যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের স্বাগত সমাবেশ

নিউইয়র্ক : এয়ারপোর্টে আওয়ামী লীগের স্বাগত সমাবেশ। ছবি-ঠিকানা।

ঠিকনা রিপোর্ট: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাত দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। অভ্যর্থনা শেষে প্রধানমন্ত্রী ম্যানহাটনের লোটে গ্র্যান্ড প্যালেস হোটেলে যান। সেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান। জাতিসংঘের অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী এই হোটেলেই অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে জেএফকে বিমানবন্দরে উপস্থিত হন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মিরা। নিউইয়র্ক ছাড়াও অন্যান্য স্টেটের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে এয়ারপোর্টের ৪ নম্বর টার্মিনালের বাইরে পার্কিং লটে তাদের জন্য বেস্টনি গড়ে দেওয়া হয়। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের কারোরই কোনো দেখা-সাক্ষাত হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এয়ারপোর্টে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান, শামসুদ্দিন আজাদ, লুৎফুল করিম, সৈয়দ বসারত আলী, উপদেষ্টা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, ডা. মাসুদুল হাসান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজাম চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম সালাম, সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, কোষাধ্যক্ষ মনসুর খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইরীন পারভীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী এনাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, আব্দুল হাসিব মামুন, আব্দুর রহিম বাদশা, চন্দন দত্ত, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাখাওয়াত বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার, সাধারণ সম্পাদক সুবল দেব নাথ, যুব লীগের আহবায়ক তারিকুল হায়দার চৌধুরী, যুব লীগের সাবেক সভাপতি মিসবাহ আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আলম, সেবুল মিয়া, জামাল হোসেন, শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ খন্দকার, কার্যকরি সদস্য শাহানারা রহমান, মহিলা নেত্রী মুর্শেদা জামান, মমতাজ শাহনাজ, কৃষিবিদ আশরাফুজ্জামান, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, সহ সভাপতি মোহাম্মদ সাজ্জাদ প্রমাণিক, নিউইয়র্ক মহা নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা দরুদ মিয়া রনেল, সাইকুল ইসলাম, আব্দুল হাই জিয়া, সহ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক, মোহাম্মদ আলমগীর, আব্দুর রাজ্জাক, শেখ আতিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের মিয়া ফাউন্ডেশনের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল কাদের মিয়া, আলমগীর হোসেন, আবুল হোসেন, কাজী কয়েস, শামসুল আবেদীন, আব্দুল জলিল, হিন্দাল কাদিও বাপ্পা, শিমুল হাসান, মমতাজ শাহনাজ, ফরিদা ইয়াসমীন, দেওয়ান সাহেদ চৌধুরী, দেওয়ান বজলু, নূরে আলম জিকো,খায়রুল খোকন, মোল্লা এম এ মাসুদ, কায়কোবাদ খান, জালাল উদ্দিন প্রমুখ।

শান্তি সমাবেশে তারা শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। যার মধ্যে ছিলো শুভেচ্ছা স্বাগতম শেখ হাসিনার আগমন।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা এয়ারপোর্টে একত্রিত হয়েছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে এবং বিএনপিকে প্রতিহত করতে। তিনি আরো বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় শেখ হাসিনার এবারের সফরটি একটু ভিন্ন। কারণ বিশ্ব রাজনীতিতে শেখ হাসিনা এখন শীর্ষ নেত্রীর নাম। তার উন্নয়নের মডেল এখন অনেক দেশই অনুসরণ করছে। জাতিসংঘেও তাকে নিয়ে আলোচনা হবে। এবার তিনি জাতিসংঘের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবেন।

মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, আমরা আগেই ঘোষণা দিয়েছিলাম প্রধানমন্ত্রীর ভ্যানগার্ড হিসাবে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা- কর্মীরা থাকবেন। সেই দায়িত্ব পালন এবং নেত্রীকে আমেরিকায় স্বাগত জানাতেই আমরা এখানে এসেছি।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা বলেন, আমরা নেত্রীকে স্বাগত জানাতেই এখানে এসেছি। নেত্রী যত দিন থাকবে ততদিন আমরা নেত্রীর পাশে থাকবো।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাখাওয়াত বিশ্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্ব নেত্রী। তাকে স্বাগত জানানো আমাদের দায়িত্ব। যে কারণে আমরা এয়ারপোর্ট এসেছি।