মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মাহবুবুল হায়দার মোহনের মৃত্যুবার্ষিকী ২৩ মার্চ

ঠিকানা রিপোর্ট : ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য মুক্তিযোদ্ধা এবং বিশিষ্ট গণসংগীত শিল্পী মাহবুবুল হায়দার মোহনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ঢাকায় বিশেষ স্মরণ সভা আয়োজন করবে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ গণসংগীত শিল্পী সমন্বয় পরিষদ এবং ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আয়োজিত হবে মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সমাবেশ এবং কাঙালি ভোজ। ২৩ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী এবং সাউথ এশিয়ান মিউজিক সোসাইটির আয়োজনে জ্যাকসন হাইটসের ইত্যাদি পার্টি হলে আয়োজিত হবে এক বিশেষ স্মরণ সভা।

মুক্তিযোদ্ধা এবং গণসংগীত শিল্পী মাহবুবুল আলম মোহন ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ২৩ মার্চ ঢাকায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সেবার ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে আয়োজিত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানমালা প্রয়াত মোহনের স্মৃতির উদ্দেশে নিবেদন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা মোহন সক্রিয় রাজনীতি এবং পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যান।

জন্মগতভাবেই মোহনের মধ্যে ছিল সংগীতের প্রতি প্রবল আকর্ষণ। চট্টগ্রাম সংগীত পরিষদের একজন শিক্ষার্থী হিসেবেই শুরু করেছিলেন আনুষ্ঠানিক চর্চা। ১৯৭৪ সালে চট্টগ্রামে সম্মিলিত ২১ উদযাপন কমিটি গঠিত হলে তিনি ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী পুনর্গঠনে মন দেন। ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে তিনি কাজি বাহাউদ্দিন আহমেদকে আহবায়ক ক্রান্তি পুনর্গঠন করেন।

গত বছর তার মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শ্রদ্ধেয় শিল্পী মলয় কুমার গাঙ্গুলিকে ‘মাহবুবুল হায়দার মোহন পদক’ প্রদান করা হয়। মরহুম মোহনের জন্ম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। তাঁর পিতা মরহুম আমিন উল্লাহ মজুমদার ব্রিটিশ রেলওয়ের একজন কর্মকর্তা ছিলেন। বাবার চাকরির কারণে তাঁর শৈশব কাটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে । তার প্রকাশিত অ্যালবামের অন্যতম হোল জাগরণের গান “আমার ভালোবাসার স্বদেশ’ গণসংগীত “লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে” ইত্যাদি। তাঁর কণ্ঠে রেকর্ডকৃত কিছু দেশের গান বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল প্রায়ই প্রদর্শন করে থাকে।