বিশ্বের ফার্স্টলেডিরা এখন ফ্রান্সে

ঠিকানা অনলাইন : ফ্রান্সে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের অনেকের দৃষ্টি এতে যোগ দেয়া নেতাদের স্ত্রীদের প্রতি। তাদের পোশাক, সাজার ধরন, স্টাইল। সবই নজরে রেখেছে মানুষ। রোববার সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে তারা একত্রিত হয়ে ছবি তুলেছেন। প্রতিজন নেতা ও তার স্ত্রী একত্রিত হয়ে গ্রুপ ছবি তুলেছেন। কিন্তু এদিন বেশির ভাগ মানুষের চোখ ছিল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের স্ত্রী ব্রিজিত ম্যাক্রনের (৬৬) দিকে। একদিনেই তিনি তিনবার পোশাক পরিবর্তন করেছেন। 

বয়স অনেকটা বেশি হলেও তিনি যেন ছিলেন প্রাণবন্ত।কাউকে বুঝতেই দেননি তার ত্বকে ভাঁজ পড়েছে। তিনি বরং অন্য ফার্স্টলেডিদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিয়েছেন। তাদেরকে মাতিয়ে রেখেছেন। রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সহ সব নেতা ও তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে পোজ দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন ও তার স্ত্রী ব্রিজিত। এ সময় ব্রিজিত ছিলেন ফ্যাকাশে বেল্টযুক্ত একটি পোশাক। রোববার ফ্রান্সের বিয়ারিটজ শহরে সম্মেলনস্থলে যখন রাতের অন্ধকার নেমেছে, তখন পায়ে হাই হিল জুতো পরে সেখানে উপস্থিত ব্রিজিত। তার স্বামী ইমানুয়েল ম্যাক্রন ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল যখন তার দিকে তাকিয়ে আছেন, তখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চিবুকে চুম্বন এঁটে দেন। 

তবে এর আগে তিনি ঢিলেঢালা একটি সাদা শার্ট ও নীল রঙের জিন্স পরে উপিস্থিত হয়েছিলেন সম্মেলনস্থলে। তারও আগে তিনি পরেছিলেন গ্লামারাস একটি লাল পোশাক। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পসহ শীর্ষ নেতাদের স্ত্রীদের নিয়ে তিনি গিয়েছিলেন বাস্ক গ্রাম দেখতে।  বাস্ক গ্রামে তাকে দেখা যায় একটি কালো চশমা পরে পোজ দিতে। উল্লেখ্য, এ সম্মেলনে নিজের স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড ছিলেন না বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে।