মিলনো বিরহে

আবুল বাশার :

গোলাপ পাপড়ির মতো এক বৃন্তে লীন হয়ে আজীবন পরস্পর
জমে থাকার নীরব আকুতি
তবুও স্রষ্টার মিষ্টি শাসনে ললাটের লিখনে ছিটকে পড়ে
যার যেখানে বরাদ্দ করা অন্যের খোঁজে
শুরু হয় নাড়িছেঁড়া আত্মার বেদনাবিধুর বিয়োগব্যথার
অব্যক্ত করুণ কান্না
বিচ্ছিন্ন আত্মার সাথে তৃষিত আত্মার মিলনের প্রতীক্ষায়
সময়ের চাকা যেন স্থবির হয়ে যায়
ব্যস্ত শহরে রাজপথের ট্রাফিক জ্যামের মতো, শেষ হতে হতেও
যেন শেষ হয় না পথের
মিলন আকাক্সক্ষায় দুর্বার গতিতে ছুটে চলে দিগ্্দিগন্তের পানে
স্থান-কাল-পাত্রের ভেদাভেদ ভুলে
অস্পষ্ট সুরে গুনগুন করে গেয়ে যায় কবি
‘যেতে নাহি দিব হায় তবু যেতে দিতে হয় তবু যেন চলে যায়।’