বিশ্ব ইজতেমা শুরু ১৩ জানুয়ারি

ফাইল ছবি

ঠিকানা অনলাইন : করোনা মহামারির কারণে বিশ্ব ইজতেমা দুই বছর বন্ধ থাকার পর আগামী বছর টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে দুই পর্বে। তাবলিগ জামাতের মধ্যে বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যকার বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রথম পক্ষের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পক্ষের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি। এ উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতির পরিকল্পনা নিয়েছেন তাবলিগ জামাতের মুরব্বিরা।

১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসন্ন বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ ও আইনশৃঙ্খলা-বিষয়ক এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান দুলাল এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডিএমপির কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম, র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পুলিশ কমিশনার, গাজীপুর জেলা পুলিশের এসপি এবং তাবলিগ জামাতের মুরব্বিরা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে গত ২ বছর বিশ্ব ইজতেমা হয়নি। এবার পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ২০২৩ সালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংক্ষিপ্ত পরিসরে টঙ্গীর মাঠে ইজতেমা করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, মতবিরোধ নিরসনে এবারও দুই ভাগে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা জুবায়ের আহমদ গ্রুপ প্রথমে ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারি ইজতেমা করবে। দ্বিতীয় পক্ষের নেতা মাওলানা ওয়াসিফুল ইসলাম গ্রুপের ইজতেমা হবে ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি। তিনি বলেন, ইজতেমায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। দূরে বসা, মাস্ক পরা এবং টিকা নেওয়া ছাড়া কেউ ঢুকতে পারবেন না।

আয়োজক কমিটির মুরব্বি ডা. কাজী সাহাবুদ্দিন বলেন, আমরা আশা করছি এবার বিশ্ব ইজতেমা হবে। ইজতেমা হওয়ার খবর পেয়ে মুসল্লিদের মাঝে খুশির বন্যা বইছে।

ঠিকানা/এনআই