সারা দেহে ক্ষত-মলম লাগাবে কত?

মুহম্মদ শামসুল হক :

ছোট-বড় ৫০টি স্টেট নিয়ে গঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মোট ভূখণ্ডের আয়তন ৩৫ লাখ ৩১ হাজার ৯০৫ বর্গমাইল বা ৯১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৯০ বর্গকিলোমিটার। মোট জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩৩ কোটি। বিশ্ব অভিবাসীর দেশ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রে দুই শতাধিক বর্ণ-গোষ্ঠী-ধর্মাবলম্বীর বসবাস। তবে অদ্যাবধি শ্বেতাঙ্গরাই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের আপামর জনগোষ্ঠীর ধর্মচর্চা, বাক্্স্বাধীনতাসহ সব ধরনের অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকলেও বাস্তব চিত্র বহু ক্ষেত্রেই অনভিপ্রেত ও অনাকাক্সিক্ষত। শ্বেতাঙ্গ-শাসিত যুক্তরাষ্ট্রে দাসত্বের শৃঙ্খলমুক্তির মাধ্যমে আফ্রিকান-আমেরিকানদের নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা দান করার লক্ষ্যে ষোড়শ প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কনের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছিল গৃহযুদ্ধ।

অবশেষে ১৮৫৫ সালের ১৯ জুন প্রেসিডেন্ট লিঙ্কন প্রবর্তিত দাসমুক্তি সনদ কার্যকর হওয়ার পর হাজার হাজার আফ্রিকান-আমেরিকান শ্বেতাঙ্গ প্রভুদের শৃঙ্খলমুক্ত হন এবং তারা নাগরিক অধিকার লাভে সক্ষম হন। যাহোক, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান আফ্রিকান-আমেরিকান, হিসপানিক, এশিয়ান-আমেরিকানসহ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে সমান অধিকার প্রদান করায় সাবেক শ্বেতাঙ্গ শাসকগোষ্ঠীর অন্তরে যে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, তা কোনো মলমে ইহজনমে শুকানোর নয়। এসব কারণে মাঝেমধ্যে বর্ণবৈষম্যের সংঘাত-দাঙ্গা-হাঙ্গামা আধুনিক বিশ্বের অমরাবতী যুক্তরাষ্ট্রের গৌরবোজ্জ্বল বদনে নতুন কলঙ্কের ক্ষতচিহ্ন সৃষ্টি করে।

ভিয়েতনাম থেকে শুরু করে পরবর্তী পর্যায়ে ভিন দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধে আমেরিকার নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের কোনো দৃষ্টিগ্রাহ্য নজির ইতিহাসের পাতায় মেলে না। আর সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ২০০৭ সালে ইরাক যুদ্ধে নিরঙ্কুশ সাফল্য অর্জনের ঘোষণা দিলেও বস্তুত তা ছিল ঢাহা মিথ্যা। ইরাকে অদ্যাবধি ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে এবং ২০০৭ সালের পর বহু আমেরিকান সৈন্যের তাজা রক্তে ইরাকের ভূখণ্ড রঞ্জিত হয়েছে। আর আফগানিস্তান থেকে প্রেসিডেন্ট বাইডেন আমেরিকার সৈন্যবাহিনী প্রত্যাহার করে চরম পরাজয়কে পরোক্ষভাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এদিকে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বহু অবসরপ্রাপ্ত আমেরিকান সেনাসদস্য মানসিক ভারসাম্য হারানো, ট্রমাসহ নানাবিধ জটিল উপসর্গে ভুগছেন। রাশি রাশি অর্থব্যয়েও ভেটারনদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভেটারন অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট কূলকিনারা পাচ্ছে না এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের আত্মহত্যার প্রবণতাও ক্রমশ প্রকট আকার ধারণ করছে।

সারা দুনিয়ার স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ কিংবা আঙিনায় আগ্নেয়াস্ত্র বা ছুরিকাঘাতে নিহত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাকে এক পাল্লায় দিলে আর আমেরিকার শিক্ষাঙ্গনে নিহত ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যাকে অপর পাল্লায় দিলে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্লা নিশ্চিতভাবেই ভারী হবে। একইভাবে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র কেনাবেচা, মাদকদ্রব্যের বাণিজ্য, সাবওয়ে, উপাসনালয়, পানশালা, রেস্টুরেন্ট, গ্রোসারি, অফিস-আদালত, রঙ্গমঞ্চ, পার্কসহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে দাঙ্গা-হাঙ্গামা-আততায়ীর গুলি-সন্ত্রাসী হামলায় যত নিরীহ লোক মারা যাচ্ছে, এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি শান্তিপ্রিয় আমেরিকান প্রাণ হারাচ্ছেন। অথচ এসব প্রতিকারবিহীন প্রাণহানির অবসান ঘটাতে কিংবা আগ্নেয়াস্ত্রের সাহায্যে সংঘটিত সহিংসতার সমূল উৎপাটনে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন নিছক সাক্ষী গোপাল বললে হয়তো অতিশয়োক্তি হবে না।

অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টি, দীর্ঘ স্থায়ী খরা, ওয়াইল্ড ফায়ার, আকস্মিক বন্যা ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে আমেরিকানদের রয়েছে মিতালি। তাই প্রতিবছরই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সর্বস্ব হারিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আমেরিকানের পথে দাঁড়ানো নিয়তির নির্মম বিধানে পরিণত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার বড়জোর ১০ শতাংশ। অথচ করোনা নামক শতাব্দীর ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মোট আক্রান্তের প্রায় এক-চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ এবং মোট মৃতের প্রায় ২১ শতাংশই আমেরিকান। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বড় গলায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় সাত সপ্তাহ আগে করোনা পরিসমাপ্তির ঘোষণা দিলেও বর্তমানে এই ঘোষণা চরম উপহাসে পরিণত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ঘোষণার পর থেকে ২০ সহস্রাধিক আমেরিকান করোনা-সংশ্লিষ্ট জটিলতায় পটল তুলেছেন। বর্তমানে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ৩৯৫ থেকে ৪০৫ জন হারে পুরো সপ্তাহে ২ হাজার ৭৬৬ জন আমেরিকান করোনায় প্রাণ হারাচ্ছেন। প্রতিদিন ৩৯ হাজার ৮০৩ থেকে ৪০ হাজার ২০০ হারে পুরো সপ্তাহে ২ লাখ ৭২ হাজার ৯০০ আমেরিকান নতুনভাবে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন এবং প্রতি ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সাড়ে তিন হাজার হারে কমপক্ষে পুরো সপ্তাহে সাড়ে ২৪ হাজার করোনা রোগী ভর্তি হচ্ছেন। এদিকে বাইডেনের চিফ মেডিকেল অফিসার ড. অ্যান্থনি ফাউসি শীত মৌসুমে করোনার বিশেষ ভ্যারিয়েন্টের পুনরুত্থান এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা করোনায় আবার যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর মিছিল শুরুর আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন।

ভরা প্রাচুর্যের আমেরিকায় আগ্নেয়াস্ত্রের মতো চর্বিযুক্ত মুখরোচক এবং স্বাস্থ্যহানিকর খাবারও সহজলভ্য। অনবদ্য কারণে অবিবেচক আমেরিকানরা উচ্চ চর্বিযুক্ত মুখরোচক-সুস্বাদু খাবার গোগ্রাসে গিলে অল্প দিনেই বিশাল দেহধারী হয়ে পড়ছে। অতিরিক্ত স্থূলকায়তার দরুন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, রক্ত জমাট বাঁধাসহ নানাবিধ মরণব্যাধি তাদের শরীরে স্থায়ী পালঙ্ক পেতে বসে। অল্প দিনেই তারা কর্মক্ষমতা হারিয়ে জাতীয় জীবনে দায় বা আপদ হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং তাদের ভরণপোষণ ও চিকিৎসা বাবদ জনগণের শ্রম-ঘামে অর্জিত এবং ট্যাক্স হিসেবে প্রদত্ত রাজস্বের রাশি রাশি অর্থ ব্যয় করতে হয় সরকারকে। এ ছাড়া সমকামিতা, বহুগামিতাসহ নানা অনৈতিক যৌন সঙ্গমের ফলে এইচআইভি, ক্যানসার, মাঙ্কিপক্সসহ নানা জটিল ব্যাধিও আমেরিকানদের জাতীয় জীবনকে অভিশপ্ত করে তুলছে। যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুর খতিয়ানে করোনার পরবর্তী স্থান দখল করে আছে হার্ট অ্যাটাক এবং অন্যান্য দুরারোগ্য ব্যাধি।

আশা-নিরাশার দোলাচলে ক্যানসার : একসময় বলা হতো : ক্যানসার হ্যাজ নো আনসার। অবশ্য আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির আশীর্বাদে কিছুসংখ্যক মরণব্যাধি ক্যানসারের ক্ষেত্রে আনসার পাওয়া যাচ্ছে। আমেরিকার সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যানসার শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ক্যানসারজনিত মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে সক্ষম হচ্ছে এবং ক্যানসারাক্রান্ত আমেরিকানদের আয়ুষ্কাল খানিকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত দুই দশক ধরে আমেরিকায় ক্যানসারজনিত মৃত্যুর হার ধীরলয়ে কমে আসছে এবং ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর ক্যানসারঘটিত মৃত্যু ২.১ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে। তবে দুর্ভাগ্যজনক দিক হচ্ছে, ক্যানসার শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমেরিকান নারী এবং ১৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সী আমেরিকানদের ক্যানসার শনাক্তের হার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সী আমেরিকানদের ক্যানসার শনাক্তের হার বৃদ্ধি জাতীয় জীবনে রাহুর পদচারণের পূর্বাভাস দিচ্ছে। উল্লিখিত বয়সীরা আমেরিকার মোট শ্রমশক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে আমেরিকার শ্রম বিভাগ জানিয়েছে। আর শ্রমশক্তি দুর্বল হয়ে পড়লে জাতীয় উৎপাদনও চরমভাবে ব্যাহত হবে। ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে লেজেগোবরে পরিস্থিতির উদ্ভব হবে।

স্মর্তব্য, স্থূলকায়তা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন উপসর্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাধারণ ক্যানসার এবং মহিলাদের ব্রেস্ট, কিডনি, অগ্ন্যাশয় (প্যানক্রিয়া) ও মাইলোমা ক্যানসার যুক্তরাষ্ট্রে অব্যাহতভাবে বাড়ছে বলে জানিয়েছে সিডিসি। আর ধূমপান মানে জেনেশুনে বিষপান। তামাকজাত পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ ঢালছে। অথচ কাক্সিক্ষত সাফল্য অদ্যাবধি ধরাছোঁয়ার বাইরে। সিডিসির পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ক্যানসারঘটিত মৃত্যুর তালিকার শীর্ষস্থানটি এখনো দখল করে আছে ফুসফুসের ক্যানসার। আর ক্যানসারে মারা যাওয়া আফ্রিকান-আমেরিকান নারীদের সিংহভাগ মারা যান গর্ভাশয়, মূত্রাশয় ও ব্রেস্ট ক্যানসারে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে নানা ধরনের ক্যানসারে মারা যাওয়াদের বৃহত্তর অংশই আফ্রিকান-আমেরিকান।
এশিয়ান-আমেরিকানরা বহু বছর যাবৎ চলন-বলন, আহার-বিহারে মিতাচারী ও মিতব্যয়ী থাকায় রোগব্যাধি, বিশেষত বিভিন্ন ধরনের মরণব্যাধিতে কমই আক্রান্ত হতো। অথচ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এশিয়ান-আমেরিকানরা ভোজনবিলাসিতার পাশাপাশি নানা ধরনের অনৈতিক ক্রিয়াকলাপে জড়িয়ে পড়েছে। তাই সিডিসির প্রতিবেদন অনুসারে, নতুনভাবে ক্যানসার শনাক্ত হওয়াদের বেশির ভাগ আমেরিকান-ইন্ডিয়ান এবং আলাস্কার ন্যাটিভ।
ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. ক্যাথি ক্রোনিন বলেন, উন্নতমানের চিকিৎসাব্যবস্থা ক্যানসার রোগীদের আরোগ্য দান এবং বাড়তি আয়ু দিতে পারে। তবে নতুন জনগোষ্ঠীর বাড়তি হারে ক্যানসার আক্রান্তের খবর আদৌ শুভ নয়। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির ক্যানসার চিকিৎসক এবং সায়েন্টিফিক অফিসার ড. উইলিয়াম বলেন, কিডনি, গর্ভাশয় ও লিভার (যকৃৎ) ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে আমরা ধাপে ধাপে অগ্রসর হচ্ছি। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, স্ক্রিনিং এবং উন্নতমানের চিকিৎসার ফলে ক্যানসারের ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে বটে, তবে আরও বহু পথ মাড়াতে হবে। সিডিসির উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০২২ সাল বিদায় নিতে এখনো দুই মাস বাকি। ইতিমধ্যে ২০ লাখেরও বেশি আমেরিকানের ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে, যা কোনোক্রমেই মেনে নেওয়া যায় না।

পাঠকদের জন্য আরও একটি দুঃসংবাদ হচ্ছে, চলতি বছরের আগস্টের তুলনায় অক্টোবরে ফ্লু ‘এ’ ৪০০ গুণ এবং ফ্লু ‘বি’ ১০০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফ্লুর ভয়াবহ সংক্রমণ প্রতিহতে হাসপাতালগুলো ফ্লু ভ্যাকসিন প্রদানে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আটলান্টিকের এপারে বসতি গড়া বাংলাদেশিদের অবস্থা আরও ভয়াবহ। বাড়ি-গাড়ি, ব্যবসা-বাণিজ্যের মালিক স্বল্পসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়া সিংহভাগ নুন আনতে পান্তা ফুরায় প্রবাসী বাংলাদেশি বাড়ি ভাড়া বাবদ মোট আয়ের ৭৫ শতাংশ ব্যয় করতে বাধ্য থাকেন। বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর অগ্নিমূল্যে তাদের অবস্থা আরো শোচনীয়। তাই ছাপোষা প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রায় ৮০ শতাংশই খাওয়ার জন্য পাচ্ছেন না বিষ, আর পালানোর জন্য পাচ্ছেন না দিশ।

লেখক : সহযোগী সম্পাদক, ঠিকানা, নিউইয়র্ক। ১ নভেম্বর ২০২২।