মঙ্গলে ভাঁড় পাঠাবে নাসা

ঠিকানা ডেস্ক : এবার ‘লালগ্রহ’ মঙ্গলেও দেখা যেতে পারে জোকার বা ভাঁড়। তবে সেই ভাঁড়কে হতে হবে দারুণ স্মার্ট। মুখ থেকে তার যে শব্দটা খসবে, তাতেই যেন হেসে গড়িয়ে পড়ে সবাই।

ভিনগ্রহে এমন জোকারই পাঠানোর কথা ভাবছেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশযাত্রীদের উদ্বেগ, উত্তেজনা কমাতে তাদের মজা-মসকরায় ভুলিয়ে রাখতেই এমন পরিকল্পনা। নাসা এখন খতিয়ে দেখছে, টানা এক বা দুই মাস মঙ্গলে থাকার ক্ষেত্রে জোকারদের ভূমিকা কতটা কার্যকর হতে পারে মহাকাশচারীদের ক্ষেত্রে। আর ৯-১০ বছরের মধ্যে মঙ্গলে প্রথম মহাকাশচারী পাঠাবে নাসা। তাদের লক্ষ্য ২০২৮ সাল; যার জোর প্রস্তুতি চলছে গত এক দশক ধরেই।

প্রথম প্রশ্ন হলো, মঙ্গলে কী করবে জোকাররা? মঙ্গলের মতো একটা পাথুরে গ্রহে পা ছোঁয়ানোর বিপদও তো কম নয়। মারাত্মক তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঝড়-ঝাপটা সইতে হবে মহাকাশচারীদের। আছে যেকোনো সময় গ্রহাণু বা উল্কার আছড়ে পড়ার আশঙ্কাও। সেই উদ্বেগ থেকে মহাকাশচারীদের যতটা সম্ভব দূরে সরিয়ে রাখতেই মঙ্গলে মহাকাশচারীদের সঙ্গে একজন জোকার বা ক্লাউন পাঠানোর খুব প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। নাসা এ ব্যাপারে যাঁদের গবেষণা চালানোর দায়িত্ব দিয়েছে, তাঁদের অন্যতম ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত¦বিদ জেফ্রি জনসন। তিনি বলছেন, ‘একমাত্র জোকার বা ক্লাউনরাই পারেন মজা-মসকরার মাধ্যমে মহাকাশচারীদের সব রকমের টেনশন কাটিয়ে দিতে। চার পাশ বন্ধএমন একটা জায়গায় একটানা দীর্ঘ দিন থাকতে হলে দুশ্চিন্তা, ক্লান্তি, মানসিক অবসাদ আসবেই। একমাত্র জোকাররাই তা কমাতে পারে।’

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।