সংগীতশিল্পী হৃদয় খানের প্রথম স্ত্রী মডেল অভিনেত্রী সুজানার গোপন প্রেমের কারণেই ঘর ভেঙেছে বিন্দুর। আসিফ-সুজানার সাম্প্রতিক সম্পকের্ক বিন্দু মেনে নিতে পারছেন না বলেই বিন্দু সবকিছু থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। দূরে রয়েছেন মিডিয়া আর মিডিয়াসংশ্লিষ্ট কাছের মানুষদের থেকেও। যদিও সুজানা এটিকে মিথ্যে অপপ্রচার বলে দাবি করেন। বিন্দুর স্বামীও এই বিষয়ে কোনো মুখ খোলেননি। বিন্দুর বতর্মান অবস্থান সম্পকের্ জানার জন্য তার স্বামী আসিফের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বিন্দুর শুভাকাক্সক্ষী, সহকমীর্ ও ভক্তদের প্রশ্ন তাহলে বিন্দু কোথায়? তবে কি শোবিজের দুনিয়া ছেড়ে নিজেকে আড়াল করে নিয়েছেন তিনি। তাকে কি আর কখনো রঙিন দুনিয়ায় দেখা যাবে না। এই সময়ে বিন্দু কি দেশে নাকি দেশের বাইরে বসবাস করছেন- সেটিও কেউ নিশ্চিত নন।