১৬.৯০ মিলিয়ন ফ্লু ভ্যাকসিন

ঠিকানা রিপোর্ট : বিগত দুই বছরের মতো এবারও আমেরিকায় ফ্লুর মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিচ্ছে না আমেরিকা। বিগত দুই বছর ভ্যাকসিন ফ্লু প্রতিহতে কার্যকর ভূমিকা না রাখায় এবং সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ও সরকার নড়েচড়ে বসেছে। ১ অক্টোবর পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে সরকারের সংগ্রহে রয়েছে ১৬ কোটি ৯০ লাখ ভ্যাকসিন ডোজ।
সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের ফ্লু প্রধান ড. ড্যানিয়েল জার্নিগান বলেন, যা-ই ঘটুক না কেন ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়াই ফ্লু প্রতিহতের সর্বোত্তম পন্থা। উল্লেখ্য, গত বছরের ফ্লু মৌসুম ছিল আমেরিকার ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা দীর্ঘতম মৌসুম। একবার ফ্লু বিদায়ের পর্যায়ে এসে নতুন করে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল।
এখন পর্যন্ত ফ্লুর আবির্ভাব সূচিত না হলেও সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পক্ষ থেকে সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে। প্রচলিত নিয়ম অনুসারে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ফ্লুর তীব্রতা দেখা যায় এবং ফেব্রুয়ারি থেকে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস সেক্রেটারি আলেক্স আজার বলেন, অনেকে ভ্যাকসিনকে যন্ত্রণাদায়ক ভেবে থাকেন, বাস্তবে তা নয়। এক সংবাদ সম্মেলনে আজার জানান, তিনি ইতোমধ্যে ফ্লু ভ্যাকসিন নিয়েছেন। আজার আরও বলেন, ফ্লু ভ্যাকসিন গ্রহণের ফলে শুধু যে ভ্যাকসিন গ্রহণকারীর ঝুঁকি কমে তা নয়; আশপাশের লোকজনও নিরাপদ থাকে। তাই আজার বলেন, আপনি ভ্যাকসিন নিন এবং আপনার চারপাশের লোকজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের বর্ণনা অনুসারে গত বছর প্রাপ্তবয়স্কদের ৪৫ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ৬৩ শতাংশ ফ্লু ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন।