ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে অনলাইনে রেকর্ড ৬২২ কোটি ডলারের বিক্রি

বিশ্বচরাচর ডেস্ক : হলিডে শপিংয়ের মৌসুমটিতে অধিকসংখ্যক ক্রেতা এখন অনলাইন শপিং সারছেন। গত ২৪ নভেম্বর প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে প্রায় ৬২২ কোটি ডলারের পণ্য বিক্রির রেকর্ড হয়েছে। ওয়ালমার্ট ও অ্যামাজনের মতো যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ১০০টি রিটেইলার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮০টির লেনদেন পর্যবেক্ষণ করা অ্যাডোবি অ্যানালিটিকস জানাচ্ছে, এবারের ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে অনলাইনে বিক্রি গত বছরের চেয়ে ২৩ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়েছে। খবর সিএনবিসি।
চলতি বছরের থ্যাংকসগিভিং ডের পরের দিন ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে প্রথমবারের মতো স্মার্টফোনের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে রেকর্ড ২০০ কোটি ডলারের পণ্য। গত ২৩ নভেম্বর ই-কমার্সের ৩৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে স্মার্টফোনে, ২০১৭ সালে এ মাধ্যমে বিক্রির হার ছিল যেখানে ২৯ দশমিক ১০ শতাংশ।
অ্যাডোবি ডিজিটাল ইনসাইটসের পরিচালক টেইলর শ্রেইনার বলেন, ‘গ্রাহকদের মোবাইল শপিং অভিজ্ঞতা সুখকর করার চেষ্টা করছে রিটেইলার প্রতিষ্ঠানগুলো। গত বছরের চেয়ে এবার ১০ শতাংশের বেশি স্মার্টফোন ভিজিটর ক্রেতায় পরিণত হয়েছেন।’
অ্যাডোবি জানায়, চলতি ছুটির মৌসুমে ক্রেতাদের কাছে অনলাইনে ক্রয় বেশ জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ২২ নভেম্বরের চেয়ে ২৩ নভেম্বর অনলাইনে ক্রয়াদেশ বেড়েছে ৭৩ শতাংশ। টার্গেট, কোল’স ও ওয়ালমার্টের মতো কিছু কোম্পানি এ অনলাইন বেচাকেনায় বেশ জোর দিয়েছে। তারা আশা করছে, ক্রেতারা তাদের ক্রয়কৃত পণ্যগুলো সংগ্রহ করতে এসে আরো পণ্য কিনবে।
তবে ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে গৃহস্থালি জিনিসপত্র, আসবাব ও বড় ইলেকট্রনিক পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ ক্রেতা এবার তাদের ফোনের ওপরই নির্ভর করেছেন। অ্যাডোবি উপাত্তে দেখা গেছে, অনলাইন ক্রেতারা গড়ে ১৪৬ ডলার মূল্যের পণ্য ক্রয় করেছে, যা বছরওয়ারি ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়েছে।
গত ২২ নভেম্বর থ্যাংকসগিভিং ডেতে অনলাইনে বিক্রি ৩৭০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে ২৮ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া ওইদিন স্মার্টফোনে বিক্রিও ১০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছিল। গত বছরের চেয়ে চলতি বছরের থ্যাংকসগিভিং ডেতে ৮ শতাংশের বেশি ক্রেতা স্মার্টফোনে পণ্য ক্রয় করেছেন।