সেই সুবর্ণচরে এবার স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

নোয়াখালী : নোয়াখালীর সুবর্ণচরে তিন সন্তান ও স্বামীর সামনে এক নারীকে গণধর্ষণ কাণ্ডের রেশ মিলিয়ে না যেতেই উপজেলাটিতে এবার ১৩ বছর বয়সের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পাশবিক এ কাণ্ডের অভিযোগে ইস্রাফিল আজাদ স্বপন (২৩) ও নিজাম উদ্দিন (২২) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অটোরিকশাচালক স্বপনের বাড়ি পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমজিদ গ্রামে। তার বাবার নাম মো. তৈয়ব। আর তার কুকর্মের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত নিজামও একই গ্রামের। তার বাবার নাম চান মিয়া।

এ দিকে গত ২ ফেব্রæয়ারি দুপুরে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

তার বরাত দিয়ে চরজব্বার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল জানান, গত ৩১ জানুয়ারি দুপুরে তার মা হাতিয়া যাচ্ছিলেন। তাকে এগিয়ে দিতে সে বুড়ার দোকান নামের এলাকা পর্যন্ত যায়। সেখান থেকে মাকে বিদায় জানিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশারচালক স্বপন তাকে ভাড়া ছাড়াই বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অটোরিকশায় তোলে। এরপর তাকে নিয়ে নানা স্থানে ঘুরতে থাকে। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে যখন রাত ৯টা বাজে, তখন চরমজিদ গ্রামের শাহজাহানের বাড়ির পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল নিজাম। এরপর সারারাত দুজন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। সকালে ছাড়া পেয়ে সে বাড়ি যায় এবং পরিবারের লোকজনদের বিষয়টি জানায়। ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, এ কাÐে গত ১ ফেব্রæয়ারি দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুটির বড় ভাই থানায় একটি মামলা করেন স্বপন ও নিজামকে আসামি করে। এর ভিত্তিতে সেই রাতে অভিযান চালিয়ে স্বপন ও নিজামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার আগে এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা যাবে না।