রাশিয়ার ব্যাংক থেকেও ৬০ লাখ ডলার হাওয়া

বিশ্বচরাচর ডেস্ক : অজ্ঞাত হ্যাকাররা গত বছর আন্তর্জাতিক লেনদেনের মেসেজিং ব্যবস্থা সুইফট পদ্ধতিকে ফাঁকি দিয়ে রাশিয়ার ব্যাংক থেকে ৬০ লাখ ডলার (৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা) হাতিয়ে নিয়েছে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তথ্য জানায়।
রয়টার্স জানায়, রাশিয়ার ব্যাংক থেকে ডিজিটাল চুরি সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি তারভিত্তিক লেনদেনের অনুরোধ নিয়ে একের পর এক সফল চুরি ও চুরির প্রচেষ্টা ঘটছে। রুশ ব্যাংকের অর্থ চুরি তার সর্বশেষ উদাহরণ।
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, সুইফট ব্যবস্থার একটি অপারেটর তাদের কাছে একটি সফল হামলা হওয়ার তথ্য পাঠিয়েছে। ব্যাংকটি বলছে, এই হামলায় অননুমোদিত কার্যক্রমের ফলে ৩৩ কোটি ৫০ লাখ রুবল চুরি হয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর রুশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক মুখপাত্র বলেন, হ্যাকাররা রাশিয়ার একটি ব্যাংকের কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সুইফট ব্যবস্থা ব্যবহার করে তাদের অ্যাকাউন্টে ওই অর্থ হস্তান্তর করে। ওই মুখপাত্র ব্যাংকটির নাম কিংবা এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করেন।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হ্যাকাররা সুইফট ব্যবস্থার মাধ্যমে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয়। সেই অর্থ ফিলিপাইনের ব্যাংকে হ্যাকারদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। সুইফটের মেসেজিং ব্যবস্থা ব্যবহার করে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলার লেনদেন হয়। রুশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন সম্পর্কে সংস্থাটির মুখপাত্র নাতাশা ডি টেরান বলেন, তারা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিয়ে মন্তব্য করেন না। তিনি বলেন, আমাদের কাছে যখন সম্ভাব্য কোনো জালিয়াতির বিষয়ে অভিযোগ আসে, আমরা তখন আক্রান্ত ব্যবহারকারীকে তাদের পরিবেশ সুরক্ষিত করতে আমাদের সহযোগিতা নেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে থাকি।
সুইফট বলছে, তাদের নিজস্ব ব্যবস্থায় হ্যাকাররা কখনোই হামলা চালাতে পারেনি। তবে ব্রাসেলসভিত্তিক সংস্থাটি বলছে, ডিজিটাল চুরির ঘটনা ক্রমশই দৃশ্যমান হচ্ছে। নতুন নতুন হামলার জন্য হ্যাকাররা আরও আধুনিক যন্ত্রপাতি ও কৌশল প্রয়োগ করছে।
গত ডিসেম্বরে হ্যাকাররা রাশিয়ার গ্লোবেক্স ব্যাংক থেকে সাড়ে ৫ কোটি রুবল হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তারা তখন ১০ লাখ রুবল চুরি করতে সক্ষম হয়। তবে বাকিটা ঠেকিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। ও ক্ষুব্ধ। আমরা কারো লেজুড়বৃত্তি করার জন্য সাংবাদিকতা করি না। বাফুফের এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানাচ্ছি। তার কথা,কার্ড পাওয়াদের মধ্যে এমন ব্যক্তিরাও রয়েছেন, যারা ফুটবল মাঠে খেলা দেখা তো দূরের কথা ফুটবল ভবনের ঠিকানাও জানেন না। যদিও তাদের কার্ডপ্রাপ্তির ব্যাপারে প্রধান যোগ্যতা ছিল সালাউদ্দিনের আস্থাভাজন হওয়াটাই।