ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে লাখ লাখ প্রাণহানির আশঙ্কা

ঠিকানা রিপোর্ট : ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে কমপক্ষে ২৪ লাখ লোক প্রাণ হারাতে পারেন। দ্য অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো অপারেশন অ্যান্ড ডেভলপমেন্টের (বা ওইসিডি ) এক সতর্ক বার্তায় বলা হয় যে অধিকাংশ অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ব্যর্থ হওয়ায় দুশ্চিন্তা তুঙ্গে উঠেছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্যানুযায়ী ২০১৫ সালে ইউরোপের ৩৩ সহ¯্রাধি প্রাণ অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী এই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে অকালে ঝরে গেছে। প্রতিবেদন অনুসাওে ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় সর্বমোট ২৪ লক্ষাধিক প্রাণ ঝরে যাবে এই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে। আর ইউরোপে ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ১৩ লাখ প্রাণ যার মধ্যে ন্যূনতম ৯০ হাজার ব্রিটিশ নাগরিক।
প্রতিবেদন অনুসারে ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল এবং রাশিয়ার ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রমণের ৬০%ই অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী। প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ চার থেকে সাত গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু তাই নয়, ছোটখাটো কেটে-ছড়ে যাওয়া, ছোট অস্ত্রোপচার বা নিউমোনিয়ার মতো সাধারণ রোগও প্রাণঘাতি আশঙ্কা রয়েছে। এই সুপারবাগের আক্রমণে শিশু ও বয়স্কদের মৃত্যুর ঝুঁকি বহু গুণে বাড়বে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: সর্দি-কাশি, সামান্য জ্বর, কানে ব্যথা ইত্যাদি জাতীয় উপসর্গে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করে কম পক্ষে ৩/৪ দিনি অপেক্ষা করা উচিত এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করা চাই।