১৬ বছর বয়সীদের ভোটাধিকার দিতে সংবিধান সংশোধন চায় ডেমোক্র্যাটরা

ঠিকানা রিপোর্ট : গেল সপ্তাহে এক ডজনেরও বেশি হাউস ডেমোক্র্যাট সদস্য ১৬ বছর বয়সীদের ভোটাধিকার দেয়ার জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব করেছেন।
নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি গ্রেস মেং প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন যা সংবিধানের ২৬ তম সংশোধনীকে বাতিল করবে। ২৬ তম সংশোধনীতে মার্কিন নাগরিকদের কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স হলে ভোট দেওয়ার অনুমতি রয়েছে। নতুন প্রস্তাবটি এটিকে নতুন ভাষা দিয়ে প্রতিস্থাপন করবে। এতে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক যাদের বয়স ১৬ বছর বা তার বেশি তাদের ভোটাধিকার যুক্তরাষ্ট্র বা কোনো রাজ্য অস্বীকার বা সংক্ষিপ্ত করতে পারবে না।’
মেং গত ১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার তার প্রস্তাবের বিষয়ে বিবৃতি দেননি। কিন্তু তিনি গত কংগ্রেসে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘১৬ ও ১৭ বছর-বয়সীসহ আমাদের তরুণেরা বন্দুকের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে জলবায়ু সংকট পর্যন্ত অনেক বিষয়ে লড়াই এবং সমর্থন করছে। তারা তাদের জীবন এবং ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করে এমন নীতিতে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে।’ তবে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের দায়িত্বে থাকাকালে মেংয়ের প্রস্তাবকে এগিয়ে নিতে কিছুই করেনি। কিন্তু যেসব গোষ্ঠী ভোট দেয়ার বয়স কম হওয়ার ধারণাকে সমর্থন করে তারাও এই ধারণাটি পছন্দ করে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।
কংগ্রেসে মেংয়ের ধারণাকে সমর্থন করা ঠড়ঃব১৬টঝঅ গত সপ্তাহে তার সাইটে এক বার্তায় বলেছে, ‘ভোট দেওয়ার বয়স কম করুন, গ্রহ এটির উপর নির্ভর করে।’
আরেক সমর্থক নেক্সট আপ অ্যাকশন ফান্ড যুক্তি দেখিয়েছে, ‘১৬ এবং ১৭ বছর বয়সীরা যোগ্য, স্মার্ট এবং সচেতন ভোট দিতে সক্ষম…’
২০২২ সালের মার্চ মাসে, ১২৫ জন ডেমোক্র্যাট ভোট দেওয়ার বয়স ১৬-এ নামিয়ে আনার জন্য একটি সংশোধনীর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তবে এই ভোট সংখ্যা সংশোধনী অনুমোদনের জন্য যথেষ্ট ছিল না। একজন রিপাবলিকান ছাড়া সবাই এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।
সংবিধান সংশোধনের জন্য মেংয়ের সর্বশেষ প্রস্তাবটি ১১ জন হাউস ডেমোক্র্যাট সমর্থন করেন। এদের মধ্যে নিউইয়র্কের স্কোয়াড সদস্য আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ, মিশিগানের রাশিদা তলাইব এবং ম্যাসাচুসেটসের আয়না প্রেসলি রয়েছেন।
সংবিধান সংশোধনের জন্য হাউস এবং সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি পাস করতে হবে এবং তারপর রাজ্য আইনসভার তিন-চতুর্থাংশ দ্বারা অনুসমর্থন প্রয়োজন। ২৬ তম সংশোধনী ভোট দেওয়ার বয়স ২১ থেকে ১৮-এ নামিয়ে এনেছিল এবং ১৯৭১ সালে তা অনুমোদন করা হয়েছিল।