শুভ ইস্টার সানডে

বিশ্বের খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে আজ রোববার (১ এপ্রিল)। খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করার পর এদিনে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন বলে তাদের বিশ্বাস ।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরাও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় শনিবার গভীর রাত থেকেই দিনটি উদযাপন করছে। অপরূপ সাজে সাজানো হয়েছে দেশের প্রতিটি চার্চ।

রোববার সকালে চার্চে চার্চে বিশেষ খ্রিস্টযোগ ও প্রার্থনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন খ্রিস্টীয় সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিশেষ এ দিনটি পালনের জন্য নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

এদিকে ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটি দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটি খ্রিস্টান সমাজের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। ২০০৩ সাল থেকে এ দাবি জানানো হলেও এখনো এ দাবি পূরণ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

তারা আরো বলেন, ‘স্টার সানডেতে সরকারি ছুটি না থাকায় খ্রিস্টান ছাত্রছাত্রীসহ চাকরিজীবীরা যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় দিনটি উদযাপন করতে পারে না। অনেক সময় খ্রিস্টান শিক্ষার্থীদের ইস্টার সানডের দিন ক্লাস কিংবা পরীক্ষা দিতে হয়, যা মোটেও কাম্য নয়। তাই আমাদের এ পবিত্র দিনটাকে সরকারি ছুটি দিয়ে আমাদের ধর্মীয় মর্যাদা রক্ষা করার সুযোগ দিন।’

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সভাপতি হিউবার্ট গমেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হেমন্ত আই কোরাইয়া, তপন মারাক, জেমস সুব্রত হাজরা, পংকজ গিলবার্ট কস্তা প্রমুখ।