ব্রঙ্কসে ৪৩ প্রিসেনক্ট প্রধান ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে বৈঠক

নিউইয়র্ক : নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ৪৩ পুলিশ প্রিসেনক্ট প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ব্রঙ্কস-বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। ব্রঙ্কসের স্টার্লিং-বাংলাবাজার এভিনিউর এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের হল রুমে সম্প্রতি এ বৈঠক আয়োজন করা হয়। নিউইয়র্কের গভর্নর এন্ড্রু কুমো ঘোষিত পুলিশ রিফর্মসহ আইন-শৃংঙ্খলা পরিস্থিতির নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয় বৈঠকে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ৪৩ পুলিশ প্রিসেনক্ট প্রধান মি. অরটিজ, বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এন মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক নজরুল হক, বাংলাবাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল কাশেম এয়াহইয়া, স্টার্লিং ফার্মেসির প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও আবদুল ডব্লিউ চৌধুরী জাকি, হৃদয়ে বাংলাদেশের সভাপতি সাইদুর রহমান লিংকন, ব্রঙ্কস-বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সভাপতি এন ইসলাম মামুন, নীরব রেস্টুরেন্ট ও নীরব বাজারের প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও বখতিয়ার রহমান খোকন, খলিল বিরিয়ানি হাউসের প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও মো. খলিলুর রহমান, রংধনু সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের সভাপতি এমবি তুষার, উড এভিনিউ মসজিদের নুরুস সামাদ ও রাশেদ আহমেদ, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট সারোয়ার চৌধুরী, ফাল্গুনী চটপটি হাউসের মালিক মাসুদ ফকির প্রমুখ।
ডম. অরটিজ ৪৩ প্রিসেনক্টের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি পুলিশ বিভাগ রিফর্ম, নিরাপত্তাসহ নানা ইস্যুতে কমিউনিটি নেতাদের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।
এলাকায় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি জনসাধারণের নিরাপত্তা বিধানে নির্ভয়ে পুলিশের সাথে একযোগে কাজ করার জন্য কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকান্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে কমিউনিটি নেতারা তাদের মতামত তুলে ধরেন। তারা বলেন, পুলিশের ক্ষমতা অপব্যবহার করে যারা নিরীহ মানুষের ওপর নির্যাতন চালায়, হত্যাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, সাধারণ মানুষ তাদের কাছে নিজেকে নিরাপদ মনে করবে না। পুলিশকে জনগণের বন্ধু, সেবক হিসেবেই তাদের পাশে দেখতে চায়।
তারা বলেন, পুলিশের রিফর্ম এখন সময়ের দাবি।